ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে হাসনাত-নাসীরুদ্দীনের ধাক্কাধাক্কি সংবাদেই মিলল বিমলার আশ্রয়ের আশা, সহায়তা নিয়ে হাজির প্রশাসন কালুখালীতে ট্রাক-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সহ ৬ জন আহত ব্রাহ্মণপাড়ায় নিখোঁজের পরদিন ডোবায় মিলল সাবেক মেম্বারের ছেলের লাশ, হত্যার অভিযোগ হোসেনপুরে ৩৬ জুলাই উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত  কোটালীপাড়ায় কৃষক কার্ড হালনাগাদ কাযক্রম পরিদর্শনে কৃষি বিভাগের উপপরিচালক রামগতিতে মাটির নিচে মিলল ৩টি মর্টারশেল, পুলিশি হেফাজতে পাঁচবিবির ইউএনও মহিলা এমপি আন্নাকে উপহার দিলেন গাছের চারা বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় সাবেক বনমন্ত্রী ও তাঁর ছেলে

এনসিপির হাসনাতের বার্ষিক আয় সাড়ে ১২ লাখ টাকা, নেই কোনো মামলা

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহর বার্ষিক আয় ১২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৩৯ টাকা। তাঁর নগদ আছে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তাঁর নামে কোনো মামলা নেই এবং স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ নেই। একই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর চেয়ে সম্পদে এগিয়ে আছেন তাঁর স্ত্রী। এ প্রার্থীর নামে বিগত সময়ে মামলা হয়েছে প্রায় দুই ডজন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দেওয়া হলফনামা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

হলফনামা অনুযায়ী পেশায় ব্যবসায়ী হাসনাত আবদুল্লাহর জন্ম ১৯৯৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন ৩১ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৯ টাকার। তবে ব্যাংকে তাঁর কোনো ঋণ নেই। হাসনাত এ বছর আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৫৩১ টাকা। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে তাঁর নামে কৃষি-অকৃষি জমি, প্লট-ফ্ল্যাট ও বাড়ি-গাড়ি নেই। তবে স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য গহনা, আসবাব, ইলেকট্রনিক সামগ্রীর বর্তমান বাজারমূল্য দেখানো হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। তাঁর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১৩ লাখ টাকা। পেশায় গৃহিণী তাঁর স্ত্রী সাবরিনা জাহান নুসরাতের নামে কোনো সম্পদ কিংবা অর্থ নেই।

বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এ আসনে ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত চারবার এমপি হন। তাঁর বিরুদ্ধে ২০০৭ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মামলা হয়েছে ২৩টি। এর মধ্যে ৬টিতে খালাস পেয়েছেন। অন্য মামলাগুলো স্থগিত ও প্রত্যাহার হয়েছে। হলফনামা সূত্রে আরও জানা গেছে, পেশায় ব্যবসায়ী এ প্রার্থী বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার। তাঁর আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে কৃষি থেকে বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫০ টাকা। তাঁর স্ত্রী-সন্তানের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। প্রার্থীর শেয়ার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র আছে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪১ টাকার। একটি ফার্মের পরিচালক হিসেবে বছরে ভাতা পান ১২ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে প্রার্থীর নামে নগদ ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬০ টাকা ও স্ত্রী মাজেদা আহসান মুন্সীর নামে দেখানো হয়েছে ২১ লাখ ৮৭ হাজার ৯৮৩ টাকা। এছাড়াও ব্যাংকে স্থায়ী আমানত, বন্ড, যানবাহন, স্বর্ণালংকার, ইলেকট্রনিক পণ্য, আসবাব, আগ্নেয়াস্ত্রসহ সকল অস্থাবর সম্পদের বর্তমান দাম দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং প্রার্থীর স্ত্রীর নামে দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে প্রার্থীর নামে আছে পৌনে ২ একর কৃষিজমি। স্ত্রীর নামে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট আছে ২ কোটি ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকার। চলতি অর্থবছরে আয়কর বিবরণীতে প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রীর নামে দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এনসিপির হাসনাতের বার্ষিক আয় সাড়ে ১২ লাখ টাকা, নেই কোনো মামলা

আপডেট সময় ০১:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহর বার্ষিক আয় ১২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৩৯ টাকা। তাঁর নগদ আছে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তাঁর নামে কোনো মামলা নেই এবং স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ নেই। একই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর চেয়ে সম্পদে এগিয়ে আছেন তাঁর স্ত্রী। এ প্রার্থীর নামে বিগত সময়ে মামলা হয়েছে প্রায় দুই ডজন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দেওয়া হলফনামা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

হলফনামা অনুযায়ী পেশায় ব্যবসায়ী হাসনাত আবদুল্লাহর জন্ম ১৯৯৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন ৩১ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৯ টাকার। তবে ব্যাংকে তাঁর কোনো ঋণ নেই। হাসনাত এ বছর আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৫৩১ টাকা। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে তাঁর নামে কৃষি-অকৃষি জমি, প্লট-ফ্ল্যাট ও বাড়ি-গাড়ি নেই। তবে স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য গহনা, আসবাব, ইলেকট্রনিক সামগ্রীর বর্তমান বাজারমূল্য দেখানো হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। তাঁর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১৩ লাখ টাকা। পেশায় গৃহিণী তাঁর স্ত্রী সাবরিনা জাহান নুসরাতের নামে কোনো সম্পদ কিংবা অর্থ নেই।

বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এ আসনে ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত চারবার এমপি হন। তাঁর বিরুদ্ধে ২০০৭ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মামলা হয়েছে ২৩টি। এর মধ্যে ৬টিতে খালাস পেয়েছেন। অন্য মামলাগুলো স্থগিত ও প্রত্যাহার হয়েছে। হলফনামা সূত্রে আরও জানা গেছে, পেশায় ব্যবসায়ী এ প্রার্থী বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার। তাঁর আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে কৃষি থেকে বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫০ টাকা। তাঁর স্ত্রী-সন্তানের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। প্রার্থীর শেয়ার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র আছে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪১ টাকার। একটি ফার্মের পরিচালক হিসেবে বছরে ভাতা পান ১২ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে প্রার্থীর নামে নগদ ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬০ টাকা ও স্ত্রী মাজেদা আহসান মুন্সীর নামে দেখানো হয়েছে ২১ লাখ ৮৭ হাজার ৯৮৩ টাকা। এছাড়াও ব্যাংকে স্থায়ী আমানত, বন্ড, যানবাহন, স্বর্ণালংকার, ইলেকট্রনিক পণ্য, আসবাব, আগ্নেয়াস্ত্রসহ সকল অস্থাবর সম্পদের বর্তমান দাম দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং প্রার্থীর স্ত্রীর নামে দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে প্রার্থীর নামে আছে পৌনে ২ একর কৃষিজমি। স্ত্রীর নামে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট আছে ২ কোটি ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকার। চলতি অর্থবছরে আয়কর বিবরণীতে প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রীর নামে দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।