ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

তিন দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছে সহকারী শিক্ষক ঐক্য পরিষদ

সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি এবং উচ্চতর গ্রেড প্রদানের জটিলতা নিরসনের দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে পরীক্ষা বর্জন ও আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করবেন তারা।

আজ (শনিবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা করেন পরিষদের সভাপতি আনিসুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি শাহিনুর আল আমীন বলেন, সারাদেশে প্রায় তিন লাখ ৮০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ও মর্যাদাগত বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। বর্তমানে একজন সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেডে মাত্র ১১ হাজার টাকা বেতন পান, যা সর্বসাকুল্যে ১৭ হাজার ৬৫০ টাকা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে এই বেতন অপ্রতুল ও অমানবিক।

তিনি বলেন, সহকারী শিক্ষকদের এন্ট্রি পদে ১১তম গ্রেড প্রদান সরকারের জন্য অতিরিক্ত ব্যয়সাপেক্ষ নয়। এতে সরকারের ব্যয় হবে মাত্র দুই হাজার ২৬৫ টাকা। প্রাথমিক শিক্ষকদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি বৈষম্যহীন বেতন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সংগঠনের ৩টি দাবি হচ্ছে— সহকারী শিক্ষকদের এন্ট্রিপদে ১১তম গ্রেড প্রদান করা, ১০ ও ১৬ বছরের উচ্চতর গ্রেড প্রদানের জটিলতা নিরসন করা এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে দ্রুত পদোন্নতি বাস্তবায়ন করা।

কর্মসূচি ঘোষণা করে পরিষদের সভাপতি আনিসুর রহমান বলেন, যদি আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে দাবি পূরণ না হয়, তাহলে ২৩ ও ২৪ নভেম্বর অর্ধদিবস কর্মবিরতি, ২৫ ও ২৬ নভেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি এবং ২৭ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপরও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে ১১ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষা বর্জন ও আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম তোতা, বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি শাহিনুর আল আমীন প্রমুখ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

তিন দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছে সহকারী শিক্ষক ঐক্য পরিষদ

আপডেট সময় ০৬:১২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি এবং উচ্চতর গ্রেড প্রদানের জটিলতা নিরসনের দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে পরীক্ষা বর্জন ও আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করবেন তারা।

আজ (শনিবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা করেন পরিষদের সভাপতি আনিসুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি শাহিনুর আল আমীন বলেন, সারাদেশে প্রায় তিন লাখ ৮০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ও মর্যাদাগত বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। বর্তমানে একজন সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেডে মাত্র ১১ হাজার টাকা বেতন পান, যা সর্বসাকুল্যে ১৭ হাজার ৬৫০ টাকা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে এই বেতন অপ্রতুল ও অমানবিক।

তিনি বলেন, সহকারী শিক্ষকদের এন্ট্রি পদে ১১তম গ্রেড প্রদান সরকারের জন্য অতিরিক্ত ব্যয়সাপেক্ষ নয়। এতে সরকারের ব্যয় হবে মাত্র দুই হাজার ২৬৫ টাকা। প্রাথমিক শিক্ষকদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি বৈষম্যহীন বেতন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সংগঠনের ৩টি দাবি হচ্ছে— সহকারী শিক্ষকদের এন্ট্রিপদে ১১তম গ্রেড প্রদান করা, ১০ ও ১৬ বছরের উচ্চতর গ্রেড প্রদানের জটিলতা নিরসন করা এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে দ্রুত পদোন্নতি বাস্তবায়ন করা।

কর্মসূচি ঘোষণা করে পরিষদের সভাপতি আনিসুর রহমান বলেন, যদি আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে দাবি পূরণ না হয়, তাহলে ২৩ ও ২৪ নভেম্বর অর্ধদিবস কর্মবিরতি, ২৫ ও ২৬ নভেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি এবং ২৭ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপরও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে ১১ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষা বর্জন ও আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম তোতা, বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি শাহিনুর আল আমীন প্রমুখ।