সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

আমিরাত-কুয়েত-ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে ইরান

ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের নৌবাহিনী। আঞ্চলিক যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়ায় শনিবার ইরানের সেনাবাহিনী এই হামলার দাবি করেছে।

ইরানের সেনাবাহিনীর বিবৃতির বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা বলেছে, ‌‌‘‘মার্কিন ঘাঁটি এবং অধিকৃত ভূখণ্ডগুলোতে (ইসরায়েল) বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানি নৌবাহিনী।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শনিবারের এই হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-মিনহাদ ঘাঁটি, কুয়েতের একটি ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের একটি কৌশলগত স্থাপনাকে নিশানা করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হামলায় মার্কিন সন্ত্রাসীদের আকাশযুদ্ধ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র, আর্লি ওয়ার্নিং রাডার এবং ফায়ার কন্ট্রোল রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকেই ইসরায়েল এবং ওই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান।

• হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘অপেক্ষায়’ আইআরজিসি
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ পারাপারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পাহারার অপেক্ষায় রয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আঞ্চলিক যুদ্ধের কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে বর্তমানে জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় শনিবার আইআরজিসি মার্কিন বাহিনীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই জলপথে মার্কিন বাহিনীকে ধ্বংস করে দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে আইআরজিসি।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ঘোষণা দেন, যথাযথ সময়েই নৌবাহিনী এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে পাহারা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মার্কিন মন্ত্রীর এই ঘোষণার পর ইরানের বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, ‘‘আমরা তাদের উপস্থিতির অপেক্ষায় আছি।’’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা পরামর্শ দিচ্ছি, কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মার্কিনিরা যেন ১৯৮৭ সালে তাদের সুপারট্যাঙ্কার ‘ব্রিজেটনে’ লাগা আগুন এবং সম্প্রতি লক্ষ্যবস্তু হওয়া তেলবাহী জাহাজগুলোর কথা মনে রাখে।’’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

আমিরাত-কুয়েত-ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে ইরান

আপডেট সময় ০৬:৫০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের নৌবাহিনী। আঞ্চলিক যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়ায় শনিবার ইরানের সেনাবাহিনী এই হামলার দাবি করেছে।

ইরানের সেনাবাহিনীর বিবৃতির বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা বলেছে, ‌‌‘‘মার্কিন ঘাঁটি এবং অধিকৃত ভূখণ্ডগুলোতে (ইসরায়েল) বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানি নৌবাহিনী।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শনিবারের এই হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-মিনহাদ ঘাঁটি, কুয়েতের একটি ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের একটি কৌশলগত স্থাপনাকে নিশানা করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হামলায় মার্কিন সন্ত্রাসীদের আকাশযুদ্ধ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র, আর্লি ওয়ার্নিং রাডার এবং ফায়ার কন্ট্রোল রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকেই ইসরায়েল এবং ওই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান।

• হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘অপেক্ষায়’ আইআরজিসি
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ পারাপারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পাহারার অপেক্ষায় রয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আঞ্চলিক যুদ্ধের কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে বর্তমানে জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় শনিবার আইআরজিসি মার্কিন বাহিনীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই জলপথে মার্কিন বাহিনীকে ধ্বংস করে দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে আইআরজিসি।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ঘোষণা দেন, যথাযথ সময়েই নৌবাহিনী এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে পাহারা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মার্কিন মন্ত্রীর এই ঘোষণার পর ইরানের বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, ‘‘আমরা তাদের উপস্থিতির অপেক্ষায় আছি।’’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা পরামর্শ দিচ্ছি, কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মার্কিনিরা যেন ১৯৮৭ সালে তাদের সুপারট্যাঙ্কার ‘ব্রিজেটনে’ লাগা আগুন এবং সম্প্রতি লক্ষ্যবস্তু হওয়া তেলবাহী জাহাজগুলোর কথা মনে রাখে।’’