ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে হাসনাত-নাসীরুদ্দীনের ধাক্কাধাক্কি সংবাদেই মিলল বিমলার আশ্রয়ের আশা, সহায়তা নিয়ে হাজির প্রশাসন কালুখালীতে ট্রাক-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সহ ৬ জন আহত ব্রাহ্মণপাড়ায় নিখোঁজের পরদিন ডোবায় মিলল সাবেক মেম্বারের ছেলের লাশ, হত্যার অভিযোগ হোসেনপুরে ৩৬ জুলাই উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত  কোটালীপাড়ায় কৃষক কার্ড হালনাগাদ কাযক্রম পরিদর্শনে কৃষি বিভাগের উপপরিচালক রামগতিতে মাটির নিচে মিলল ৩টি মর্টারশেল, পুলিশি হেফাজতে পাঁচবিবির ইউএনও মহিলা এমপি আন্নাকে উপহার দিলেন গাছের চারা বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় সাবেক বনমন্ত্রী ও তাঁর ছেলে

দাউদকান্দি ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত কাজল মিয়া (২১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত কাজল মিয়া দাউদকান্দি উপজেলার দরাজখোলা গ্রামের রমুজ উদ্দিন প্রধান বাড়ির বাসিন্দা বশির উদ্দিনের ছেলে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২৭ নভেম্বর বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধের জেরে দরাজখোলা গ্রামের ভূইয়া বাড়ি ও চৌধুরী বাড়ির লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পাশের গ্রাম থেকে রঙের কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে সংঘর্ষ থামাতে গেলে চৌধুরী বাড়ির লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাজল মিয়াসহ পাঁচ থেকে ছয়জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

টানা ৩৪ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কাজল মিয়া।
তার মৃত্যুতে পুরো গ্রামজুড়ে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। নিহতের বাবা বশির উদ্দিন, চাচা নজরুল মেম্বারসহ স্বজন ও এলাকাবাসী ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিহতের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন দাউদকান্দি মডেল থানার গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর আলম।

এ ছাড়া মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দুলাল আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও বক্তব্য দেন।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন, ঘটনাটি আমরা শুরু থেকেই গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি। আহত অবস্থায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। কাজল মিয়ার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দোষীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দাউদকান্দি ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:৫০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত কাজল মিয়া (২১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত কাজল মিয়া দাউদকান্দি উপজেলার দরাজখোলা গ্রামের রমুজ উদ্দিন প্রধান বাড়ির বাসিন্দা বশির উদ্দিনের ছেলে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২৭ নভেম্বর বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধের জেরে দরাজখোলা গ্রামের ভূইয়া বাড়ি ও চৌধুরী বাড়ির লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পাশের গ্রাম থেকে রঙের কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে সংঘর্ষ থামাতে গেলে চৌধুরী বাড়ির লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাজল মিয়াসহ পাঁচ থেকে ছয়জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

টানা ৩৪ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কাজল মিয়া।
তার মৃত্যুতে পুরো গ্রামজুড়ে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। নিহতের বাবা বশির উদ্দিন, চাচা নজরুল মেম্বারসহ স্বজন ও এলাকাবাসী ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিহতের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন দাউদকান্দি মডেল থানার গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর আলম।

এ ছাড়া মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দুলাল আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও বক্তব্য দেন।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন, ঘটনাটি আমরা শুরু থেকেই গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি। আহত অবস্থায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। কাজল মিয়ার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দোষীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।