শুরু হয়েছে আনন্দের ঈদযাত্রা। পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে এরই মধ্যে গাজীপুর ছাড়ছে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই ছুটি ঘোষণা করায় কর্মজীবী মানুষ ছুটছেন আপন ঠিকানায়।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে জেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসের লম্বা লাইন দেখা গেছে। যানবাহনের তুলনায় যাত্রীর সংখ্যা অনেকটাই কম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে বিকেলে চাপ বাড়বে বলে জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উত্তরাঞ্চলের ২৬ জেলার প্রবেশপথ গাজীপুরের চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় যাত্রীদের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে শত শত বাস। চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের বাড়ইপাড়া, হাজীবাড়ী, চন্দ্রা টার্মিনালের দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশ, খাড়াজোড়া এলাকা থেকে যাত্রীরা বাসে উঠছেন। এদিকে অন্যান্য বছরে চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করার ব্যবস্থা থাকলেও এ বছর সব কাউন্টার বন্ধ করেছে প্রশাসন। এতে দরদাম করে বাসে উঠছেন যাত্রীরা।
গাজীপুর বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, কাউন্টার খোলা থাকলে টিকিটের সংকট হয়, অনেকেই টিকিট পায় না। যার ফলে বেশ ভালো ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। যে কারণে এ বছর কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়েছে। যাত্রীরা নিজে নিজে ভাড়া ঠিক করে বাসে উঠে যাবেন। এর ফলে একদিকে যেমন যাত্রীদের পরিবহনের অপেক্ষা থাকবে না। অন্যদিকে ভাড়া সিন্ডিকেট বন্ধ থাকবে।
এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ দেখা গেছে। যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে পরিবহনের চাপও দেখা গেছে মহাসড়কে। সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কয়েক হাজার যাত্রী চন্দ্রা বাস টার্মিনাল ছেড়েছে বলে জানা গেছে।
গাজীপুর রিজিয়নের নাওজোড় হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাউগাতুল আলম বলেন, এখনো শিল্পকারখানাগুলো পুরোপুরি ছুটি হয়নি। ঈদযাত্রা স্বস্তির করতে কারখানাগুলো ধাপে ধাপে ছুটি হচ্ছে। আজ সকাল থেকে যাত্রীর চাপ কম। তবে বিকেলে চাপ বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, যানবাহনের যত্রতত্র পার্কিং, যানজট সৃষ্টি বন্ধে আমাদের পুলিশ সদস্যরা টার্মিনালের বিভিন্ন পয়েন্টে ডিউটি করছে। আশা করি এবার যাত্রীরা আনন্দের পাশাপাশি নিরাপদে গন্তব্যে যাবে।
গাজীপুর প্রতিনিধি 


















