ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি ব্যর্থ হলে দেশে কেউ বাস করতে পারবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্বাহী পরিচালকদের দায়িত্ব বাড়াল বিএসইসি মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়া যাবে না : ট্রাম্প শিবগঞ্জ সীমান্তে ২৬ লাখ টাকার ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জব্দ ভোলাহাটে সাংবাদিক রনি রজবের পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ বান্দরবান কৃষক দলের শীর্ষ পদে ‘হাইব্রিড’ নেতা অহিদুর! দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কেরালায় ‘যমজ’ বিয়ের আয়োজন, বর-কনে-পুরোহিত সবাই যমজ সমাজকে আলোকিত করতে যুব সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল

হাসিনাকে ‘১০০ কোটি ঘুস’ ট্রান্সকমের সিইও সিমিনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবে ভারতে আর পালিয়ে যাওয়া শেখ স্বাধীনতার হাসিনাকে ‘১০০ কোটি টাকা ঘুস’ দেওয়ার অভিযোগের অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, অভিযোগটি অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদক গত ৫ নভেম্বর সংস্থার উপপরিচালক একেএম মাহবুবুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়। প্রয়াত লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান বর্তমানে ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান। তার বড় মেয়ে সিমিন রহমান গ্রুপের সিইও। ছোট মেয়ে শাযরেহ হকও ট্রান্সকম গ্রুপের একজন পরিচালক। এ বিষয়ে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, র অভিযোগ অনুসন্ধানের কাজ চলছে।
দুদক জানিয়েছে, সিমিনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কোনো ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা বা সম্পদ জব্দ করার প্রয়োজন হলে তা লিখিতভাবে অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ শাখাকে জানাতে বলা হয়। এছাড়াও দ্রুত অনুসন্ধান করার জন্য সংস্থার পক্ষ থেকে কর্মকর্তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দুদক জানায়, আগের দুদকের তিন মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও অবৈধভাবে শেয়ার হস্তান্তরের অভিযোগ এনেছিলেন শাযরেহ। ওই মামলায় আসামি করা হয়েছিল তার মা, বোন, ভাগনেসহ আটজনকে। ওই মামলায় ট্রান্সকমের পাঁচজন কর্মকর্তা গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। এ তিন মামলার সূত্র ধরে পিবিআই ট্রান্সকম গ্রুপের গুলশানের হেড অফিস থেকে বেশকিছু নথি জব্দ করে।
কথ করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে ২০২০ সালের ১ জুলাই ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের মৃত্যু হলে এক মাসের মাথায় গ্রুপের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আসেন লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান, বড় মেয়ে সিমিন হোসেন পান সিইওর দায়িত্ব। এর সাড়ে তিন বছরের মাথায় লতিফুরের ছোট মেয়ে শাযরেহ হক মামলার পথে হাঁটায় এ পরিবারের কর্তৃত্বের দ্বন্দ্ব সে সময় প্রকাশ্যে আসে।
ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবে ভারতে আর পালিয়ে যাওয়া শেখ স্বাধীনতার হাসিনাকে ‘১০০ কোটি টাকা ঘুস’ দেওয়ার অভিযোগের অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, অভিযোগটি অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদক গত ৫ নভেম্বর সংস্থার উপপরিচালক একেএম মাহবুবুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়। প্রয়াত লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান বর্তমানে ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান। তার বড় মেয়ে সিমিন রহমান গ্রুপের সিইও। ছোট মেয়ে শাযরেহ হকও ট্রান্সকম গ্রুপের একজন পরিচালক। এ বিষয়ে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, র অভিযোগ অনুসন্ধানের কাজ চলছে।
দুদক জানিয়েছে, সিমিনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কোনো ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা বা সম্পদ জব্দ করার প্রয়োজন হলে তা লিখিতভাবে অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ শাখাকে জানাতে বলা হয়। এছাড়াও দ্রুত অনুসন্ধান করার জন্য সংস্থার পক্ষ থেকে কর্মকর্তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দুদক জানায়, আগের দুদকের তিন মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও অবৈধভাবে শেয়ার হস্তান্তরের অভিযোগ এনেছিলেন শাযরেহ। ওই মামলায় আসামি করা হয়েছিল তার মা, বোন, ভাগনেসহ আটজনকে। ওই মামলায় ট্রান্সকমের পাঁচজন কর্মকর্তা গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। এ তিন মামলার সূত্র ধরে পিবিআই ট্রান্সকম গ্রুপের গুলশানের হেড অফিস থেকে বেশকিছু নথি জব্দ করে।
কথ করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে ২০২০ সালের ১ জুলাই ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের মৃত্যু হলে এক মাসের মাথায় গ্রুপের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আসেন লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান, বড় মেয়ে সিমিন হোসেন পান সিইওর দায়িত্ব। এর সাড়ে তিন বছরের মাথায় লতিফুরের ছোট মেয়ে শাযরেহ হক মামলার পথে হাঁটায় এ পরিবারের কর্তৃত্বের দ্বন্দ্ব সে সময় প্রকাশ্যে আসে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি ব্যর্থ হলে দেশে কেউ বাস করতে পারবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হাসিনাকে ‘১০০ কোটি ঘুস’ ট্রান্সকমের সিইও সিমিনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

আপডেট সময় ০১:১৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবে ভারতে আর পালিয়ে যাওয়া শেখ স্বাধীনতার হাসিনাকে ‘১০০ কোটি টাকা ঘুস’ দেওয়ার অভিযোগের অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, অভিযোগটি অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদক গত ৫ নভেম্বর সংস্থার উপপরিচালক একেএম মাহবুবুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়। প্রয়াত লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান বর্তমানে ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান। তার বড় মেয়ে সিমিন রহমান গ্রুপের সিইও। ছোট মেয়ে শাযরেহ হকও ট্রান্সকম গ্রুপের একজন পরিচালক। এ বিষয়ে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, র অভিযোগ অনুসন্ধানের কাজ চলছে।
দুদক জানিয়েছে, সিমিনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কোনো ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা বা সম্পদ জব্দ করার প্রয়োজন হলে তা লিখিতভাবে অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ শাখাকে জানাতে বলা হয়। এছাড়াও দ্রুত অনুসন্ধান করার জন্য সংস্থার পক্ষ থেকে কর্মকর্তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দুদক জানায়, আগের দুদকের তিন মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও অবৈধভাবে শেয়ার হস্তান্তরের অভিযোগ এনেছিলেন শাযরেহ। ওই মামলায় আসামি করা হয়েছিল তার মা, বোন, ভাগনেসহ আটজনকে। ওই মামলায় ট্রান্সকমের পাঁচজন কর্মকর্তা গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। এ তিন মামলার সূত্র ধরে পিবিআই ট্রান্সকম গ্রুপের গুলশানের হেড অফিস থেকে বেশকিছু নথি জব্দ করে।
কথ করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে ২০২০ সালের ১ জুলাই ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের মৃত্যু হলে এক মাসের মাথায় গ্রুপের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আসেন লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান, বড় মেয়ে সিমিন হোসেন পান সিইওর দায়িত্ব। এর সাড়ে তিন বছরের মাথায় লতিফুরের ছোট মেয়ে শাযরেহ হক মামলার পথে হাঁটায় এ পরিবারের কর্তৃত্বের দ্বন্দ্ব সে সময় প্রকাশ্যে আসে।
ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবে ভারতে আর পালিয়ে যাওয়া শেখ স্বাধীনতার হাসিনাকে ‘১০০ কোটি টাকা ঘুস’ দেওয়ার অভিযোগের অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, অভিযোগটি অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদক গত ৫ নভেম্বর সংস্থার উপপরিচালক একেএম মাহবুবুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়। প্রয়াত লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান বর্তমানে ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান। তার বড় মেয়ে সিমিন রহমান গ্রুপের সিইও। ছোট মেয়ে শাযরেহ হকও ট্রান্সকম গ্রুপের একজন পরিচালক। এ বিষয়ে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, র অভিযোগ অনুসন্ধানের কাজ চলছে।
দুদক জানিয়েছে, সিমিনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কোনো ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা বা সম্পদ জব্দ করার প্রয়োজন হলে তা লিখিতভাবে অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ শাখাকে জানাতে বলা হয়। এছাড়াও দ্রুত অনুসন্ধান করার জন্য সংস্থার পক্ষ থেকে কর্মকর্তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দুদক জানায়, আগের দুদকের তিন মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও অবৈধভাবে শেয়ার হস্তান্তরের অভিযোগ এনেছিলেন শাযরেহ। ওই মামলায় আসামি করা হয়েছিল তার মা, বোন, ভাগনেসহ আটজনকে। ওই মামলায় ট্রান্সকমের পাঁচজন কর্মকর্তা গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। এ তিন মামলার সূত্র ধরে পিবিআই ট্রান্সকম গ্রুপের গুলশানের হেড অফিস থেকে বেশকিছু নথি জব্দ করে।
কথ করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে ২০২০ সালের ১ জুলাই ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের মৃত্যু হলে এক মাসের মাথায় গ্রুপের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আসেন লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান, বড় মেয়ে সিমিন হোসেন পান সিইওর দায়িত্ব। এর সাড়ে তিন বছরের মাথায় লতিফুরের ছোট মেয়ে শাযরেহ হক মামলার পথে হাঁটায় এ পরিবারের কর্তৃত্বের দ্বন্দ্ব সে সময় প্রকাশ্যে আসে।