দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন আসনে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য, আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিমকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাম ঘোষণা করেন।
আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিমকে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করায়, দৌলতখান ও বোরহান উদ্দিন বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। জনপ্রিয় এই নেতাকে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভোলা-২ আসনে বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
সাধারণ মানুষ ও বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার উন্নয়ন, দলীয় নেতৃত্ব ও জনগণের পাশে থাকার জন্য পরিচিত। তাঁর নাম ঘোষণায় তারা নতুন করে আশার আলো দেখছেন। বিএনপি নেতাকর্মীদের ভাষ্য, আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিমকে প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে এবার দৌলতখান-বোরহান উদ্দিন মাঠে বিএনপির প্রাণ ফিরেছে। দলের নেতাকর্মীরা তাঁকে বিজয়ী করতে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বৈঠক শুরু করেছেন।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃমন্নান মিয়া বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। কেন্দ্রীয়ভাবে আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিমকে প্রার্থী ঘোষণা করায় তৃণমূলের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। তিনি শুধু রাজনীতিবিদ নন, এলাকার একজন সেবক। তাঁর নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে যাব।’
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান শাজু বলেন, ‘এটা দলের সঠিক সিদ্ধান্ত। বিএনপির কর্মীরা মাঠে নেমে পড়েছেন। আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম একজন পরীক্ষিত নেতা। তিনি দলের দুঃসময়েও কখনও পিছিয়ে যাননি। তাঁর নেতৃত্বেই এবার আমরা এই আসনে জয় নিশ্চিত করতে পারব।’
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন তালুকদারের ভাষ্য,আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম জনপ্রিয়তা শুধু বিএনপির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষও তাঁকে ভালোবাসেন। তিনি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। তাঁর মতো অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য প্রার্থী বিএনপিকে আবারও সদৃঢ় ভাবে মাঠে ফিরিয়ে আনবে।
পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবুল বশির মেম্বার বলেন, ‘হাফিজ ভাইকে প্রার্থী ঘোষণা করায় আমরা উজ্জীবিত। বহু বছর পর মনে হচ্ছে বিএনপি আবারও শক্তভাবে নির্বাচনী মাঠে ফিরছে। তাঁর নেতৃত্বে কর্মীরা সংগঠিত হবে।’
উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মশিউর রহমান লিটন বলেন, ‘আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম সবার নেতা। তিনি কখনও দলীয় সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ থাকেন না। উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য– সব ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান রয়েছে। বিএনপির এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজও খুশি।
উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু হেনা রিয়াজ বলেন, আমাদের অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম আমাদের পাশে ছিলেন, এখনও আছেন। আমরা তাঁকে বিশ্বাস করি, কারণ তিনি আমাদের কষ্ট বোঝেন। তাঁর প্রার্থিতা ঘোষণা যুবদলের মধ্যে আশার আলো জ্বালিয়েছে।
উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব মোর্শেদ কুট্টি বলেন, আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম তিনি শুধু বিএনপির নেতা নন। তিনি একজন জননেতা। তাঁর কাছে দলমত বর্ণ-ধর্ম নির্বিশেষে নিরাপদ। তিনি বিএনপি থেকে মনোনীত হওয়ায় আমরা দৌলতখান-বোরহান উদ্দিনের লোকজন খুশি।
উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক জহুরুল ইসলাম জহির বলেন, আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম একজন ত্যাগী ও আদর্শিক রাজনীতিবিদ, যিনি দলের দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে থেকেছেন। তাঁর মতো নেতৃত্ব পাওয়া দলের জন্য সৌভাগ্যের।
স্থানীয় নারী সংগঠক নেত্রী’রা বলেন, আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম একজন মানবিক নেতা। তিনি নারী ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় সবসময় সোচ্চার। তাঁর মনোনয়নে নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি নির্বাচিত হলে দৌলতখন-বোরহান উদ্দিনবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করবেন।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা বলছেন,ভোলা-২ আসনে বিএনপি সংগঠিতভাবে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ আসনের প্রার্থী হিসেবে আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিমের নাম ঘোষণা বিএনপির জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ তাঁর রয়েছে তৃণমূল পর্যায়ে সুগভীর যোগাযোগ ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা।
ভোলা-২আসনে বিএনপির প্রার্থী করায় দলের চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীসহ সবার সমর্থনে দল আমাকে মনোনীত করায় আমি দলের চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিএনপিসহ সর্বসাধারণের ভোটে আমি এ আসনে নির্বাচিত হলে বিএনপির আদর্শ বাস্তবায়নে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত কাজ করব।
সংবাদ শিরোনাম ::
ভোলা-২ আসনে হাফিজ ইব্রাহিমকে প্রার্থী ঘোষণায় বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস
-
মো: সোহেল খান, ভোলা জেলা প্রতিনিধি - আপডেট সময় ০৫:১০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
- ৭০৩ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

























