ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

সুইপার কলোনীতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণে দুই প্রকৌশলীসহ আসামি ৩

রাজধানীর ধলপুর সুইপার কলোনি নির্মাণে অনিয়ম, জালিয়াতি, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের সোয়া ৩ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি করার অভিযোগে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক দুই প্রকৌশলী ও এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আক্তারুল ইসলাম জানিয়েছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক মনির মিয়া শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করবে বলে জানা গেছে।

অনুমোদিত চার্জশিটে আসামিরা হলেন– ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মেজবাহুল করিম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মো. মজিবুর রহমান ও মেসার্স নাজমা কনস্ট্রাকশন কোম্পানির মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হারুনুর রশিদ।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, সয়েল টেস্টের আগেই ভিত্তিহীন কারিগরি বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে স্ট্রাকচারাল ডিজাইন ও প্রাক্কলন প্রস্তুত করেন। পরে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, অনভিজ্ঞ ঠিকাদার নিয়োগ ও তদারকির ঘাটতির কারণে ধলপুর সুইপার কলোনির ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ গ্রুপের ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ঠিকাদার মো. হারুনুর রশিদ ও অন্যান্য প্রকৌশলীদের যোগসাজশে মোট ৩ কোটি ১৮ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৩ টাকা ব্যয়ে ইমারত নির্মাণ করা হয়। বুয়েটের বিশেষজ্ঞ মতামতে ভবনগুলোতে বসবাস ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে একনেক সিদ্ধান্তে ভবনগুলো ভেঙে নতুন বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও জানা যায়, আসামিরা অবৈধভাবে লাভবান থেকে সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধন করায়, দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

সুইপার কলোনীতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণে দুই প্রকৌশলীসহ আসামি ৩

আপডেট সময় ০৬:০০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর ধলপুর সুইপার কলোনি নির্মাণে অনিয়ম, জালিয়াতি, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের সোয়া ৩ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি করার অভিযোগে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক দুই প্রকৌশলী ও এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আক্তারুল ইসলাম জানিয়েছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক মনির মিয়া শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করবে বলে জানা গেছে।

অনুমোদিত চার্জশিটে আসামিরা হলেন– ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মেজবাহুল করিম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মো. মজিবুর রহমান ও মেসার্স নাজমা কনস্ট্রাকশন কোম্পানির মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হারুনুর রশিদ।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, সয়েল টেস্টের আগেই ভিত্তিহীন কারিগরি বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে স্ট্রাকচারাল ডিজাইন ও প্রাক্কলন প্রস্তুত করেন। পরে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, অনভিজ্ঞ ঠিকাদার নিয়োগ ও তদারকির ঘাটতির কারণে ধলপুর সুইপার কলোনির ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ গ্রুপের ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ঠিকাদার মো. হারুনুর রশিদ ও অন্যান্য প্রকৌশলীদের যোগসাজশে মোট ৩ কোটি ১৮ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৩ টাকা ব্যয়ে ইমারত নির্মাণ করা হয়। বুয়েটের বিশেষজ্ঞ মতামতে ভবনগুলোতে বসবাস ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে একনেক সিদ্ধান্তে ভবনগুলো ভেঙে নতুন বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও জানা যায়, আসামিরা অবৈধভাবে লাভবান থেকে সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধন করায়, দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।