ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়ন ঈশ্বরপুর গ্রামের বাসিন্দা বিএনপি এর পদ পার্থী নেতা মোঃ রতন মিয়া (৩৫), পিতা- নুরু মিয়ার কাছ থেকে একই গ্রামের বাসিন্দা কৃষক মোঃ সাইফুল ইসলাম (৬২) নভেম্বর ২০২৪ সালে ৪০,০০০/- লাভের উপরে নেয়। সাইফুল ইসলামের মেয়ে প্রতিমাসে সময়মত ১০% হারে লভ্যাংশ দিয়ে আসতেছে, সম্পর্কে সাইফুল ইসলামের মেয়ে রতন মিয়ার ভাগ্নী হয়।
সাইফুল ইসলামের মেয়ে ১মাস লাভের টাকা দিতে না পারায় হঠাৎ করে ২৭/০৫/২০২৫ তারিখ রতন মিয়া সাইফুল ইসলামের মেয়েকে হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজ এর মাধ্যমে খারাপ প্রস্তাব দেওয়া শুরু করে, সাইফুল ইসলামের মেয়ে রতন মিয়া (মামার) কুপ্রস্তাবে রাজি না হয়ে বিষয় টা সাইফুল ইসলামকে এবং তার স্বামীকে জানায়।
সাইফুল ইসলাম এবং তার মেয়ের জামাই এই বিষয়ে রতন মিয়া কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে রতন মিয়া উল্টো গালাগালি শুরু করে, তখন সাইফুল ইসলাম এর মেয়ের জামাই রতনকে একটা চড় মারে এতে রতন আরো ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছুটে আসে, পরে গ্রাম বাসির সহযোগিতায় সাইফুল ইসলাম এবং তার মেয়ের জামাই গঠনাস্থল থেকে ফিরে আসে।
এই বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়, অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব পড়ে এস আই জালাল উদ্দীনের হাতে। এস আই জালাল উদ্দীন তদন্ত না করে, বরং বিএনপি নেতা রতনে প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে উল্টো ভুক্তভোগী কৃষক সাইফুলকে বাড়ির সামনে পেয়ে ধমক দিয়ে লেনদেন শেষ করার জন্য বলে।
পরবর্তীতে ১২/০৭/২০২৫ সাইফুল ইসলাম এবং রতনকে থানায় ডেকে নিয়ে লাভ সহ মোট ৪৪,০০০/- সুদের টাকা দিয়ে দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত দেয়। এতে সাইফুল ইসলাম নিরুপায় হয়ে উপস্থিত ২৪,০০০/- দিয়ে বাকি ২০,০০০/- টাকা দেওয়ার জন্য ৩০/০৮/২০২৫ পর্যন্ত সময় নেয়। এই মর্মে জালাল উদ্দীনের সহযোগী আরেক পুলিশ অফিসার সকলের উপস্থিতিতে সাদা কাগজে লিখে উভয় পক্ষের সাক্ষর এবং টিপসই নেয়।
তখন সাইফুল ইসলাম এবং তার মেয়ের জামাই হেনস্তার অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে জালাল উদ্দীন বলেন, ঐ অভিযোগের কোন ফলাফল নেই।
অভিযোগের যথাযথ প্রমান থাকা সত্বেও জালাল উদ্দীনের এমন মন্তব্য পুলিশ প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
টাকা যোগাড় করতে না পারার করেনে আগস্টের ২৯ এবং ৩০ তারিখ রতন মিয়ার বৌ কে ফোন দিয়ে আরো কিছু দিন সময় চেয়ে নেয় ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম ও তার মেয়ে। কিন্তু ৩০/০৮/২০২৫ তারিখ সাইফুল ইসলাম টাকা দিতে না পারায় পরেরদিনই ০১/০৯/২০২৫ তারিখ বৃদ্ধ সাইফুল ইসলামকে রতন মিয়া চা দোকান থেকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তার উপর নিয়ে অনেক মারধর করে, পরে গ্রাম বাসির সহযোগিতায় সাইফুল ইসলামকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।
বিষয়টি জালাল উদ্দীন কে জানানো হলে তিনি কোনোরকম মন্তব্য করেন নি।
উল্লেখ শেখ হাসিনা যাওয়ার পর এই রতন মিয়া এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব শুরু করে। গ্রাম বাসি কেউ তার ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে রাজি না, সয়ং গ্রামের মেম্বারও তাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে সাহস পায় না।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















