ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
২২০ কোটি খরচে মানুষ থেকে কুকুর, সামনে এল আসল ঘটনা! নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন উপলক্ষে কনসার্ট  আত্রাইয়ে মাদক সেবনের ছবি ফেসবুকে পোস্ট, মাদকসেবীর ২ মাসের কারাদণ্ড বর্ণাঢ্য আয়োজনে অংকনশালা ও শিল্পচর্চা কেন্দ্রের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গ্রেনেড বাবুর বিরুদ্ধে বহিষ্কারের রুল: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চাঞ্চল্য ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী
দুদকের মামলা

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ১১৫৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, আসামি ৩১ জন

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর নামে চুক্তি ভঙ্গ ও অনিয়মের মাধ্যমে পাঁচগুণ অর্থ বা ১১৫৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৩টি ওভারসিজ কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালকসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ১৩টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, আসামিরা বায়রার বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকালে সিন্ডিকেট করে রেজিস্ট্রেশনের শর্ত ভঙ্গ করেন। সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে ৫ গুণ বেশি অর্থ নিয়ে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানো হয়। তারা অবৈধভাবে সংগৃহীত অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তর ও পাচার করেছেন। এতে কর্মীরা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০(বি), ১৬১, ১৬২, ১৬৩, ১৬৪, ১৬৫(ক), ৪২০ ও ৪০৯ ধারায় এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

এর আগে গত ১২ মার্চ মালয়েশিয়ায় মানবপাচারে ১১২৮ কোটি ৬১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও তার পরিবার, সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদউদ্দিন চৌধুরী এবং সাবেক সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদের প্রতিষ্ঠানসহ ১২টি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

সেখানে ওভারসিজ কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালকসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১২৮ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ১২ পৃথক মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আজকের মামলা মিলে মোট ২৫টি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে। যার মধ্যে আসামি ৬৪ জন ও মোট আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ২৮৮ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২২০ কোটি খরচে মানুষ থেকে কুকুর, সামনে এল আসল ঘটনা!

দুদকের মামলা

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ১১৫৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, আসামি ৩১ জন

আপডেট সময় ০৪:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর নামে চুক্তি ভঙ্গ ও অনিয়মের মাধ্যমে পাঁচগুণ অর্থ বা ১১৫৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৩টি ওভারসিজ কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালকসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ১৩টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, আসামিরা বায়রার বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকালে সিন্ডিকেট করে রেজিস্ট্রেশনের শর্ত ভঙ্গ করেন। সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে ৫ গুণ বেশি অর্থ নিয়ে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানো হয়। তারা অবৈধভাবে সংগৃহীত অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তর ও পাচার করেছেন। এতে কর্মীরা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০(বি), ১৬১, ১৬২, ১৬৩, ১৬৪, ১৬৫(ক), ৪২০ ও ৪০৯ ধারায় এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

এর আগে গত ১২ মার্চ মালয়েশিয়ায় মানবপাচারে ১১২৮ কোটি ৬১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও তার পরিবার, সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদউদ্দিন চৌধুরী এবং সাবেক সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদের প্রতিষ্ঠানসহ ১২টি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

সেখানে ওভারসিজ কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালকসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১২৮ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ১২ পৃথক মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আজকের মামলা মিলে মোট ২৫টি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে। যার মধ্যে আসামি ৬৪ জন ও মোট আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ২৮৮ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা।