সংবাদ শিরোনাম ::
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনিক্যাল ত্রুটি ও কয়লা সংকটে ৩০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ঝালকাঠিতে পৌর কবরস্থান-৫ এর উদ্বোধন বাজেট নয়, এটি প্রচারণার দলিল এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর জুড়ী-বড়লেখা সফর, ১১ দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ও দাফনে অংশ নেবে ২ কোটি মানুষ এআই প্রযুক্তির পোষ্টার প্রদর্শনী ৩১ দফা বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের ২১ কর্মকর্তাকে বদলি মৌলভীবাজার সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা,কঠোর অবস্থানে বিজিবি নওগাঁয় এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে বিজয় দিবস উদযাপিত

নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাই কমিশন যথাযোগ্য মর্যাদায় ৫২তম মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি ঘিরে ভারতের নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে ছিল ব্যাপক উৎসব আয়োজন।

দিবসটি পালন উপলক্ষে সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে শুরুতেই হাই কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময়ে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্নারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে হাই কমিশনারের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। দূতাবাস কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দিল্লীতে কর্মরত বাংলাদেশ বিমানের কর্মকর্তারা এবং ভারতের চন্ডিগড় বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

পরে দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু হল মিলনায়তনে হাই কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠানো বাণী পাঠ করে শোনান দূতাবাসের মিনিস্টার (বাণিজ্য) ড. এ কে এম আতিকুল হক, দূতাবাসের পররাষ্ট্র বিষয়ক সহকারী উপদেষ্টা এস এম রাগিব সামাদ। এছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন মিনিস্টার (কনস্যুলার) সেলিম মো. জাহাঙ্গীর।

হাই কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, জাতি হিসেবে আমরা সৌভাগ্যবান কারণ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো কালজয়ী নেতা মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রামে নেতৃত্বে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যাচ্ছি। মহান বিজয় দিবসের চেতনাকে ধারণ করে আমরা স্বাধীনতার পরাজিত শক্তির সব চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে আমরা আশাবাদী।

পরে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে নিহত সব শহীদ ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের আত্মার শান্তি ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিত অনুষ্ঠানে হাই কমিশনার বক্তব্য রাখেন। এতে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন ভারতের প্রখ্যাত সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে বিজয় দিবস উদযাপিত

আপডেট সময় ১২:০৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২২

নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাই কমিশন যথাযোগ্য মর্যাদায় ৫২তম মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি ঘিরে ভারতের নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে ছিল ব্যাপক উৎসব আয়োজন।

দিবসটি পালন উপলক্ষে সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে শুরুতেই হাই কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময়ে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্নারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে হাই কমিশনারের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। দূতাবাস কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দিল্লীতে কর্মরত বাংলাদেশ বিমানের কর্মকর্তারা এবং ভারতের চন্ডিগড় বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

পরে দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু হল মিলনায়তনে হাই কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠানো বাণী পাঠ করে শোনান দূতাবাসের মিনিস্টার (বাণিজ্য) ড. এ কে এম আতিকুল হক, দূতাবাসের পররাষ্ট্র বিষয়ক সহকারী উপদেষ্টা এস এম রাগিব সামাদ। এছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন মিনিস্টার (কনস্যুলার) সেলিম মো. জাহাঙ্গীর।

হাই কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, জাতি হিসেবে আমরা সৌভাগ্যবান কারণ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো কালজয়ী নেতা মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রামে নেতৃত্বে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যাচ্ছি। মহান বিজয় দিবসের চেতনাকে ধারণ করে আমরা স্বাধীনতার পরাজিত শক্তির সব চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে আমরা আশাবাদী।

পরে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে নিহত সব শহীদ ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের আত্মার শান্তি ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিত অনুষ্ঠানে হাই কমিশনার বক্তব্য রাখেন। এতে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন ভারতের প্রখ্যাত সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ।