ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালিতে ২৪ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন বিধ্বস্ত

পারস্য উপসাগরে নজরদারির সময় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক সামরিক ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, গত ৯ এপ্রিল হরমুজ প্রণালিতে এই ঘটনা ঘটে।

বিধ্বস্ত ড্রোনটি ছিল এমকিউ-৪সি ট্রাইটন মডেলের, যা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম উন্নত নজরদারি ড্রোন। এটি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা আকাশে থেকে নজরদারি চালাতে সক্ষম হওয়ায় একে ‘ডানাযুক্ত উপগ্রহ’ বলা হয়। ড্রোনটির মূল্য প্রায় ২৪ কোটি ডলার।

মার্কিন কোম্পানি নর্থরুপ গ্রুম্যান এই ড্রোনটি তৈরি করেছে। এটি ইতালির সিসিলিতে অবস্থিত সিগোনেল্লা নৌঘাঁটি থেকে পরিচালিত হচ্ছিল।

নৌবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি নিয়মিত তিন ঘণ্টার নজরদারি শেষে ফেরার পথে হঠাৎ বিপদ সংকেত পাঠাতে শুরু করে। এরপর সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

প্রাথমিক তথ্য বলছে, ড্রোনটি প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল। সেখান থেকে এটি হঠাৎ অনেক নিচে নেমে যায় এবং পরে আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ড্রোনটি শত্রুপক্ষের হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।

তবে ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মাত্র দুই দিন পর, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে ২৪ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন বিধ্বস্ত

আপডেট সময় ১২:২৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

পারস্য উপসাগরে নজরদারির সময় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক সামরিক ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, গত ৯ এপ্রিল হরমুজ প্রণালিতে এই ঘটনা ঘটে।

বিধ্বস্ত ড্রোনটি ছিল এমকিউ-৪সি ট্রাইটন মডেলের, যা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম উন্নত নজরদারি ড্রোন। এটি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা আকাশে থেকে নজরদারি চালাতে সক্ষম হওয়ায় একে ‘ডানাযুক্ত উপগ্রহ’ বলা হয়। ড্রোনটির মূল্য প্রায় ২৪ কোটি ডলার।

মার্কিন কোম্পানি নর্থরুপ গ্রুম্যান এই ড্রোনটি তৈরি করেছে। এটি ইতালির সিসিলিতে অবস্থিত সিগোনেল্লা নৌঘাঁটি থেকে পরিচালিত হচ্ছিল।

নৌবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি নিয়মিত তিন ঘণ্টার নজরদারি শেষে ফেরার পথে হঠাৎ বিপদ সংকেত পাঠাতে শুরু করে। এরপর সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

প্রাথমিক তথ্য বলছে, ড্রোনটি প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল। সেখান থেকে এটি হঠাৎ অনেক নিচে নেমে যায় এবং পরে আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ড্রোনটি শত্রুপক্ষের হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।

তবে ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মাত্র দুই দিন পর, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।