ঢাকা ০৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

পে স্কেল ঘোষণা কবে যা বলছে কমিশন

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে সমিতি ও অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে পে কমিশনের মতবিনিময় শেষ হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। তবে নতুন পে স্কেল ঘোষণা হচ্ছে কবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। অনলাইনে মতামত নেওয়ার পর এখন বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন কমিশনের সদস্যরা। সংগঠন বেশি হওয়ায় পে কমিশনের সদস্যরা তিন ভাগে ভাগ হয়ে মতবিনিময়ে অংশ নিচ্ছেন।

কমিশন সূত্রের খবর, অনলাইনে দুই হাজারের বেশি সংগঠন নতুন পে স্কেল নিয়ে তাদের মতামত জমা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে ২৫০-৩০০ সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময়ের করেছে কমিশন। গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) পর্যন্ত সংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করে পে কমিশন। এর পরেই সব মতামত পর্যালোচনা করে সুপারিশের খসড়া করা হবে।

তখন সব সদস্যের সম্মতিতে চূড়ান্ত করে জমা দেওয়া হবে সুপারিশ।
কমিশনের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান সরকার দ্য গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মতামত নেওয়া শেষ হয়েছে গত ১৫ অক্টোবর, সমিতিগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় ৩০ অক্টোবর শেষ হয়েছে। আমরা বসে চূড়ান্ত সুপারিশের দিকে যাব।’

কমিশন গঠনের সময়ই সময় বেধে দেয়া হয়েছে, সেখানে সর্বোচ্চ ৬ মাসের মধ্যে সুপারিশ করতে বলা হয়েছে। তাই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নয়, দ্রুত সময়ের মধ্যেই নতুন পে স্কেল ঘোষণা করতে করার লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে চলছে। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
কমিশনের একাধিক সদস্যের মতে, এই পে কমিশনের মূল লক্ষ্য হলো বেতন বৈষম্য হ্রাস করা। এজন্য বিদ্যমান গ্রেড কাঠামো পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তাদের ভাষায়, “গ্রেড কমিয়ে বৈষম্য কমানো হবে, এটি নিশ্চিত। তবে কতটি গ্রেড থাকবে এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত কী হবে, তা চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশের সময় জানা যাবে।”

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

পে স্কেল ঘোষণা কবে যা বলছে কমিশন

আপডেট সময় ০৫:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে সমিতি ও অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে পে কমিশনের মতবিনিময় শেষ হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। তবে নতুন পে স্কেল ঘোষণা হচ্ছে কবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। অনলাইনে মতামত নেওয়ার পর এখন বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন কমিশনের সদস্যরা। সংগঠন বেশি হওয়ায় পে কমিশনের সদস্যরা তিন ভাগে ভাগ হয়ে মতবিনিময়ে অংশ নিচ্ছেন।

কমিশন সূত্রের খবর, অনলাইনে দুই হাজারের বেশি সংগঠন নতুন পে স্কেল নিয়ে তাদের মতামত জমা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে ২৫০-৩০০ সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময়ের করেছে কমিশন। গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) পর্যন্ত সংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করে পে কমিশন। এর পরেই সব মতামত পর্যালোচনা করে সুপারিশের খসড়া করা হবে।

তখন সব সদস্যের সম্মতিতে চূড়ান্ত করে জমা দেওয়া হবে সুপারিশ।
কমিশনের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান সরকার দ্য গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মতামত নেওয়া শেষ হয়েছে গত ১৫ অক্টোবর, সমিতিগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় ৩০ অক্টোবর শেষ হয়েছে। আমরা বসে চূড়ান্ত সুপারিশের দিকে যাব।’

কমিশন গঠনের সময়ই সময় বেধে দেয়া হয়েছে, সেখানে সর্বোচ্চ ৬ মাসের মধ্যে সুপারিশ করতে বলা হয়েছে। তাই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নয়, দ্রুত সময়ের মধ্যেই নতুন পে স্কেল ঘোষণা করতে করার লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে চলছে। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
কমিশনের একাধিক সদস্যের মতে, এই পে কমিশনের মূল লক্ষ্য হলো বেতন বৈষম্য হ্রাস করা। এজন্য বিদ্যমান গ্রেড কাঠামো পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তাদের ভাষায়, “গ্রেড কমিয়ে বৈষম্য কমানো হবে, এটি নিশ্চিত। তবে কতটি গ্রেড থাকবে এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত কী হবে, তা চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশের সময় জানা যাবে।”