ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ র‍্যাবের নাম বদলে আসছে এসআরবি অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদায় করতে হবে : শফিকুর রহমান আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের  কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ গ্রেপ্তার, উদ্ধার এক ভিকটিম ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় কালিহাতীতে ২১৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারি গ্রেপ্তার বড়লেখায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ফেরার উত্তর জানা নেই রাকিবের

সদ্য সমাপ্ত বছরের শেষ দুই মাস দাবা অঙ্গনে খুব ব্যস্ততা ছিল। প্রিমিয়ার লিগ দাবা হয়েছে। সেটা শেষ হতে না হতেই শুরু হয় জাতীয় দাবা। দাবার দুই বড় প্রতিযোগিতায় ছিলেন না দেশের অন্যতম গ্র্যান্ডমাস্টার আব্দুল্লাহ আল রাকিব।

আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে নতুন বছর। এই বছরে দাবা বোর্ডে ফেরার ইচ্ছে থাকলেও কোন সময় আবার দাবা বোর্ডে বসবেন সেটা নির্দিষ্ট করে বলেননি দেশের চতুর্থ গ্র্যান্ডমাস্টার,‘অবশ্যই দাবা বোর্ডে ফিরতে চাই। কখন ফিরতে পারব সেটা বলতে পারছি না।’

নারায়ণগঞ্জে বাসায় থাকলেও পত্র-পত্রিকায় দাবার খবর পড়েন। তরুণ দাবাড়ুদের পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে এই গ্র্যান্ডমাস্টারের, ‘মনন বেশ দারুণ করেছে। নতুন দাবাড়ুরা উঠে আসুক সেটাই কামনা।’ এবার জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এনামুল হোসেন রাজীব। রাকিবের পরে গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়া রাজীব এ নিয়ে ছয় বার জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিয়াজ ও রিফাতের সমান শিরোপার অংশীদার হয়েছেন। গত ছয় বছরের মধ্যে চারবারই রাজীব চ্যাম্পিয়ন। সেখানে রাকিবের জাতীয় শিরোপা মাত্র দু’টি। সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়া রাজীব তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন,‘এটা তুলনা করার কিছু নাই। একেক জন একেক রকম ফলে তার পারফরম্যান্স ও ফলাফল একেক রকম।’

দাবা ধ্যানজ্ঞান থাকা রাকিবের ছেদ শুরু হয় করোনা সময় থেকে। করোনায় অন্য দাবাড়ুরা অনলাইনে প্রতিযোগিতা খেলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। রাকিব সেটাতে স্বাচ্ছন্দ্য ছিলেন না। ফলে অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট মিস করেছেন। করোনা পরবর্তী সময় কাটিয়ে দাবা সাধারণ বোর্ডে ফিরলেও তখন আবার প্রাণপ্রিয় মাকে হারান এই গ্র্যান্ডমাস্টার। যার অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতাতেই গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছিলেন রাকিব। মাতৃবিয়োগের শোকেও দাবা থেকে ছিলেন দূরে। গত তিন বছরে হাতে গোণা কয়েকটি টুর্নামেন্ট খেলেছেন অনিয়মিতভাবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

ফেরার উত্তর জানা নেই রাকিবের

আপডেট সময় ০৬:৪৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৩

সদ্য সমাপ্ত বছরের শেষ দুই মাস দাবা অঙ্গনে খুব ব্যস্ততা ছিল। প্রিমিয়ার লিগ দাবা হয়েছে। সেটা শেষ হতে না হতেই শুরু হয় জাতীয় দাবা। দাবার দুই বড় প্রতিযোগিতায় ছিলেন না দেশের অন্যতম গ্র্যান্ডমাস্টার আব্দুল্লাহ আল রাকিব।

আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে নতুন বছর। এই বছরে দাবা বোর্ডে ফেরার ইচ্ছে থাকলেও কোন সময় আবার দাবা বোর্ডে বসবেন সেটা নির্দিষ্ট করে বলেননি দেশের চতুর্থ গ্র্যান্ডমাস্টার,‘অবশ্যই দাবা বোর্ডে ফিরতে চাই। কখন ফিরতে পারব সেটা বলতে পারছি না।’

নারায়ণগঞ্জে বাসায় থাকলেও পত্র-পত্রিকায় দাবার খবর পড়েন। তরুণ দাবাড়ুদের পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে এই গ্র্যান্ডমাস্টারের, ‘মনন বেশ দারুণ করেছে। নতুন দাবাড়ুরা উঠে আসুক সেটাই কামনা।’ এবার জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এনামুল হোসেন রাজীব। রাকিবের পরে গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়া রাজীব এ নিয়ে ছয় বার জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিয়াজ ও রিফাতের সমান শিরোপার অংশীদার হয়েছেন। গত ছয় বছরের মধ্যে চারবারই রাজীব চ্যাম্পিয়ন। সেখানে রাকিবের জাতীয় শিরোপা মাত্র দু’টি। সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়া রাজীব তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন,‘এটা তুলনা করার কিছু নাই। একেক জন একেক রকম ফলে তার পারফরম্যান্স ও ফলাফল একেক রকম।’

দাবা ধ্যানজ্ঞান থাকা রাকিবের ছেদ শুরু হয় করোনা সময় থেকে। করোনায় অন্য দাবাড়ুরা অনলাইনে প্রতিযোগিতা খেলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। রাকিব সেটাতে স্বাচ্ছন্দ্য ছিলেন না। ফলে অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট মিস করেছেন। করোনা পরবর্তী সময় কাটিয়ে দাবা সাধারণ বোর্ডে ফিরলেও তখন আবার প্রাণপ্রিয় মাকে হারান এই গ্র্যান্ডমাস্টার। যার অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতাতেই গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছিলেন রাকিব। মাতৃবিয়োগের শোকেও দাবা থেকে ছিলেন দূরে। গত তিন বছরে হাতে গোণা কয়েকটি টুর্নামেন্ট খেলেছেন অনিয়মিতভাবে।