সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস দাদির ভিডিও বার্তা দেখে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস গঙ্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে জসীমউদ্দীন বাবুলের পথচলায় দোয়া ও সমর্থন–জনগণের সেবায় সফলতা কামনা লক্ষ্মীপুরের সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ: শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগে ভয়ংকর জালিয়াতির অভিযোগ ভোলাহাটে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ২০২৬ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত!  নবাগত শিশুকে স্বাগত জানিয়ে গাছ লাগাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরে নিখোঁজের তিনদিন পর কাশবন থেকে ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ভোলাহাটে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের মাঝে “সখিনা-কলিম” মেধা প্রণোদনা বৃত্তি প্রকল্প বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠিত ভোলাহাটে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধন!

রাজনীতি কিংবা দেশ বুঝি না : চঞ্চল চৌধুরী

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৭০ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ওপার বাংলার ছবিতে কাজ করছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ব্রাত্য বসুর পরিচালনায় ‘শিকড়’ নামের একটি ছবিতে অভিনয় করছেন তিনি। তবে এপার বাংলায় চঞ্চল চৌধুরীর লম্বা বিরতি কি রাজনৈতিক কারণে? এমন প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট জবাব দিলেন অভিনেতা। চঞ্চল চৌধুরী জানালেন, তিনি ‘রাজনীতি কিংবা দেশ’ বোঝেন না, তিনি বাংলা ছবির শিল্পী।

বোলপুরের ৩১ ডিগ্রি তাপমাত্রায়, কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে ঢিলে-ঢালা ফতুয়া আর একমুখ দাড়ি নিয়ে সাইকেলে চেপে ছুটে চলছেন চঞ্চল চৌধুরী। দৃশ্যত এই দৃশ্যটিই এখন কলকাতার গণমাধ্যমের আলোচনার কেন্দ্রে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি গল্পের সংমিশ্রণে তৈরি হচ্ছে ব্রাত্য বসুর আগামী ছবি ‘শিকড়’। এই ছবির শুটিং চলছে বোলপুরের মোহনপুরে।

ওপার বাংলার ছবিতে এত লম্বা বিরতির কারণ জানতে চাইলে ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি রাজনৈতিক গুঞ্জন সরাসরি উড়িয়ে দেন। চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘না। একটু লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন, এই বিরতিটা কিন্তু আমার কাছে খুব স্বাভাবিক। আমি কম ছবি করি। রাজনীতি কিংবা দেশ বুঝি না। আমরা বাংলা ছবির শিল্পী। সব দর্শকের জন্য ছবি তৈরি করি।’

তার কথায়, ‘এখানে কোনো বিভাজন নেই। সারা পৃথিবীর বাংলা ছবির দর্শকদের জন্য ছবি তৈরি হয়। আমার মনে হয় না সেখানে রাজনীতির কোনো ঠাঁই আছে। এপার বাংলায় কাজের কথা চলছে। ওপার বাংলায়ও বেশ কিছু কাজ পাইপলাইনে রয়েছে। সিরিজ ও সিনেমা, দুই-ই।’

ছবিতে রাজি হওয়ার বিশেষ কারণও জানান চঞ্চল। তার কাছে গ্রাম বরাবরই টানে। বলেন, ‘বর্তমানে ঢাকায় থাকলেও আমি তো আসলে গ্রামেরই ছেলে। যখন ছবিতে মেঠো পথ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছি, কত পুরোনো ছবি মনে ভেসে উঠছে। এই ছবি করতে গিয়ে আমি বারবার পিছন ফিরে তাকিয়েছি।’

এছাড়া ছবিতে বাবা-ছেলের এক সুন্দর সম্পর্ক তুলে ধরা হবে। চঞ্চল চৌধুরী জানিয়েছেন, তার চরিত্রের সঙ্গে তার ব্যক্তিজীবনের বহু মিল রয়েছে। কারণ এই চরিত্রে তার বাবা ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত। যিনি সমস্ত কিছু ভুলে যান। চঞ্চল চৌধুরীর বাবাও জীবনের শেষদিকে একই রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস

রাজনীতি কিংবা দেশ বুঝি না : চঞ্চল চৌধুরী

আপডেট সময় ১১:৩৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ওপার বাংলার ছবিতে কাজ করছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ব্রাত্য বসুর পরিচালনায় ‘শিকড়’ নামের একটি ছবিতে অভিনয় করছেন তিনি। তবে এপার বাংলায় চঞ্চল চৌধুরীর লম্বা বিরতি কি রাজনৈতিক কারণে? এমন প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট জবাব দিলেন অভিনেতা। চঞ্চল চৌধুরী জানালেন, তিনি ‘রাজনীতি কিংবা দেশ’ বোঝেন না, তিনি বাংলা ছবির শিল্পী।

বোলপুরের ৩১ ডিগ্রি তাপমাত্রায়, কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে ঢিলে-ঢালা ফতুয়া আর একমুখ দাড়ি নিয়ে সাইকেলে চেপে ছুটে চলছেন চঞ্চল চৌধুরী। দৃশ্যত এই দৃশ্যটিই এখন কলকাতার গণমাধ্যমের আলোচনার কেন্দ্রে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি গল্পের সংমিশ্রণে তৈরি হচ্ছে ব্রাত্য বসুর আগামী ছবি ‘শিকড়’। এই ছবির শুটিং চলছে বোলপুরের মোহনপুরে।

ওপার বাংলার ছবিতে এত লম্বা বিরতির কারণ জানতে চাইলে ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি রাজনৈতিক গুঞ্জন সরাসরি উড়িয়ে দেন। চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘না। একটু লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন, এই বিরতিটা কিন্তু আমার কাছে খুব স্বাভাবিক। আমি কম ছবি করি। রাজনীতি কিংবা দেশ বুঝি না। আমরা বাংলা ছবির শিল্পী। সব দর্শকের জন্য ছবি তৈরি করি।’

তার কথায়, ‘এখানে কোনো বিভাজন নেই। সারা পৃথিবীর বাংলা ছবির দর্শকদের জন্য ছবি তৈরি হয়। আমার মনে হয় না সেখানে রাজনীতির কোনো ঠাঁই আছে। এপার বাংলায় কাজের কথা চলছে। ওপার বাংলায়ও বেশ কিছু কাজ পাইপলাইনে রয়েছে। সিরিজ ও সিনেমা, দুই-ই।’

ছবিতে রাজি হওয়ার বিশেষ কারণও জানান চঞ্চল। তার কাছে গ্রাম বরাবরই টানে। বলেন, ‘বর্তমানে ঢাকায় থাকলেও আমি তো আসলে গ্রামেরই ছেলে। যখন ছবিতে মেঠো পথ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছি, কত পুরোনো ছবি মনে ভেসে উঠছে। এই ছবি করতে গিয়ে আমি বারবার পিছন ফিরে তাকিয়েছি।’

এছাড়া ছবিতে বাবা-ছেলের এক সুন্দর সম্পর্ক তুলে ধরা হবে। চঞ্চল চৌধুরী জানিয়েছেন, তার চরিত্রের সঙ্গে তার ব্যক্তিজীবনের বহু মিল রয়েছে। কারণ এই চরিত্রে তার বাবা ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত। যিনি সমস্ত কিছু ভুলে যান। চঞ্চল চৌধুরীর বাবাও জীবনের শেষদিকে একই রোগে আক্রান্ত ছিলেন।