ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ শেষ হচ্ছে অপেক্ষা, বৃহস্পতিবার প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ চিকিৎসা শিক্ষার বিকাশে আট দশক ধরে অবদান রেখে চলেছে ঢামেক : প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর জার্সি কোনোদিনই পেতেন না মেসি, কী ঘটেছিল তখন? ভূমি দখল ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত আলী আফজাল রোনালদোর বিদায়ের মধ্যেই মেসির স্ত্রীকে জর্জিনার উপহার সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ পদে নিয়োগ নিয়ে সুখবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যা বললেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মণ্ডল সংবাদ প্রকাশের পর কালুখালীর অসহায় রাসেল মণ্ডলের পাশে উপজেলা প্রশাসন গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের

দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়ককে হাইওয়ে করার দাবি হাসনাত আবদুল্লাহর

কুমিল্লার দেবিদ্বার থেকে চান্দিনা পর্যন্ত সড়কটিকে প্রশস্ত করে হাইওয়েতে রূপান্তরের দাবি জানিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তার মতে, এই সড়কটি প্রশস্ত করা হলে ঢাকা থেকে সিলেটের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার কমে আসবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি ৭১) নোটিশের ওপর আলোচনাকালে তিনি এই দাবি জানান।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘দেবিদ্বারের ১ লাখ ৭২ হাজার মানুষ আস্থা রেখে ভোট দিয়ে আমাকে এই সংসদে পাঠিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আমি কথা বলছি। দেবিদ্বার থেকে চান্দিনা পর্যন্ত একটি রাস্তা আছে, যা দিয়ে প্রায় ২ লাখ মানুষ যাতায়াত করেন। অথচ জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি মাত্র ১২ ফুট প্রশস্ত। ফলে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা একসঙ্গে পার হতে পারে না।’

সংসদ সদস্য আরও বলেন, ওই এলাকার ১১টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে এই রাস্তাটি গিয়েছে। রাস্তাটি প্রশস্ত করা সম্ভব হলে ওই ইউনিয়নগুলোতে শিল্পকারখানা ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, যেহেতু এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের সঙ্গে যুক্ত একটি রাস্তা, তাই এটি প্রশস্ত হলে ঢাকা থেকে সিলেটের যাতায়াত দূরত্ব ৪০ কিলোমিটারের মতো কমে আসবে।

সার্বিক দিক বিবেচনায় নিয়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও যাতায়াতের সময় সাশ্রয় করতে দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়কটি হাইওয়ে করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

বক্তব্যের একপর্যায়ে স্পিকারের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘স্পিকার, আপনার যে অনুভূতি হচ্ছে, আমারও একই ধরনের অনুভূতি। কারণ নিয়মের বেড়াজালে আপনাকে কখনো কখনো আটকে দেওয়া হয়, আবার আমাকেও কখনো কখনো আটকে দেওয়া হয়। আসলে নিয়ম হচ্ছে অলওয়েজ রোলার; যারা তাদের অনুসারী, নিয়মটা সেভাবেই চলে। আবার যখন বিরুদ্ধে যায়, তখন এটাকে বলা হয় কাস্টম। আমাদের যেন কোনো সাংবিধানিক মারপ্যাঁচের মধ্যে রাখা না হয়।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ

দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়ককে হাইওয়ে করার দাবি হাসনাত আবদুল্লাহর

আপডেট সময় ০৭:০২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লার দেবিদ্বার থেকে চান্দিনা পর্যন্ত সড়কটিকে প্রশস্ত করে হাইওয়েতে রূপান্তরের দাবি জানিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তার মতে, এই সড়কটি প্রশস্ত করা হলে ঢাকা থেকে সিলেটের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার কমে আসবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি ৭১) নোটিশের ওপর আলোচনাকালে তিনি এই দাবি জানান।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘দেবিদ্বারের ১ লাখ ৭২ হাজার মানুষ আস্থা রেখে ভোট দিয়ে আমাকে এই সংসদে পাঠিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আমি কথা বলছি। দেবিদ্বার থেকে চান্দিনা পর্যন্ত একটি রাস্তা আছে, যা দিয়ে প্রায় ২ লাখ মানুষ যাতায়াত করেন। অথচ জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি মাত্র ১২ ফুট প্রশস্ত। ফলে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা একসঙ্গে পার হতে পারে না।’

সংসদ সদস্য আরও বলেন, ওই এলাকার ১১টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে এই রাস্তাটি গিয়েছে। রাস্তাটি প্রশস্ত করা সম্ভব হলে ওই ইউনিয়নগুলোতে শিল্পকারখানা ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, যেহেতু এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের সঙ্গে যুক্ত একটি রাস্তা, তাই এটি প্রশস্ত হলে ঢাকা থেকে সিলেটের যাতায়াত দূরত্ব ৪০ কিলোমিটারের মতো কমে আসবে।

সার্বিক দিক বিবেচনায় নিয়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও যাতায়াতের সময় সাশ্রয় করতে দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়কটি হাইওয়ে করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

বক্তব্যের একপর্যায়ে স্পিকারের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘স্পিকার, আপনার যে অনুভূতি হচ্ছে, আমারও একই ধরনের অনুভূতি। কারণ নিয়মের বেড়াজালে আপনাকে কখনো কখনো আটকে দেওয়া হয়, আবার আমাকেও কখনো কখনো আটকে দেওয়া হয়। আসলে নিয়ম হচ্ছে অলওয়েজ রোলার; যারা তাদের অনুসারী, নিয়মটা সেভাবেই চলে। আবার যখন বিরুদ্ধে যায়, তখন এটাকে বলা হয় কাস্টম। আমাদের যেন কোনো সাংবিধানিক মারপ্যাঁচের মধ্যে রাখা না হয়।’