সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে সাবেক উপপরিচালক মাহবুবুর রশিদ, পরিচালক হাবিবউল্লাহর বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ ফাইল আটকে ঘুষ দাবি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী শরীফুল ঢাকা গণপূর্ত সার্কেলে বদরুলের আধিপত্য, কমিশন বাণিজ্য ও ক্ষমতার দাপটে বিপর্যস্ত সাধারণ প্রকৌশলীরা পরিচালক হাবিবুল্লাহ, সহিদুল আমিন ও ইকবাল হারুনের নেতৃত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ লীগপন্থী ঠিকাদারদের অবৈধভাবে কাজ পাইয়ে দিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত পরিচালক আব্দুর রহিম বদলি-নিয়োগ বাণিজ্য থেকে বনভূমি দখল: বন কর্মকর্তা হোসাইন নিশাতের ‘শত কোটির দুর্নীতি সাম্রাজ্য’ চাঁদা না পেয়ে অ’ন্তঃসত্ত্বা নারীকে মা’রধরের অভিযোগ, বিএনপি নেতা দোলনের বি’রুদ্ধে মা’মলা সরকারি জমিতে গড়ে উঠল বহুতল ভবন ‘সানভিউ বিধি ভেঙে আরএমও পদায়ন, ‘এম উদ্দিন’ ছদ্মনামে টেস্ট সিন্ডিকেটের অভিযোগ ইডকলে এনামুলের বিরুদ্ধে লুটপাটের রাজত্বের অভিযোগ

ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

সদ্য বিদায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে আগের মাস নভেম্বরের তুলনায় মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। যা নভেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। 

তবে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ২০২২ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ০৫ শতাংশ। যা ২০২২ সালের ডিসেম্বরে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, খাদ্য খাতে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। যা নভেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে খাদ্য বহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। যা গত নভেম্বর মাসে ছিল ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি হয়েছে। ডিসেম্বরে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ। আর শহরে হয়েছে ৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ। যেসব খাদ্যপণ্য গ্রামে উৎপাদন হয় তার দাম গ্রামেই বেশি, শহরে কম বলে জানিয়েছে বিবিএস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ডিসেম্বর মাসে বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ০৩ শতাংশ। যা আগের দুই মাস অক্টোবর ও নভেম্বরের চেয়ে বেশি। অক্টোবরে মজুরি সূচক ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং নভেম্বর মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

বিবিএস প্রতি মাসে কৃষি শ্রমিক, পরিবহন কর্মী, বিড়ি শ্রমিক, জেলে, দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিকসহ ৪৪ ধরনের শ্রমিকের মজুরির তথ্য সংগ্রহ করে মজুরি হার সূচক তৈরি করে। এর মধ্যে শিল্প খাতের ২২ ধরনের এবং কৃষি ও সেবা খাতের প্রতিটিতে ১১ ধরনের পেশা অন্তর্ভুক্ত। এসব পেশাজীবীর মজুরি এবং দক্ষতা কম এবং দৈনিক ভিত্তিতে তারা মজুরি পান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে সাবেক উপপরিচালক মাহবুবুর রশিদ, পরিচালক হাবিবউল্লাহর বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ

ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

আপডেট সময় ০১:২০:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৩

সদ্য বিদায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে আগের মাস নভেম্বরের তুলনায় মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। যা নভেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। 

তবে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ২০২২ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ০৫ শতাংশ। যা ২০২২ সালের ডিসেম্বরে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, খাদ্য খাতে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। যা নভেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে খাদ্য বহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। যা গত নভেম্বর মাসে ছিল ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি হয়েছে। ডিসেম্বরে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ। আর শহরে হয়েছে ৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ। যেসব খাদ্যপণ্য গ্রামে উৎপাদন হয় তার দাম গ্রামেই বেশি, শহরে কম বলে জানিয়েছে বিবিএস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ডিসেম্বর মাসে বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ০৩ শতাংশ। যা আগের দুই মাস অক্টোবর ও নভেম্বরের চেয়ে বেশি। অক্টোবরে মজুরি সূচক ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং নভেম্বর মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

বিবিএস প্রতি মাসে কৃষি শ্রমিক, পরিবহন কর্মী, বিড়ি শ্রমিক, জেলে, দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিকসহ ৪৪ ধরনের শ্রমিকের মজুরির তথ্য সংগ্রহ করে মজুরি হার সূচক তৈরি করে। এর মধ্যে শিল্প খাতের ২২ ধরনের এবং কৃষি ও সেবা খাতের প্রতিটিতে ১১ ধরনের পেশা অন্তর্ভুক্ত। এসব পেশাজীবীর মজুরি এবং দক্ষতা কম এবং দৈনিক ভিত্তিতে তারা মজুরি পান।