ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নীতিমালা ভেঙে বাড়তি বোনাস নিয়েছেন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোহাম্মদপুরে পার্কিং করা বাসে আগুন শিল্পাঞ্চল ও আবাসিকে গ্যাস সরবরাহে আরও উন্নতি সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল মক্কা-মদিনার নিরাপত্তাকে সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে: চরমোনাই পীর মক্কার কাছে হুতি ড্রোন ভূপাতিত, তীব্র নিন্দা জামায়াত আমিরের গাজায় ভবন ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ২০ চামড়াজাত শিল্পের উন্নয়নে নজর দিচ্ছে সরকার: রিজভী ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকে অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
হোটেল হানিফ" শ্যামলীর কলঙ্ক! মালিক জামান....

ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে নারী ও মাদকের অন্ধকার সাম্রাজ্য!

  • মিরপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৭:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৯১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর আদাবর থানার অন্তর্গত শ্যামলী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে একাধিক অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ। অভিযোগ রয়েছে, “হোটেল হানিফ” নামের একটি আবাসিক হোটেল বহুদিন ধরেই নারী ও মাদক ব্যবসার আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি-রাতের অন্ধকারে এখানে চলে অনৈতিক কার্যকলাপ, আর দিনের আলোতেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলটির মালিক জামান ও ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে এ অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রতিনিয়ত অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা, রুম ভাড়া নেওয়ার নামে অনৈতিক সম্পর্ক, এমনকি মাদক সেবন ও বেচাকেনার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

আরও জানা গেছে, কিছু অসাধু প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ ব্যবসা চলছে নির্ভয়ে। আশপাশের দোকানদার ও ভুক্তভোগীরা বহুবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন-প্রতিদিন এখানে এমন কিছু হচ্ছে যা সবাই জানে, কিন্তু মুখ খুলতে ভয় পাই। পুলিশ আসে, যায়, কিন্তু সব কিছু আগের মতোই থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই হোটেল ঘিরে কিশোর অপরাধ, ছিনতাই ও মাদকাসক্তির প্রবণতা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তারা প্রশ্ন
তুলেছেন-“প্রশাসন কি দেখেও না দেখার ভান করছে?

এ বিষয়ে আদাবর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সচেতন নাগরিক সমাজের মন্তব
রাজধানীর মতো আবাসিক এলাকায় এমন অবৈধ কার্যকলাপ চলতে দেওয়া প্রশাসনের ব্যর্থতা ও আইন প্রয়োগে শৈথিল্যের জ্বলন্ত উদাহরণ। তারা দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত, হোটেল হানিফ”-এর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবী। এমন অসামাজিক কার্যকলাপ শুধু নৈতিক অবক্ষয়ই নয়, তরুণ প্রজন্মকেও বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। এখনই প্রয়োজন প্রশাসনের দৃঢ় পদক্ষেপ-যাতে কেউই আইনকে উপহাস করার সাহস না পায়, আর রাজধানী ঢাকাকে কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। এই হোটেলে তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিকরা গেলে বলে ভাই আমরা পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদেরকে ম্যানেজ করে আমরা এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে আপনারা নাকি এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় তারা বলেন আপনি যা পারেন করেন কি করবেন আমাদের জানা আছে এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ কেন এখানে মাদকসহ, করে আমরা অপকর্ম করেই যাব। যদি পারলে ঠেকান দেখি আপনাদের কত বড় সাহস এমনটাই সাংবাদিকের হুমকি দেন খারাপ ভাষায় ব্যবহার করেন, মাদক ও সামাজিক মূল হোতা ম্যানেজার আমিনুল

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নীতিমালা ভেঙে বাড়তি বোনাস নিয়েছেন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

হোটেল হানিফ" শ্যামলীর কলঙ্ক! মালিক জামান....

ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে নারী ও মাদকের অন্ধকার সাম্রাজ্য!

আপডেট সময় ০৭:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর আদাবর থানার অন্তর্গত শ্যামলী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে একাধিক অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ। অভিযোগ রয়েছে, “হোটেল হানিফ” নামের একটি আবাসিক হোটেল বহুদিন ধরেই নারী ও মাদক ব্যবসার আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি-রাতের অন্ধকারে এখানে চলে অনৈতিক কার্যকলাপ, আর দিনের আলোতেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলটির মালিক জামান ও ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে এ অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রতিনিয়ত অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা, রুম ভাড়া নেওয়ার নামে অনৈতিক সম্পর্ক, এমনকি মাদক সেবন ও বেচাকেনার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

আরও জানা গেছে, কিছু অসাধু প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ ব্যবসা চলছে নির্ভয়ে। আশপাশের দোকানদার ও ভুক্তভোগীরা বহুবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন-প্রতিদিন এখানে এমন কিছু হচ্ছে যা সবাই জানে, কিন্তু মুখ খুলতে ভয় পাই। পুলিশ আসে, যায়, কিন্তু সব কিছু আগের মতোই থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই হোটেল ঘিরে কিশোর অপরাধ, ছিনতাই ও মাদকাসক্তির প্রবণতা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তারা প্রশ্ন
তুলেছেন-“প্রশাসন কি দেখেও না দেখার ভান করছে?

এ বিষয়ে আদাবর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সচেতন নাগরিক সমাজের মন্তব
রাজধানীর মতো আবাসিক এলাকায় এমন অবৈধ কার্যকলাপ চলতে দেওয়া প্রশাসনের ব্যর্থতা ও আইন প্রয়োগে শৈথিল্যের জ্বলন্ত উদাহরণ। তারা দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত, হোটেল হানিফ”-এর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবী। এমন অসামাজিক কার্যকলাপ শুধু নৈতিক অবক্ষয়ই নয়, তরুণ প্রজন্মকেও বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। এখনই প্রয়োজন প্রশাসনের দৃঢ় পদক্ষেপ-যাতে কেউই আইনকে উপহাস করার সাহস না পায়, আর রাজধানী ঢাকাকে কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। এই হোটেলে তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিকরা গেলে বলে ভাই আমরা পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদেরকে ম্যানেজ করে আমরা এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে আপনারা নাকি এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় তারা বলেন আপনি যা পারেন করেন কি করবেন আমাদের জানা আছে এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ কেন এখানে মাদকসহ, করে আমরা অপকর্ম করেই যাব। যদি পারলে ঠেকান দেখি আপনাদের কত বড় সাহস এমনটাই সাংবাদিকের হুমকি দেন খারাপ ভাষায় ব্যবহার করেন, মাদক ও সামাজিক মূল হোতা ম্যানেজার আমিনুল