ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি নিয়ন্ত্রণ, বাজেট অপচয় ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১২ কোটির যন্ত্র কেনা হচ্ছে ২০ কোটিতে বসিলা ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু, দৈনিক চলবে ৬ লঞ্চ মন্ত্রীর স্বস্তির আশ্বাস, বাস্তবে বাস-ট্রেনে চরম ভোগান্তি সাত দিনের ছুটি শুরু স্বস্তির আশায় গাবতলী-কল্যাণপুরে ঘরমুখো মানুষের জটলা, বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঘরমুখো মানুষের স্রোত, নির্ধারিত সময়ে ছাড়ছে ট্রেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের উপ-ব্যবস্থাপক আহম্মদুল্লাহর নামে/বেনামে শতশত কোটি টাকার সম্পদ ভারতের কাছে ৩ ট্যাংকার জাহাজ ফেরত চাইল ইরান
হোটেল হানিফ" শ্যামলীর কলঙ্ক! মালিক জামান....

ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে নারী ও মাদকের অন্ধকার সাম্রাজ্য!

  • মিরপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৭:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬০৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর আদাবর থানার অন্তর্গত শ্যামলী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে একাধিক অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ। অভিযোগ রয়েছে, “হোটেল হানিফ” নামের একটি আবাসিক হোটেল বহুদিন ধরেই নারী ও মাদক ব্যবসার আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি-রাতের অন্ধকারে এখানে চলে অনৈতিক কার্যকলাপ, আর দিনের আলোতেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলটির মালিক জামান ও ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে এ অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রতিনিয়ত অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা, রুম ভাড়া নেওয়ার নামে অনৈতিক সম্পর্ক, এমনকি মাদক সেবন ও বেচাকেনার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

আরও জানা গেছে, কিছু অসাধু প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ ব্যবসা চলছে নির্ভয়ে। আশপাশের দোকানদার ও ভুক্তভোগীরা বহুবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন-প্রতিদিন এখানে এমন কিছু হচ্ছে যা সবাই জানে, কিন্তু মুখ খুলতে ভয় পাই। পুলিশ আসে, যায়, কিন্তু সব কিছু আগের মতোই থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই হোটেল ঘিরে কিশোর অপরাধ, ছিনতাই ও মাদকাসক্তির প্রবণতা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তারা প্রশ্ন
তুলেছেন-“প্রশাসন কি দেখেও না দেখার ভান করছে?

এ বিষয়ে আদাবর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সচেতন নাগরিক সমাজের মন্তব
রাজধানীর মতো আবাসিক এলাকায় এমন অবৈধ কার্যকলাপ চলতে দেওয়া প্রশাসনের ব্যর্থতা ও আইন প্রয়োগে শৈথিল্যের জ্বলন্ত উদাহরণ। তারা দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত, হোটেল হানিফ”-এর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবী। এমন অসামাজিক কার্যকলাপ শুধু নৈতিক অবক্ষয়ই নয়, তরুণ প্রজন্মকেও বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। এখনই প্রয়োজন প্রশাসনের দৃঢ় পদক্ষেপ-যাতে কেউই আইনকে উপহাস করার সাহস না পায়, আর রাজধানী ঢাকাকে কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। এই হোটেলে তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিকরা গেলে বলে ভাই আমরা পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদেরকে ম্যানেজ করে আমরা এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে আপনারা নাকি এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় তারা বলেন আপনি যা পারেন করেন কি করবেন আমাদের জানা আছে এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ কেন এখানে মাদকসহ, করে আমরা অপকর্ম করেই যাব। যদি পারলে ঠেকান দেখি আপনাদের কত বড় সাহস এমনটাই সাংবাদিকের হুমকি দেন খারাপ ভাষায় ব্যবহার করেন, মাদক ও সামাজিক মূল হোতা ম্যানেজার আমিনুল

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি নিয়ন্ত্রণ, বাজেট অপচয় ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

হোটেল হানিফ" শ্যামলীর কলঙ্ক! মালিক জামান....

ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে নারী ও মাদকের অন্ধকার সাম্রাজ্য!

আপডেট সময় ০৭:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর আদাবর থানার অন্তর্গত শ্যামলী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে একাধিক অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ। অভিযোগ রয়েছে, “হোটেল হানিফ” নামের একটি আবাসিক হোটেল বহুদিন ধরেই নারী ও মাদক ব্যবসার আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি-রাতের অন্ধকারে এখানে চলে অনৈতিক কার্যকলাপ, আর দিনের আলোতেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলটির মালিক জামান ও ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে এ অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রতিনিয়ত অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা, রুম ভাড়া নেওয়ার নামে অনৈতিক সম্পর্ক, এমনকি মাদক সেবন ও বেচাকেনার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

আরও জানা গেছে, কিছু অসাধু প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ ব্যবসা চলছে নির্ভয়ে। আশপাশের দোকানদার ও ভুক্তভোগীরা বহুবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন-প্রতিদিন এখানে এমন কিছু হচ্ছে যা সবাই জানে, কিন্তু মুখ খুলতে ভয় পাই। পুলিশ আসে, যায়, কিন্তু সব কিছু আগের মতোই থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই হোটেল ঘিরে কিশোর অপরাধ, ছিনতাই ও মাদকাসক্তির প্রবণতা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তারা প্রশ্ন
তুলেছেন-“প্রশাসন কি দেখেও না দেখার ভান করছে?

এ বিষয়ে আদাবর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সচেতন নাগরিক সমাজের মন্তব
রাজধানীর মতো আবাসিক এলাকায় এমন অবৈধ কার্যকলাপ চলতে দেওয়া প্রশাসনের ব্যর্থতা ও আইন প্রয়োগে শৈথিল্যের জ্বলন্ত উদাহরণ। তারা দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত, হোটেল হানিফ”-এর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবী। এমন অসামাজিক কার্যকলাপ শুধু নৈতিক অবক্ষয়ই নয়, তরুণ প্রজন্মকেও বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। এখনই প্রয়োজন প্রশাসনের দৃঢ় পদক্ষেপ-যাতে কেউই আইনকে উপহাস করার সাহস না পায়, আর রাজধানী ঢাকাকে কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। এই হোটেলে তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিকরা গেলে বলে ভাই আমরা পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদেরকে ম্যানেজ করে আমরা এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে আপনারা নাকি এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় তারা বলেন আপনি যা পারেন করেন কি করবেন আমাদের জানা আছে এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ কেন এখানে মাদকসহ, করে আমরা অপকর্ম করেই যাব। যদি পারলে ঠেকান দেখি আপনাদের কত বড় সাহস এমনটাই সাংবাদিকের হুমকি দেন খারাপ ভাষায় ব্যবহার করেন, মাদক ও সামাজিক মূল হোতা ম্যানেজার আমিনুল