ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

ফেরার উত্তর জানা নেই রাকিবের

সদ্য সমাপ্ত বছরের শেষ দুই মাস দাবা অঙ্গনে খুব ব্যস্ততা ছিল। প্রিমিয়ার লিগ দাবা হয়েছে। সেটা শেষ হতে না হতেই শুরু হয় জাতীয় দাবা। দাবার দুই বড় প্রতিযোগিতায় ছিলেন না দেশের অন্যতম গ্র্যান্ডমাস্টার আব্দুল্লাহ আল রাকিব।

আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে নতুন বছর। এই বছরে দাবা বোর্ডে ফেরার ইচ্ছে থাকলেও কোন সময় আবার দাবা বোর্ডে বসবেন সেটা নির্দিষ্ট করে বলেননি দেশের চতুর্থ গ্র্যান্ডমাস্টার,‘অবশ্যই দাবা বোর্ডে ফিরতে চাই। কখন ফিরতে পারব সেটা বলতে পারছি না।’

নারায়ণগঞ্জে বাসায় থাকলেও পত্র-পত্রিকায় দাবার খবর পড়েন। তরুণ দাবাড়ুদের পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে এই গ্র্যান্ডমাস্টারের, ‘মনন বেশ দারুণ করেছে। নতুন দাবাড়ুরা উঠে আসুক সেটাই কামনা।’ এবার জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এনামুল হোসেন রাজীব। রাকিবের পরে গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়া রাজীব এ নিয়ে ছয় বার জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিয়াজ ও রিফাতের সমান শিরোপার অংশীদার হয়েছেন। গত ছয় বছরের মধ্যে চারবারই রাজীব চ্যাম্পিয়ন। সেখানে রাকিবের জাতীয় শিরোপা মাত্র দু’টি। সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়া রাজীব তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন,‘এটা তুলনা করার কিছু নাই। একেক জন একেক রকম ফলে তার পারফরম্যান্স ও ফলাফল একেক রকম।’

দাবা ধ্যানজ্ঞান থাকা রাকিবের ছেদ শুরু হয় করোনা সময় থেকে। করোনায় অন্য দাবাড়ুরা অনলাইনে প্রতিযোগিতা খেলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। রাকিব সেটাতে স্বাচ্ছন্দ্য ছিলেন না। ফলে অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট মিস করেছেন। করোনা পরবর্তী সময় কাটিয়ে দাবা সাধারণ বোর্ডে ফিরলেও তখন আবার প্রাণপ্রিয় মাকে হারান এই গ্র্যান্ডমাস্টার। যার অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতাতেই গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছিলেন রাকিব। মাতৃবিয়োগের শোকেও দাবা থেকে ছিলেন দূরে। গত তিন বছরে হাতে গোণা কয়েকটি টুর্নামেন্ট খেলেছেন অনিয়মিতভাবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা

ফেরার উত্তর জানা নেই রাকিবের

আপডেট সময় ০৬:৪৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৩

সদ্য সমাপ্ত বছরের শেষ দুই মাস দাবা অঙ্গনে খুব ব্যস্ততা ছিল। প্রিমিয়ার লিগ দাবা হয়েছে। সেটা শেষ হতে না হতেই শুরু হয় জাতীয় দাবা। দাবার দুই বড় প্রতিযোগিতায় ছিলেন না দেশের অন্যতম গ্র্যান্ডমাস্টার আব্দুল্লাহ আল রাকিব।

আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে নতুন বছর। এই বছরে দাবা বোর্ডে ফেরার ইচ্ছে থাকলেও কোন সময় আবার দাবা বোর্ডে বসবেন সেটা নির্দিষ্ট করে বলেননি দেশের চতুর্থ গ্র্যান্ডমাস্টার,‘অবশ্যই দাবা বোর্ডে ফিরতে চাই। কখন ফিরতে পারব সেটা বলতে পারছি না।’

নারায়ণগঞ্জে বাসায় থাকলেও পত্র-পত্রিকায় দাবার খবর পড়েন। তরুণ দাবাড়ুদের পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে এই গ্র্যান্ডমাস্টারের, ‘মনন বেশ দারুণ করেছে। নতুন দাবাড়ুরা উঠে আসুক সেটাই কামনা।’ এবার জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এনামুল হোসেন রাজীব। রাকিবের পরে গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়া রাজীব এ নিয়ে ছয় বার জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিয়াজ ও রিফাতের সমান শিরোপার অংশীদার হয়েছেন। গত ছয় বছরের মধ্যে চারবারই রাজীব চ্যাম্পিয়ন। সেখানে রাকিবের জাতীয় শিরোপা মাত্র দু’টি। সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়া রাজীব তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন,‘এটা তুলনা করার কিছু নাই। একেক জন একেক রকম ফলে তার পারফরম্যান্স ও ফলাফল একেক রকম।’

দাবা ধ্যানজ্ঞান থাকা রাকিবের ছেদ শুরু হয় করোনা সময় থেকে। করোনায় অন্য দাবাড়ুরা অনলাইনে প্রতিযোগিতা খেলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। রাকিব সেটাতে স্বাচ্ছন্দ্য ছিলেন না। ফলে অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট মিস করেছেন। করোনা পরবর্তী সময় কাটিয়ে দাবা সাধারণ বোর্ডে ফিরলেও তখন আবার প্রাণপ্রিয় মাকে হারান এই গ্র্যান্ডমাস্টার। যার অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতাতেই গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছিলেন রাকিব। মাতৃবিয়োগের শোকেও দাবা থেকে ছিলেন দূরে। গত তিন বছরে হাতে গোণা কয়েকটি টুর্নামেন্ট খেলেছেন অনিয়মিতভাবে।