সংবাদ শিরোনাম ::
বিধি ভেঙে আরএমও পদায়ন, ‘এম উদ্দিন’ ছদ্মনামে টেস্ট সিন্ডিকেটের অভিযোগ ইডকলে এনামুলের বিরুদ্ধে লুটপাটের রাজত্বের অভিযোগ সওজ কর্মকর্তা শাহনুর রশিদ এখন শতকোটি টাকার মালিক জালিয়াতি করে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ বাশার-মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দুই মাসে ৫০০ কোটি টাকা মুনাফা টিকে গ্রুপের দেশের ৯ অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা ববিতে লাগামহীন লোডশেডিংয়ে তীব্র ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা- ব্যহত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম  বড়লেখার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে ভারতীয় দুটি এয়ারগান জব্দ বাঘায় বিদ্যুত স্পৃষ্টে যুবক নিহত

জুলাইয়ে বাড়ল মূল্যস্ফীতি

জুলাই মাসে খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত দুই খাতেই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। আগের মাস জুনে কিছুটা কম ছিল। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষে প্রতিবেদন এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলছে, অর্থবছরের প্রথম মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়েছে, জুন মাসে যা ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ ছিল।

পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতির মানে হল, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা চলতি বছরের এপ্রিল কিনতে খরচ করতে হয়েছে ১০৮ টাকা ৪৮ পয়সা।

গত বছর জুলাই মাসে আন্দোলনের ধাক্কায় সার্বিক মূল্যস্ফীতি উঠেছিল ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে। জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পরের কয়েক মাস সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৯ ও ১০ শতাংশের মধ্যেই ওঠানামা করছিল।

এ বছর মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০৫ শতাংশে নেমে আসার তথ্য দেয় বিবিএস। জুনে তা আরও কমে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ হয়, যা ছিল ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
কিন্তু এক মাস বাদে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এ সূচক আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। অথচ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে ধরে রাখার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। সেই লক্ষ্য পূরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদের উচ্চ হার ধরে রেখেছে।

বিবিএসের সবশেষ তথ্য বলছে, খাদ্য খাতের মূল্যস্ফীতি জুন মাসের ৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে বেড়ে জুলাই মাসে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ হয়েছে।
জুন মাসে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ। জুলাই মাসে তা বেড়ে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
জুলাই মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়েছে, যা জুনে ৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ ছিল।
আর শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জুনের ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ থেকে বেড়ে জুলাই মাসে হয়েছে ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিধি ভেঙে আরএমও পদায়ন, ‘এম উদ্দিন’ ছদ্মনামে টেস্ট সিন্ডিকেটের অভিযোগ

জুলাইয়ে বাড়ল মূল্যস্ফীতি

আপডেট সময় ০৬:০১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

জুলাই মাসে খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত দুই খাতেই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। আগের মাস জুনে কিছুটা কম ছিল। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষে প্রতিবেদন এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলছে, অর্থবছরের প্রথম মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়েছে, জুন মাসে যা ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ ছিল।

পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতির মানে হল, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা চলতি বছরের এপ্রিল কিনতে খরচ করতে হয়েছে ১০৮ টাকা ৪৮ পয়সা।

গত বছর জুলাই মাসে আন্দোলনের ধাক্কায় সার্বিক মূল্যস্ফীতি উঠেছিল ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে। জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পরের কয়েক মাস সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৯ ও ১০ শতাংশের মধ্যেই ওঠানামা করছিল।

এ বছর মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০৫ শতাংশে নেমে আসার তথ্য দেয় বিবিএস। জুনে তা আরও কমে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ হয়, যা ছিল ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
কিন্তু এক মাস বাদে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এ সূচক আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। অথচ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে ধরে রাখার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। সেই লক্ষ্য পূরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদের উচ্চ হার ধরে রেখেছে।

বিবিএসের সবশেষ তথ্য বলছে, খাদ্য খাতের মূল্যস্ফীতি জুন মাসের ৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে বেড়ে জুলাই মাসে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ হয়েছে।
জুন মাসে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ। জুলাই মাসে তা বেড়ে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
জুলাই মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়েছে, যা জুনে ৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ ছিল।
আর শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জুনের ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ থেকে বেড়ে জুলাই মাসে হয়েছে ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।