সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

বিএসসির আরপিওর অর্থ ব্যয়ে ১৪ বছর, সুদ আয় ২৩৪ কোটি

পুঁজিবাজার থেকে ২০১১ সালে রিপিট পাবলিক অফারের (আরপিও) মাধ্যমে প্রায় ৩১৪ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করেছিল রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। প্রায় ১৪ বছর পর গত অক্টোবরে আরপিও তহবিলের পুরো অর্থ ব্যয় করেছে সংস্থাটি। এ সময়ে আরপিও তহবিলের অর্থ ব্যাংকে আমানত হিসেবে রেখে ২৩৪ কোটি টাকারও বেশি সুদ আয় করেছে বিএসসি। সুদ বাবদ আয় হওয়া এ অর্থ জাহাজ পরিচালন ব্যয় মেটাতে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।

আরপিও তহবিল ব্যয়সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, এ বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএসসির ৩১৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার আরপিও তহবিলের মধ্যে ২৯ কোটি ২৬ লাখ ৫৬ হাজার ৭০ টাকা অব্যবহৃত ছিল। গত অক্টোবরে সংস্থাটি আরপিও তহবিলের পুরো অর্থ ব্যয় সম্পন্ন করেছে। এর মধ্যে ছয়টি জাহাজ ক্রয় প্রকল্পে ২৩৬ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার ২৩ টাকা, ভবন নির্মাণে ৫৯ কোটি ৩৫ লাখ ৯ হাজার ও আরপিও খরচ বাবদ ১৭ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৭ টাকা ব্যয় করেছে বিএসসি। আরপিওর অর্থ ব্যাংকে রেখে ২৩৪ কোটি ৫৩ লাখ ২১ হাজার ৫০ টাকা সুদ আয় করেছে সংস্থাটি। এক্ষেত্রে সুদহার ছিল ৬ থেকে ১০ শতাংশ।

কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নীতিমালা অনুসারে আরপিওর অর্থ মূলধনি খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে সুদ আয়ের অর্থ কোন খাতে ব্যয় করা হবে সে বিষয়ে নীতিমালায় কিছু বলা নেই। সুদ আয়ের অর্থ তদের জাহাজ পরিচালনার ব্যয় মেটানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। আসন্ন বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে বিএসসির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৬ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০৪ টাকা ৮৪ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে ২২ ডিসেম্বর এজিএম আহ্বান করেছে বিএসসি। এ-সংক্রান্ড রেকর্ড ডেট ছিল ৭ ডিসেম্বর।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত বৃহস্পতিবার বিএসসির শেয়ার সর্বশেষ ১০৭ টাকায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৮২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১২৭ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

বিএসসির আরপিওর অর্থ ব্যয়ে ১৪ বছর, সুদ আয় ২৩৪ কোটি

আপডেট সময় ১২:০৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

পুঁজিবাজার থেকে ২০১১ সালে রিপিট পাবলিক অফারের (আরপিও) মাধ্যমে প্রায় ৩১৪ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করেছিল রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। প্রায় ১৪ বছর পর গত অক্টোবরে আরপিও তহবিলের পুরো অর্থ ব্যয় করেছে সংস্থাটি। এ সময়ে আরপিও তহবিলের অর্থ ব্যাংকে আমানত হিসেবে রেখে ২৩৪ কোটি টাকারও বেশি সুদ আয় করেছে বিএসসি। সুদ বাবদ আয় হওয়া এ অর্থ জাহাজ পরিচালন ব্যয় মেটাতে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।

আরপিও তহবিল ব্যয়সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, এ বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএসসির ৩১৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার আরপিও তহবিলের মধ্যে ২৯ কোটি ২৬ লাখ ৫৬ হাজার ৭০ টাকা অব্যবহৃত ছিল। গত অক্টোবরে সংস্থাটি আরপিও তহবিলের পুরো অর্থ ব্যয় সম্পন্ন করেছে। এর মধ্যে ছয়টি জাহাজ ক্রয় প্রকল্পে ২৩৬ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার ২৩ টাকা, ভবন নির্মাণে ৫৯ কোটি ৩৫ লাখ ৯ হাজার ও আরপিও খরচ বাবদ ১৭ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৭ টাকা ব্যয় করেছে বিএসসি। আরপিওর অর্থ ব্যাংকে রেখে ২৩৪ কোটি ৫৩ লাখ ২১ হাজার ৫০ টাকা সুদ আয় করেছে সংস্থাটি। এক্ষেত্রে সুদহার ছিল ৬ থেকে ১০ শতাংশ।

কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নীতিমালা অনুসারে আরপিওর অর্থ মূলধনি খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে সুদ আয়ের অর্থ কোন খাতে ব্যয় করা হবে সে বিষয়ে নীতিমালায় কিছু বলা নেই। সুদ আয়ের অর্থ তদের জাহাজ পরিচালনার ব্যয় মেটানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। আসন্ন বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে বিএসসির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৬ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০৪ টাকা ৮৪ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে ২২ ডিসেম্বর এজিএম আহ্বান করেছে বিএসসি। এ-সংক্রান্ড রেকর্ড ডেট ছিল ৭ ডিসেম্বর।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত বৃহস্পতিবার বিএসসির শেয়ার সর্বশেষ ১০৭ টাকায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৮২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১২৭ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।