ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) -এর চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকারের একটি সামাজিক অনুষ্ঠানের ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মা
ধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, শীর্ষ ব্যাংক কর্মকর্তার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সরকারি দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত নানা বিতর্কিত দিকও উঠে এসেছে।
ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামাজিক ও সরকারি দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার অভাব প্রতিষ্ঠানটির প্রতি জনগণের আস্থা কমিয়ে দিতে পারে। “যদি ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণমূলক ও নৈতিক মানদণ্ডের বাইরে থাকে, তা সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ করতে বাধ্য,” মন্তব্য করেছেন একজন ব্যাংকিং বিশ্লেষক।
ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, শীর্ষ কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত জীবন কি সরকারি দায়িত্বের সাথে এতটা আলাদা রাখা সম্ভব? আবার কেউ শীর্ষ ব্যক্তিত্বের আচরণকে ব্যাংকের নৈতিক অবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত করার চেষ্টা করছেন।
তবে এই ঘটনার পরও বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণ সংস্থা থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীরবতা জনসাধারণের মধ্যে আরও প্রশ্ন ও সন্দেহ জন্মাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শীর্ষ ব্যাংক কর্মকর্তাদের আচরণ শুধুমাত্র ব্যক্তিগত বিষয় নয়; এটি পুরো ব্যাংকিং খাতের নৈতিকতা ও স্বচ্ছতার প্রতিচ্ছবি হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















