ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাকে এখন যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। মাদুরো আটক হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে আর কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না বলেও আশ্বস্ত করেছে ওয়াশিংটন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) মার্কিন সিনেটর মাইক লি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনালাপের পর বিবিসিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিনেটর লি বলেন, ‘‘মাদুরো বর্তমানে মার্কিন হেফাজতে রয়েছেন। তাই ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে আর কোনো হামলার প্রয়োজন নেই।’’ তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যুদ্ধ ঘোষণা বা কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এই সামরিক শক্তি প্রয়োগ সাংবিধানিকভাবে কতটা যৌক্তিক, তা জানার অপেক্ষায় আছেন তিনি।
এর আগে শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১টা ৫০ মিনিটে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও বিমান হামলার ঘটনা ঘটে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি এই হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে সিবিএস নিউজ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের মতে, হামলার তীব্রতায় কারাকাসের জানালার কাঁচ পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। আকাশে যুদ্ধবিমানের গর্জন এবং কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। হামলার জেরে শহরের দক্ষিণাংশে একটি বড় সামরিক ঘাঁটির আশপাশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ভেনেজুয়েলা সরকার নিশ্চিত করেছে যে, মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়াইরা রাজ্যেও হামলা চালানো হয়েছে। হামলার মুখে দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























