ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর ৭ কেজি সোনা নিয়ে ভারতে ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়লেন যুবক অপরিকল্পিত কেনাকাটায় অচল কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও করে ধরা খেলেন শফিকুল বিএনপি ব্যর্থ হলে দেশে কেউ বাস করতে পারবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্বাহী পরিচালকদের দায়িত্ব বাড়াল বিএসইসি মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়া যাবে না : ট্রাম্প শিবগঞ্জ সীমান্তে ২৬ লাখ টাকার ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নতুন কূপে থেকে দিনে মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

দেশের জ্বালানি সরবরাহ জোরদারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডে নতুন একটি গ্যাসকূপের খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) পরিচালিত এই কূপটির খনন উদ্বোধন করা হয় সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে ২৮ নম্বর কূপের খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে গ্যাসের সম্ভাবনা যাচাইয়ে প্রথম জরিপ পরিচালনা করা হয় ২০১২ সালে। পরে ২০২০ সালে ওই জরিপ প্রতিবেদনের আলোকে তিতাস গ্যাস ফিল্ডে তিনটি নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করে বিজিএফসিএল। একই প্রকল্পের আওতায় গাজীপুরের কামতা গ্যাস ফিল্ডেও একটি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিতাস ও কামতা গ্যাস ফিল্ডে মোট চারটি কূপ খননে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এসব কূপ থেকে উৎপাদন শুরু হলে প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদনে থাকা ২২টি কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপটির খনন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে একটি চিনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। খনন সম্পন্ন করতে সময় লাগবে আনুমানিক দুই মাস। কাজ শেষে কূপটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে গেলে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব বলেন, বিজিএফসিএল পরিচালিত গ্যাস ফিল্ডগুলোর উৎপাদন ইতোমধ্যে বেড়েছে। নতুন কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ৩১ নম্বর কূপ এবং বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের ১১ নম্বর গভীর কূপ খনন প্রকল্পও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেট্রোবাংলা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন, কোম্পানি সচিব মোজাহার আলী, তিতাস ও মেঘনা ফিল্ডে চারটি কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক এ কে এম জসিম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নতুন কূপে থেকে দিনে মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

আপডেট সময় ০৩:১১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের জ্বালানি সরবরাহ জোরদারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডে নতুন একটি গ্যাসকূপের খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) পরিচালিত এই কূপটির খনন উদ্বোধন করা হয় সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে ২৮ নম্বর কূপের খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে গ্যাসের সম্ভাবনা যাচাইয়ে প্রথম জরিপ পরিচালনা করা হয় ২০১২ সালে। পরে ২০২০ সালে ওই জরিপ প্রতিবেদনের আলোকে তিতাস গ্যাস ফিল্ডে তিনটি নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করে বিজিএফসিএল। একই প্রকল্পের আওতায় গাজীপুরের কামতা গ্যাস ফিল্ডেও একটি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিতাস ও কামতা গ্যাস ফিল্ডে মোট চারটি কূপ খননে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এসব কূপ থেকে উৎপাদন শুরু হলে প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদনে থাকা ২২টি কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপটির খনন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে একটি চিনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। খনন সম্পন্ন করতে সময় লাগবে আনুমানিক দুই মাস। কাজ শেষে কূপটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে গেলে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব বলেন, বিজিএফসিএল পরিচালিত গ্যাস ফিল্ডগুলোর উৎপাদন ইতোমধ্যে বেড়েছে। নতুন কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ৩১ নম্বর কূপ এবং বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের ১১ নম্বর গভীর কূপ খনন প্রকল্পও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেট্রোবাংলা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন, কোম্পানি সচিব মোজাহার আলী, তিতাস ও মেঘনা ফিল্ডে চারটি কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক এ কে এম জসিম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।