সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উদ্বেগ জানা গেল ফাইনাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ও সূচি ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর প্রধানমন্ত্রীর সামনেই সংসদে কিল-ঘুষি, থমকে গেল অধিবেশন চীন-মায়ানমার করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে বিনিয়োগ বাড়বে : বাণিজ্যমন্ত্রী সাবেক এমডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকের চিঠিকেও পাত্তা দেননি আইএফআইসি চেয়ারম্যান মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তবর্তী ডিমাই বাজারে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুরে অবৈধ মাটি কাটার হিড়িক, টনক নড়ছে না প্রশাসনের ওসমান হাদিকে নিয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি গিলাতলা-কালীগঞ্জ সড়ক সংস্কার কাজ পরিদর্শনে কর্তৃপক্ষ, কাজের মান সন্তোষজনক

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি–অনিয়মের একাধিক অভিযোগ

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি–অনিয়মের একাধিক অভিযোগ কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অনুমতি ব্যাতিরেকে তিনি প্রায়শ:ই কর্মস্থলে ত্যাগ করে ঢাকা শহরে ঘুরে বেড়ান। তিনি অতীতে এসব অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থার মুখোমুখি হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে কর্মরত রতন লাল মাহুত ডেপুটি রেঞ্জার এর বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে বিভাগীয় কার্যালয়ে ক্লোজ করা হয়। একই সঙ্গে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয় বলে জানা গেছে।

এর আগেও রংপুর বন বিভাগে কর্মরত অবস্থায় তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠে। সে সময় বিভাগীয় মামলায় তাকে সাময়িক বহিষ্কারসহ শাস্তির মুখোমুখি হন।

সাম্প্রতিক সময়ে আবারও তার অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, পদোন্নতি মামলা বানিজ্য, চাদাবাজি ও আওয়ামী যোগসাজশে মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতসহ নিষিদ্ধ ইসকন সদস্য হিসেবে বনজ সম্পদ উজাড়ের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ তাদেরকে চাঁদা প্রদান করেও রয়ে গেছেন ধরা ছোয়ার বাইরে।

এ বিষয়ে রতন লাল মাহুতের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, বন বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্থায় বারবার এ ধরনের অভিযোগ ওঠা উদ্বেগজনক এবং বিষয়গুলো দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সচেতন মহলের দাবি, প্রকাশিত অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে বন বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উদ্বেগ

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি–অনিয়মের একাধিক অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:৩৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি–অনিয়মের একাধিক অভিযোগ কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অনুমতি ব্যাতিরেকে তিনি প্রায়শ:ই কর্মস্থলে ত্যাগ করে ঢাকা শহরে ঘুরে বেড়ান। তিনি অতীতে এসব অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থার মুখোমুখি হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে কর্মরত রতন লাল মাহুত ডেপুটি রেঞ্জার এর বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে বিভাগীয় কার্যালয়ে ক্লোজ করা হয়। একই সঙ্গে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয় বলে জানা গেছে।

এর আগেও রংপুর বন বিভাগে কর্মরত অবস্থায় তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠে। সে সময় বিভাগীয় মামলায় তাকে সাময়িক বহিষ্কারসহ শাস্তির মুখোমুখি হন।

সাম্প্রতিক সময়ে আবারও তার অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, পদোন্নতি মামলা বানিজ্য, চাদাবাজি ও আওয়ামী যোগসাজশে মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতসহ নিষিদ্ধ ইসকন সদস্য হিসেবে বনজ সম্পদ উজাড়ের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ তাদেরকে চাঁদা প্রদান করেও রয়ে গেছেন ধরা ছোয়ার বাইরে।

এ বিষয়ে রতন লাল মাহুতের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, বন বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্থায় বারবার এ ধরনের অভিযোগ ওঠা উদ্বেগজনক এবং বিষয়গুলো দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সচেতন মহলের দাবি, প্রকাশিত অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে বন বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।