সংবাদ শিরোনাম ::
ভুয়া আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট, এনআইডি জালিয়াতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছে বাবুল কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিয়েও আটকানো যায়নি অবৈধ সিগারেটের চালান মাদক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মিজানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুষের অভিযোগ আদ্-দ্বীনের শিক্ষা কার্যক্রম অন্য হাসপাতালে চালাতে হবে দুবাইয়ে যেভাবে গ্রেফতার হলেন বেনজীর, সংসদে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাকৃবিতে বহিরাগত প্রো-ভিসি নিয়োগ প্রত্যাখ্যানের দাবিতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন নওগাঁয় সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন দুই ছেলে গ্রেফতার গোপালগঞ্জে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত  মুকসুদপুরে শহিদুলের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন  সারিকালিনগর (বালুরচর) গ্রামের বন্যা-দুর্ভোগ: ৩.২৫ কিমি আইডিভূক্ত রাস্তা পাকাকরণের দাবি

গুম-নির্যাতন: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই মামলার পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, আজ আদালতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন সাক্ষীর জবানবন্দি নেয়া হবে। তবে স্পর্শকাতর মামলা হওয়ায় এবং নিরাপত্তার স্বার্থে ওই সাক্ষীর নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে, গত ৩ জুন এই সাক্ষীর জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও প্রসিকিউশনের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজকের দিনটি পুনর্নির্ধারণ করেন। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বে এখন পর্যন্ত ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমানসহ চারজন ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী আদালতে নিজেদের জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার ১৭ জন আসামির মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৭ জন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পলাতক অন্য আসামিরা হলেন- শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক দুই মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন ও ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং র‍্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

অন্যদিকে, এই মামলার বাকি ১০ আসামি বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ সাব-জেলে বন্দি রয়েছেন। তারা হলেন- র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভুয়া আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট, এনআইডি জালিয়াতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছে বাবুল

গুম-নির্যাতন: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

আপডেট সময় ১২:৪৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই মামলার পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, আজ আদালতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন সাক্ষীর জবানবন্দি নেয়া হবে। তবে স্পর্শকাতর মামলা হওয়ায় এবং নিরাপত্তার স্বার্থে ওই সাক্ষীর নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে, গত ৩ জুন এই সাক্ষীর জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও প্রসিকিউশনের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজকের দিনটি পুনর্নির্ধারণ করেন। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বে এখন পর্যন্ত ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমানসহ চারজন ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী আদালতে নিজেদের জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার ১৭ জন আসামির মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৭ জন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পলাতক অন্য আসামিরা হলেন- শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক দুই মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন ও ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং র‍্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

অন্যদিকে, এই মামলার বাকি ১০ আসামি বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ সাব-জেলে বন্দি রয়েছেন। তারা হলেন- র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।