সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৮ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি টিকিয়ে রাখতে সময়োপযোগী সংস্কার দরকার। চলতি অর্থবছর মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কিছুটা বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে। গত অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন হলো ৪ শতাংশ। এছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ হবে।

মঙ্গলবার (০৭ অক্টোবর) সংস্থাটির ঢাকা অফিসে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি টিকিয়ে রাখতে সময়োপযোগী সংস্কার দরকার। চলতি অর্থ বছরের প্রথমার্ধের বিপর্যয়ের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি এসেছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ মধ্যমেয়াদে প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে স্থায়ী প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান (বিশেষত তরুণ ও নারীদের জন্য) নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সময়োপযোগী ও কার্যকর সংস্কার। তবে বাইরের চাপ ও আর্থিক ঝুঁকি রয়ে গেছে। বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু হলেও বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে। খাদ্য ও জ্বালানির মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও আর্থিক ঘাটতি বেড়েছে এবং কর রাজস্ব দুর্বল রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে এবং শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ ৬৯ শতাংশ থেকে কমে ৫৮.৯ শতাংশে নেমেছে। নতুন কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রায় ২৪ লাখ নারী শ্রমবাজারের বাইরে রয়েছেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর নিযুক্ত জ্যঁ পেম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তবে এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সংস্কার জরুরি। রাজস্ব বৃদ্ধি, জ্বালানি ভর্তুকি হ্রাস, নগরায়ন ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করার পাশাপাশি আরও বেশি ও ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৮ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ০১:০০:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি টিকিয়ে রাখতে সময়োপযোগী সংস্কার দরকার। চলতি অর্থবছর মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কিছুটা বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে। গত অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন হলো ৪ শতাংশ। এছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ হবে।

মঙ্গলবার (০৭ অক্টোবর) সংস্থাটির ঢাকা অফিসে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি টিকিয়ে রাখতে সময়োপযোগী সংস্কার দরকার। চলতি অর্থ বছরের প্রথমার্ধের বিপর্যয়ের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি এসেছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ মধ্যমেয়াদে প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে স্থায়ী প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান (বিশেষত তরুণ ও নারীদের জন্য) নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সময়োপযোগী ও কার্যকর সংস্কার। তবে বাইরের চাপ ও আর্থিক ঝুঁকি রয়ে গেছে। বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু হলেও বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে। খাদ্য ও জ্বালানির মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও আর্থিক ঘাটতি বেড়েছে এবং কর রাজস্ব দুর্বল রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে এবং শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ ৬৯ শতাংশ থেকে কমে ৫৮.৯ শতাংশে নেমেছে। নতুন কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রায় ২৪ লাখ নারী শ্রমবাজারের বাইরে রয়েছেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর নিযুক্ত জ্যঁ পেম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তবে এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সংস্কার জরুরি। রাজস্ব বৃদ্ধি, জ্বালানি ভর্তুকি হ্রাস, নগরায়ন ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করার পাশাপাশি আরও বেশি ও ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।