ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

২১ জেলায় হাড়কাঁপানো শৈত্যপ্রবাহ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১১:৪২:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৮১ বার পড়া হয়েছে

টানা চার দিন ধরে ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় জবুথবু হয়ে পড়েছে দেশের বিস্তীর্ণ জনপদ। রাজধানীর আকাশে সূর্যের দেখা মেলায় কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও গ্রামবাংলার জনজীবন শীতে বিপর্যস্ত। এর মধ্যেই গতকাল বুধবার গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি শীত মৌসুমের এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বর্তমানে দেশের খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সব জেলাসহ মোট ২১টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ১৬টি জেলা ছাড়াও মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ চলছে। আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, এই শৈত্যপ্রবাহ আরও দু-একদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে কুয়াশার ঘনত্ব কমলে কোথাও কোথাও শীতের অনুভূতি কিছুটা কমতে পারে।

তাপমাত্রার পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বুধবার যশোরে ৭.৮, চুয়াডাঙ্গায় ৮, রাজশাহীতে ৮.৪, ভোলা ও খুলনায় ৮.৫, বরিশালে ৯.১ এবং সাতক্ষীরায় ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস সতর্ক করে জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে ঢাকায় কুয়াশা কম থাকলেও আগামী ৩ বা ৪ জানুয়ারি থেকে আবারও শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। ওই সময়ে ঘন কুয়াশার কারণে বিমান, নৌ ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে গোপালগঞ্জ ও উত্তরাঞ্চলের মানুষ। গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, মাত্র এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ১২.৮ থেকে কমে ৭.৫ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৭ শতাংশ থাকায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা ২০০ মিটারে নেমে আসায় দিনের বেলাতেও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা গেছে।

তীব্র ঠান্ডার কারণে কৃষকদের বোরো ধানের বীজতলা ও রোপণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে এখনো রোগীর চাপ না বাড়লেও শীত দীর্ঘস্থায়ী হলে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

২১ জেলায় হাড়কাঁপানো শৈত্যপ্রবাহ

আপডেট সময় ১১:৪২:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

টানা চার দিন ধরে ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় জবুথবু হয়ে পড়েছে দেশের বিস্তীর্ণ জনপদ। রাজধানীর আকাশে সূর্যের দেখা মেলায় কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও গ্রামবাংলার জনজীবন শীতে বিপর্যস্ত। এর মধ্যেই গতকাল বুধবার গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি শীত মৌসুমের এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বর্তমানে দেশের খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সব জেলাসহ মোট ২১টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ১৬টি জেলা ছাড়াও মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ চলছে। আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, এই শৈত্যপ্রবাহ আরও দু-একদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে কুয়াশার ঘনত্ব কমলে কোথাও কোথাও শীতের অনুভূতি কিছুটা কমতে পারে।

তাপমাত্রার পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বুধবার যশোরে ৭.৮, চুয়াডাঙ্গায় ৮, রাজশাহীতে ৮.৪, ভোলা ও খুলনায় ৮.৫, বরিশালে ৯.১ এবং সাতক্ষীরায় ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস সতর্ক করে জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে ঢাকায় কুয়াশা কম থাকলেও আগামী ৩ বা ৪ জানুয়ারি থেকে আবারও শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। ওই সময়ে ঘন কুয়াশার কারণে বিমান, নৌ ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে গোপালগঞ্জ ও উত্তরাঞ্চলের মানুষ। গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, মাত্র এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ১২.৮ থেকে কমে ৭.৫ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৭ শতাংশ থাকায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা ২০০ মিটারে নেমে আসায় দিনের বেলাতেও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা গেছে।

তীব্র ঠান্ডার কারণে কৃষকদের বোরো ধানের বীজতলা ও রোপণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে এখনো রোগীর চাপ না বাড়লেও শীত দীর্ঘস্থায়ী হলে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।