ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ অবদান রাখায় নিসচা বিশেষ সম্মাননা পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী কচুয়ায় দেড় কিলোমিটার সড়ক বেহাল: ঝুঁকিতে ২৫০ শিক্ষার্থী, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ রাষ্ট্রপতি পদে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করল বিএনপি সোমবার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী গোপালগঞ্জে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা  নগর গুলিস্তান স্টপওভার বাস-মিনিবাস টার্মিনাল শ্রমিক পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গাজায় ধসে পড়া ভবনের নিচ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার দাম বাড়ানোর পর দেশে আজ সোনার ভরি কত?
আইয়ুব বাচ্চু

গিটারের জাদুকরকে স্মরণ করার দিন আজ

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৭৪২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের ইতিহাসে যেসব কিংবদন্তি শিল্পীদের নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে, তাদের একজন আইয়ুব বাচ্চু। আজ, ১৬ আগস্ট; ১৯৬২ সালের এই দিনে চট্টগ্রামে জন্ম নেন গিটারের জাদুকর খ্যাত এই শিল্পী। কিন্তু ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হঠাৎ ভক্তদের কাঁদিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে। বেঁচে থাকলে ৬৩ বছরে পা রাখতেন এই রকস্টার।
বাংলাদেশে ব্যান্ডসংগীতকে জনপ্রিয় ও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে যে আইয়ুব বাচ্চু অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, তা অনস্বীকার্য। ব্যান্ড ‘এলআরবি’ প্রতিষ্ঠা করে তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান; তার হাত ধরেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যান্ডসংগীত এক নতুন মাত্রা পেয়েছিল।

আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠে গাওয়া ‘ফেরারি মন’, ‘চলো বদলে যাই’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘রূপালী গিটার’, ‘আমি বারো মাস তোমায় ভালোবাসি’— এই গানগুলো যেন ‘চিরসবুজ’ হিসেবে পরিণত হয়েছে; যা চলছে কয়েক প্রজন্ম ধরেই।
ব্যান্ডসংগীতের পাশাপাশি একক ক্যারিয়ারেও তিনি পেয়েছিলেন আকাশছোঁয়া সাফল্য। তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘রক্তগোলাপ’ এবং দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘ময়না’ দিয়ে শুরু হয় সেই যাত্রা। এরপর এলআরবি ১৯৯২ সালে প্রকাশ করে দেশের প্রথম ডাবল অ্যালবাম ‘এলআরবি ১’ এবং ‘এলআরবি ২’। আর ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত ‘সুখ’ অ্যালবাম হয়ে ওঠে সর্বকালের অন্যতম সফল অ্যালবাম।
শুধু ব্যান্ডসংগীতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি আইয়ুব বাচ্চু। আধুনিক গান, লোকগীতি কিংবা চলচ্চিত্রের গান— সবখানেই রেখেছেন নিজের স্বাক্ষর। ছিলেন একাধারে গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক।

তারকা খ্যাতির শীর্ষে থেকেও আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন সাধারণের নাগালের মধ্যে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি চেয়েছিলেন একজন ‘ভালো মানুষ’ হয়ে বাঁচতে। তাই তার মৃত্যুর পর শুধু সংগীতাঙ্গন নয়, কেঁদেছিল পুরো জাতি। অনুরাগীদের কাছে তিনি শুধু একজন সংগীতশিল্পী নন, ছিলেন এক যাদুকর, যিনি গিটারের তারে বুনে দিতেন জীবনের গল্প।

আজ হাজারো ভক্ত-অনুরাগী নানাভাবে স্মরণ করছেন এই গিটার জাদুকরকে। তিনি না থাকলেও তার রেখে যাওয়া সুর, গান আর রূপালী গিটার আজও হয়ে উঠেছে কয়েক প্রজন্মের অনুপ্রেরণা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ অবদান রাখায় নিসচা বিশেষ সম্মাননা পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল

আইয়ুব বাচ্চু

গিটারের জাদুকরকে স্মরণ করার দিন আজ

আপডেট সময় ০৩:১২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের ইতিহাসে যেসব কিংবদন্তি শিল্পীদের নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে, তাদের একজন আইয়ুব বাচ্চু। আজ, ১৬ আগস্ট; ১৯৬২ সালের এই দিনে চট্টগ্রামে জন্ম নেন গিটারের জাদুকর খ্যাত এই শিল্পী। কিন্তু ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হঠাৎ ভক্তদের কাঁদিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে। বেঁচে থাকলে ৬৩ বছরে পা রাখতেন এই রকস্টার।
বাংলাদেশে ব্যান্ডসংগীতকে জনপ্রিয় ও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে যে আইয়ুব বাচ্চু অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, তা অনস্বীকার্য। ব্যান্ড ‘এলআরবি’ প্রতিষ্ঠা করে তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান; তার হাত ধরেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যান্ডসংগীত এক নতুন মাত্রা পেয়েছিল।

আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠে গাওয়া ‘ফেরারি মন’, ‘চলো বদলে যাই’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘রূপালী গিটার’, ‘আমি বারো মাস তোমায় ভালোবাসি’— এই গানগুলো যেন ‘চিরসবুজ’ হিসেবে পরিণত হয়েছে; যা চলছে কয়েক প্রজন্ম ধরেই।
ব্যান্ডসংগীতের পাশাপাশি একক ক্যারিয়ারেও তিনি পেয়েছিলেন আকাশছোঁয়া সাফল্য। তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘রক্তগোলাপ’ এবং দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘ময়না’ দিয়ে শুরু হয় সেই যাত্রা। এরপর এলআরবি ১৯৯২ সালে প্রকাশ করে দেশের প্রথম ডাবল অ্যালবাম ‘এলআরবি ১’ এবং ‘এলআরবি ২’। আর ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত ‘সুখ’ অ্যালবাম হয়ে ওঠে সর্বকালের অন্যতম সফল অ্যালবাম।
শুধু ব্যান্ডসংগীতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি আইয়ুব বাচ্চু। আধুনিক গান, লোকগীতি কিংবা চলচ্চিত্রের গান— সবখানেই রেখেছেন নিজের স্বাক্ষর। ছিলেন একাধারে গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক।

তারকা খ্যাতির শীর্ষে থেকেও আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন সাধারণের নাগালের মধ্যে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি চেয়েছিলেন একজন ‘ভালো মানুষ’ হয়ে বাঁচতে। তাই তার মৃত্যুর পর শুধু সংগীতাঙ্গন নয়, কেঁদেছিল পুরো জাতি। অনুরাগীদের কাছে তিনি শুধু একজন সংগীতশিল্পী নন, ছিলেন এক যাদুকর, যিনি গিটারের তারে বুনে দিতেন জীবনের গল্প।

আজ হাজারো ভক্ত-অনুরাগী নানাভাবে স্মরণ করছেন এই গিটার জাদুকরকে। তিনি না থাকলেও তার রেখে যাওয়া সুর, গান আর রূপালী গিটার আজও হয়ে উঠেছে কয়েক প্রজন্মের অনুপ্রেরণা।