চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডির অদৃশ্য শক্তিতে দূর্নীতি অনিয়ম করেই চলেছে। খামারের পুরোনো ভবন বিক্রয় করার সময় সর্বচ্চো দরদাতা সাকিব এন্টারপ্রাইজ ৬৫ লক্ষ্য টাকা প্রস্তাবিত মূল্য ছিলো খামারের জেডি তার নিজ স্বার্থে একটি গেম প্লান করে মাত্র ১৩ লক্ষ্য ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রয় করেছে।
এতে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হলো ৫১,৪৫,০০০/= (একান্ন লক্ষ্য পাঁচচল্লিশ হাজার টাকা)। খামারের কাগজ কলম ঠিক রেখে অদৃশ্য ভাবে জেডির পকেটে মোটা অংকের টাকা ঢুকেছে বলে সাধারণ মানুষ মনে করছে। খামারের উত্তর ব্লকের বাসা বাড়ি বিক্রয় করার পর ঐ বাসা বাড়িতে গভীর নলকূপ থেকে পানি সাপ্পাই দেওয়ার জন্য মাটির নিচ দিয়ে ৬-৮ ইঞ্চি লোহার পাইপ ও বাসা বাড়ির নিচ থেকে উপরে পানি তোলার জন্য ১-২ ইঞ্চি জিআই পাইপ খামারের শ্রমিক দিয়ে মাটির নিচ থেকে তুলে নাম মাত্র ক্রয় মূল্যের একটি রিসিপ কেটে জেডি বিক্রয় করেছে। লোহা/জিআই পাইপ আনুমানিক মোট ৫০-৭০ টন লোহা/জিআই পাইপ বিনা ট্রেন্ডারে/নিলামে বিক্রয় করে মোটা অংকের টাকা জেডি পকেটে ঢুকিয়েছেন।
খামারের ট্রাক্টারের ওয়েট লোহা, হেড লাইনার পিসটন, সেল্ফ ডাইনামা, ব্যাটারি, হেরোর অরজিনাল পুরোনো ফাল ও প্লাউয়ের ফাল ট্রাক্টারের পুরোনো লোহা লাকড়ি বিক্রয় করতে করতে ৮-৯টি ট্রাক্টার অকেজ হয়ে পড়েছে। জেডি চাকরি করেন মেহেরপুর জেলায় বাসা ভাড়া নিয়েছে শশুর বাড়ির কাছে চুয়াডাঙ্গা জেলায়। জেডির নামে বরাদ্ধকৃত গাড়ি প্রতিদিন সকালে খামার থেকে ডাইভার গাড়ি নিয়ে চুয়াডাঙ্গার বাসাতে জেডি কে খামারে নিয়ে আসেন। খামারের কাজ শেষ হলে গাড়ি তে করে আবার চুয়াডাঙ্গার বাসাতে রেখে আসেন। এতে প্রতিদিন সরকারের ২০ লিটার ডিজেল অপচয় হয়ে থাকে। এই বিষয় গুলো নিয়ে পূর্বে একাধিক প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স সোশ্যাল মিডিয়ার খবরের শিরোনাম হলেও আজ পর্যন্ত বিএডিসির কর্তৃপক্ষ তদন্ত পূর্বক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
এই বিষয়ে খামারের শ্রমিক ইউনিয়নের আহব্বায়ক ও গাংনী উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আঃ সাত্তার, শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও গাংনী উপজেলা ওয়ার্কাস পার্টির নেতা ওমর ফারুক একটি ইলেক্টোনিক্র ও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভিযোগ গুলো তুলে ধরেছেন। এছাড়া নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক শ্রমিক তারা বলেন যে, এই জেডি অত্র খামারে আসার পরে যেভাবে লুটপাত হয়ে যাচ্ছে যা ইতিপূর্বে অন্য কোনো জেডির আমলে এমন লুটপাত হয়নি। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য জেডির সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যাক্তিগত মোবাইলে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি। এরপরে পাটবীজ জিএম এর সাথে মোবাইলে ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি। এই খামারের কর্মকর্তা ও পাটবীজ বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তারা ফোন ধরেন না। তাদের এই নিরব থাকাটায় প্রমাণ করে তারা কারোর কাছে জবাব দিহিতা করবে না।
বিশেষ প্রতিনিধি 
























