ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে প্রতিটি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হবে : আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান প্রস্তাব হাসনাতের বরগুনায় নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে নদীর স্রোতে নিখোঁজ দশম শ্রেণির ছাত্রী জুই র‍্যালি ও পুরস্কার বিতরণে দৌলতখানে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপিত আত্রাইয়ে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে নদীতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু রাজৈরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৬ পালিত মুরাদনগরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্বোধন পাবনাকে সংযুক্ত করে ওয়াই সিস্টেম ব্রিজ হতে যাচ্ছে : শিমুল বিশ্বাস কমলনগরে মাদক বিরোধী সমাবেশ সিলেট গ্যাস ফিল্ডসে বেতন ৩৬ লাখ, ওভারটাইমও ৩৬ লাখ

আমি নিজের ইচ্ছা জনতার ওপর চাপিয়ে দিই না, তাদের ইচ্ছা কি দেখি : ড. ইউনূস

সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বার্নামাকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

বার্তাসংস্থাটি শনিবার (১৬ আগস্ট) সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ প্রকাশ করেছে। এতে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়া, সংস্কারের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে করা তার মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

ড. ইউনূস বলেন, “আমি নই, এটা হলো সাধারণ মানুষ যারা পরিবর্তন চায়। তারা যেভাবে পরিবর্তন চায় আমি তাদের সেভাবে শুধুমাত্র সাহায্য করছি।”
এছাড়া নিজের কোনো ইচ্ছা সাধারণ জনতার ওপর চাপিয়ে দেন না বলেও জানান তিনি। প্রফেসর ইউনূস বলেন, “আমি নিজের কোনো কিছু চাপিয়ে দেই না। আমি সাধারণ মানুষের ইচ্ছা কি সেটি দেখার জন্য অপেক্ষা করি। তখন আমি এটি হতে সাহায্য করি।”

নিজেকে নেতা নয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টার একজন তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে মনে করেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তবে গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে সেটি স্বীকার করেছেন তিনি।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, “অনেক সমস্যা রয়েছে। অনেকে এ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। বাংলাদেশ থেকে যে রাজনৈতিক উপাদান উৎখাত হয়েছে, সেগুলো পুরো ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।”

স্বৈরাচারী শাসন ও ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশে অনেকে ১০-১৫ বছর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। কিন্তু এবার সেই সুযোগ আসবে। সবাই তাদের নিজস্ব ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে তিনি বলেন, “কল্পনা করুন, ১৮ বছর বয়স, ভোট দেওয়ার জন্য উদ্দীপ্ত। কিন্তু আপনার ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ আসেনি, কারণ এমন কোনো নির্বাচন কখনো হয়নি। তারা গত ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ভোট দেবে।”

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে প্রতিটি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হবে : আইনমন্ত্রী

আমি নিজের ইচ্ছা জনতার ওপর চাপিয়ে দিই না, তাদের ইচ্ছা কি দেখি : ড. ইউনূস

আপডেট সময় ১২:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বার্নামাকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

বার্তাসংস্থাটি শনিবার (১৬ আগস্ট) সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ প্রকাশ করেছে। এতে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়া, সংস্কারের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে করা তার মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

ড. ইউনূস বলেন, “আমি নই, এটা হলো সাধারণ মানুষ যারা পরিবর্তন চায়। তারা যেভাবে পরিবর্তন চায় আমি তাদের সেভাবে শুধুমাত্র সাহায্য করছি।”
এছাড়া নিজের কোনো ইচ্ছা সাধারণ জনতার ওপর চাপিয়ে দেন না বলেও জানান তিনি। প্রফেসর ইউনূস বলেন, “আমি নিজের কোনো কিছু চাপিয়ে দেই না। আমি সাধারণ মানুষের ইচ্ছা কি সেটি দেখার জন্য অপেক্ষা করি। তখন আমি এটি হতে সাহায্য করি।”

নিজেকে নেতা নয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টার একজন তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে মনে করেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তবে গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে সেটি স্বীকার করেছেন তিনি।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, “অনেক সমস্যা রয়েছে। অনেকে এ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। বাংলাদেশ থেকে যে রাজনৈতিক উপাদান উৎখাত হয়েছে, সেগুলো পুরো ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।”

স্বৈরাচারী শাসন ও ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশে অনেকে ১০-১৫ বছর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। কিন্তু এবার সেই সুযোগ আসবে। সবাই তাদের নিজস্ব ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে তিনি বলেন, “কল্পনা করুন, ১৮ বছর বয়স, ভোট দেওয়ার জন্য উদ্দীপ্ত। কিন্তু আপনার ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ আসেনি, কারণ এমন কোনো নির্বাচন কখনো হয়নি। তারা গত ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ভোট দেবে।”