ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি নিয়ন্ত্রণ, বাজেট অপচয় ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১২ কোটির যন্ত্র কেনা হচ্ছে ২০ কোটিতে বসিলা ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু, দৈনিক চলবে ৬ লঞ্চ মন্ত্রীর স্বস্তির আশ্বাস, বাস্তবে বাস-ট্রেনে চরম ভোগান্তি সাত দিনের ছুটি শুরু স্বস্তির আশায় গাবতলী-কল্যাণপুরে ঘরমুখো মানুষের জটলা, বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঘরমুখো মানুষের স্রোত, নির্ধারিত সময়ে ছাড়ছে ট্রেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের উপ-ব্যবস্থাপক আহম্মদুল্লাহর নামে/বেনামে শতশত কোটি টাকার সম্পদ ভারতের কাছে ৩ ট্যাংকার জাহাজ ফেরত চাইল ইরান

এনবিআরের নতুন সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৬:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৩৫ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন প্রশাসনে সদস্য হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া ১৫তম বিসিএস কর্মকর্তা মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে ঘিরে সম্প্রতি নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রপ্তানি ও বন্ড প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রশাসনিক ভূমিকা ও প্রভাব নিয়ে রাজস্ব ভবনে গুঞ্জন চলছে। সূত্র জানায়, সদ্য ওএসডি হওয়া সদস্য মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে মোয়াজ্জেম হোসেন এনবিআরের অভ্যন্তরে নতুন এক বলয় গড়ে তুলছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে তিনি বা এনবিআরের কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।

মোয়াজ্জেম হোসেন সম্প্রতি এনবিআরের সদস্য হিসেবে পদোন্নতি পান এবং পরবর্তীতে রপ্তানি ও বন্ড উইংয়ের দায়িত্ব পান। এটি এনবিআরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ, যেখানে নীতিনির্ধারণ থেকে শুরু করে বন্ড লাইসেন্স, রপ্তানি প্রণোদনা ও শুল্ক অব্যাহতি সংক্রান্ত বহু বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি নিজের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের সুপারিশ করছেন এবং প্রশাসনে একটি “নিজস্ব বলয়” তৈরি করার চেষ্টা করছেন। একজন মধ্যম স্তরের কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মোয়াজ্জেম স্যার আগেও প্রভাবশালী ছিলেন, কিন্তু এখন তার হাতে দায়িত্ব আসায় অনেক সিদ্ধান্তই তার পছন্দমতো হচ্ছে।” তবে মোয়াজ্জেম হোসেনের ঘনিষ্ঠ মহল দাবি করছে, তিনি দক্ষতার ভিত্তিতেই পদোন্নতি পেয়েছেন এবং সব প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই নিয়ম অনুযায়ী নেওয়া হচ্ছে। রাজস্ব প্রশাসনের ভেতরে আলোচনায় রয়েছে, মোয়াজ্জেম হোসেন আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং বিমানবন্দর থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ফাতেমা জামান সাথীর ঘনিষ্ঠজন। একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক সংযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এই রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতাই তাঁর দ্রুত পদোন্নতির অন্যতম কারণ। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারা বলেন, “তিনি বরাবরই প্রশাসনিকভাবে সক্রিয় ছিলেন, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়াই নিজের যোগ্যতায় এই অবস্থানে পৌঁছেছেন।” এনবিআর পৃথকীকরণ আন্দোলনের প্রথম দিকে সক্রিয় থাকলেও পরবর্তীতে তিনি নিজেকে গুটিয়ে নেন। আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা অনেক কর্মকর্তা ‘পুরস্কার’ বলে মনে করেন। একজন অবসরপ্রাপ্ত এনবিআর কর্মকর্তা বলেন, “আন্দোলনে শেষ পর্যন্ত যাঁরা ছিলেন, তাঁরা এখন উপেক্ষিত। কিন্তু মাঝপথে যারা সরে গিয়েছিলেন, তারাই আজ পদোন্নতি পাচ্ছেন।” রাজস্ব প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এনবিআরের অভ্যন্তরে বর্তমানে কয়েকটি বলয় সক্রিয়। এর মধ্যে “বেলাল-মোয়াজ্জেম বলয়” নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। এই বলয়ের প্রভাব নীতিগত সিদ্ধান্ত, বদলি, এমনকি তদন্ত কার্যক্রমেও পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও কোনো সরকারি নথিতে বা তদন্তে এমন বলয়ের অস্তিত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। এনবিআরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, “এগুলো প্রশাসনিক গুজব মাত্র। প্রত্যেক সদস্যেরই কাজ করার একটি স্টাইল থাকে, কিন্তু তাতে প্রভাব বলয় গড়ে ওঠে—এমন বলা ঠিক নয়।” অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এনবিআরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা সবচেয়ে জরুরি। যদি কর্মকর্তা বদলি বা দায়িত্ব বণ্টন ব্যক্তিগত প্রভাবের ভিত্তিতে হয়, তবে রাজস্ব আহরণ ও নীতিগত সিদ্ধান্ত ঝুঁকিতে পড়তে পারে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ড. হুমায়ুন কবির বলেন, “রাজস্ব প্রশাসনে যাঁরা দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের সব সিদ্ধান্তই জনস্বার্থে হতে হবে। তাই কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠলে তা তদন্ত করে দেখা জরুরি।”

এনবিআরের জনসংযোগ উইংয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, “সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন তাঁর দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করছেন। যেকোনো অভিযোগ বা গুঞ্জন প্রশাসনিকভাবে যাচাই করে দেখা হবে।” এদিকে, নতুন প্রশাসনের কাজের ওপর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজস্ব আহরণ, বন্ড ব্যবস্থাপনা ও কাস্টমস সংস্কারে ব্যর্থতা রোধে অর্থ মন্ত্রণালয়ও এনবিআরের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছে। পদোন্নতি, সম্পর্ক, এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে সদস্য মো. মোয়াজ্জেম হোসেন এখন এনবিআরের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিত্বদের একজন। কেউ তাঁকে সংস্কারমুখী ও কৌশলী প্রশাসক হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন, “তিনি নতুন বলয়ের স্থপতি।” প্রভাব বলয় নাকি দক্ষ নেতৃত্ব-এই প্রশ্নের উত্তর এখন এনবিআরের আগামী কর্মকাণ্ডই নির্ধারণ করবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি নিয়ন্ত্রণ, বাজেট অপচয় ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

এনবিআরের নতুন সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক

আপডেট সময় ০৬:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন প্রশাসনে সদস্য হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া ১৫তম বিসিএস কর্মকর্তা মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে ঘিরে সম্প্রতি নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রপ্তানি ও বন্ড প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রশাসনিক ভূমিকা ও প্রভাব নিয়ে রাজস্ব ভবনে গুঞ্জন চলছে। সূত্র জানায়, সদ্য ওএসডি হওয়া সদস্য মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে মোয়াজ্জেম হোসেন এনবিআরের অভ্যন্তরে নতুন এক বলয় গড়ে তুলছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে তিনি বা এনবিআরের কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।

মোয়াজ্জেম হোসেন সম্প্রতি এনবিআরের সদস্য হিসেবে পদোন্নতি পান এবং পরবর্তীতে রপ্তানি ও বন্ড উইংয়ের দায়িত্ব পান। এটি এনবিআরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ, যেখানে নীতিনির্ধারণ থেকে শুরু করে বন্ড লাইসেন্স, রপ্তানি প্রণোদনা ও শুল্ক অব্যাহতি সংক্রান্ত বহু বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি নিজের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের সুপারিশ করছেন এবং প্রশাসনে একটি “নিজস্ব বলয়” তৈরি করার চেষ্টা করছেন। একজন মধ্যম স্তরের কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মোয়াজ্জেম স্যার আগেও প্রভাবশালী ছিলেন, কিন্তু এখন তার হাতে দায়িত্ব আসায় অনেক সিদ্ধান্তই তার পছন্দমতো হচ্ছে।” তবে মোয়াজ্জেম হোসেনের ঘনিষ্ঠ মহল দাবি করছে, তিনি দক্ষতার ভিত্তিতেই পদোন্নতি পেয়েছেন এবং সব প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই নিয়ম অনুযায়ী নেওয়া হচ্ছে। রাজস্ব প্রশাসনের ভেতরে আলোচনায় রয়েছে, মোয়াজ্জেম হোসেন আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং বিমানবন্দর থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ফাতেমা জামান সাথীর ঘনিষ্ঠজন। একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক সংযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এই রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতাই তাঁর দ্রুত পদোন্নতির অন্যতম কারণ। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারা বলেন, “তিনি বরাবরই প্রশাসনিকভাবে সক্রিয় ছিলেন, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়াই নিজের যোগ্যতায় এই অবস্থানে পৌঁছেছেন।” এনবিআর পৃথকীকরণ আন্দোলনের প্রথম দিকে সক্রিয় থাকলেও পরবর্তীতে তিনি নিজেকে গুটিয়ে নেন। আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা অনেক কর্মকর্তা ‘পুরস্কার’ বলে মনে করেন। একজন অবসরপ্রাপ্ত এনবিআর কর্মকর্তা বলেন, “আন্দোলনে শেষ পর্যন্ত যাঁরা ছিলেন, তাঁরা এখন উপেক্ষিত। কিন্তু মাঝপথে যারা সরে গিয়েছিলেন, তারাই আজ পদোন্নতি পাচ্ছেন।” রাজস্ব প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এনবিআরের অভ্যন্তরে বর্তমানে কয়েকটি বলয় সক্রিয়। এর মধ্যে “বেলাল-মোয়াজ্জেম বলয়” নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। এই বলয়ের প্রভাব নীতিগত সিদ্ধান্ত, বদলি, এমনকি তদন্ত কার্যক্রমেও পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও কোনো সরকারি নথিতে বা তদন্তে এমন বলয়ের অস্তিত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। এনবিআরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, “এগুলো প্রশাসনিক গুজব মাত্র। প্রত্যেক সদস্যেরই কাজ করার একটি স্টাইল থাকে, কিন্তু তাতে প্রভাব বলয় গড়ে ওঠে—এমন বলা ঠিক নয়।” অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এনবিআরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা সবচেয়ে জরুরি। যদি কর্মকর্তা বদলি বা দায়িত্ব বণ্টন ব্যক্তিগত প্রভাবের ভিত্তিতে হয়, তবে রাজস্ব আহরণ ও নীতিগত সিদ্ধান্ত ঝুঁকিতে পড়তে পারে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ড. হুমায়ুন কবির বলেন, “রাজস্ব প্রশাসনে যাঁরা দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের সব সিদ্ধান্তই জনস্বার্থে হতে হবে। তাই কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠলে তা তদন্ত করে দেখা জরুরি।”

এনবিআরের জনসংযোগ উইংয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, “সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন তাঁর দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করছেন। যেকোনো অভিযোগ বা গুঞ্জন প্রশাসনিকভাবে যাচাই করে দেখা হবে।” এদিকে, নতুন প্রশাসনের কাজের ওপর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজস্ব আহরণ, বন্ড ব্যবস্থাপনা ও কাস্টমস সংস্কারে ব্যর্থতা রোধে অর্থ মন্ত্রণালয়ও এনবিআরের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছে। পদোন্নতি, সম্পর্ক, এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে সদস্য মো. মোয়াজ্জেম হোসেন এখন এনবিআরের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিত্বদের একজন। কেউ তাঁকে সংস্কারমুখী ও কৌশলী প্রশাসক হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন, “তিনি নতুন বলয়ের স্থপতি।” প্রভাব বলয় নাকি দক্ষ নেতৃত্ব-এই প্রশ্নের উত্তর এখন এনবিআরের আগামী কর্মকাণ্ডই নির্ধারণ করবে।