সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের প্রলোভনে ফাঁদ, ‘অতিথি ডটকম’-এর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল করে সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস ফরিদপুরে ফ্যাসিস্ট শ্রমিক লীগ নেতা হাকিম কে গ্রেফতার ও তাঁর  দুর্নীতির তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জুড়ী ও বড়লেখায় প্রতিটি ইউনিয়নে হচ্ছে খেলার মাঠ!  ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে রাজিব দাশ সওজে টেন্ডার বাণিজ্যের ‘গডফাদার’ মনিরুজ্জামান মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আউটলেট, ১০৮ হটস্পট চিহ্নিত : মির্জা ফখরুল ডেপুটি রেঞ্জার আবু সুফিয়ানের লোভনীয় পোস্টিং, রাঙ্গামাটিতে ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে বহাল ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখা-৫ এর কর্মচারী মিজানের বিপুল অবৈধ সম্পদের পাহাড়

সংখ্যানুপাতিক হারে ভোটের নামে দেশে জগাখিচুড়ি চলছে : মির্জা ফখরুল

সংখ্যানুপাতিক হারে ভোটের নামে দেশে জগাখিচুড়ি চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে ‘ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার পতন ও জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে বর্ষপূর্তি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচনের দাবির প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন একটা জগাখিচুড়ি ঘটনা চলছে। কিছু কিছু লোক, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল তারা বিভিন্ন রকম কথা বলতে শুরু করেছেন এবং যে বিষয়গুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্কই নেই।’

তিনি বলেন, ‘যেমন জোর গলায় বলছে যে, সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচন। অর্থাৎ আনুপাতিক হারে (পিআর পদ্ধতির) নির্বাচন। আমাদের সাধারণ মানুষ তো বুঝেই না যে, আনুপাতিক হারে নির্বাচনটা কী? তারা (জনগণ) জানে যে, একজন প্রার্থী দেবে পার্টি, সেই প্রার্থীর যেই মার্কাই হোক ধানের শীষ অথবা দাঁড়িপাল্লা অথবা কলাপাতা; যাই হোক সেখানে গিয়ে সে ভোট দেবে, ভোট দিয়ে নির্বাচন করবে। এখন ওনারা বলতে শুরু করেছেন আনুপাতিক হারে নির্বাচন হবে।’

আনুপাতিকটা কী জিনিস উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করেন তারা বলতে পারবে না। আমরা যারা রাজনীতি করি কিছুটা বোঝার চেষ্টা করি তাতে করে ভোট হবে, জনগণ ভোট দেবে… যে দলটি সবচেয়ে বেশি ভোট পাবে তারা তাদের নমিনেশন দেবে পার্লামেন্টে যাওয়ার জন্য। আমরা এই কারণেই বলেছি যে, নিম্নকক্ষের যে পার্লামেন্ট সেই পার্লামেন্টে আমরা আনুপাতিক হারে নির্বাচনের কথা চিন্তা করি না।
‘নির্বাচন বিএনপি কেন চায়?’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি শুধু নির্বাচন চায়। নির্বাচন কেন চায় সে দিকটা কেউ ভালো করে চিন্তা করার অবকাশ পায় না। নির্বাচন না হলে আমি প্রতিনিধি নির্বাচন করবো কী করে? আর প্রতিনিধি নির্বাচিত না হলে সে পার্লামেন্টে যাবে কী করে? আর পার্লামেন্টে না গেলে জনগণের শাসনটা প্রতিষ্ঠিত হবে কোত্থেকে?’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, কয়েকজন ব্যক্তিকে দেশ-বিদেশ থেকে ভাড়া করে নিয়ে এসে কী দেশ চালানো যায়? যায় না। এই যে সহজ সরল কথা আমাদেরকে উপলব্ধি করতে হবে।

‘নেগেটিভ ব্যুরোক্রেসি বদলাতে হবে’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের যে আমলাতন্ত্র এই আমলাতন্ত্র, এটা আমাদের উন্নয়নের পথে একটা বড় বাধা…ইটস এ নেগেটিভ ব্যুরোক্রেসি। এই নেগেটিভ ব্যুরোক্রেসিকে পজেটিভ ব্যুরোক্রেসি করতে হলে তার জন্য যা যা করা দরকার, অর্থাৎ মূল কাজ হচ্ছে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সেই বিষয়গুলো করতে হবে।’

তিনি বলেন, অর্থাৎ রাজনৈতিক দলগুলোর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কাছে চলে যাওয়া…জনগণের কাছ থেকে তাদের কী প্রয়োজন তাদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সেটাকে নিয়ে এসে দেশ পরিচালনা করার ব্যবস্থা করা।

অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় জিয়া পরিষদের অধ্যাপক এমতাজ হোসেন, অধ্যাপক মজিবুর রহমান হাওলাদার, আবদুল্লাহ হিল মাসুদ, খন্দোকার শফিকুল হাসান, আলী নূর রহমান, এম জাহীর আলী, মনোয়ার হোসেন এনাম, রুহুল আলম বক্তব্য রাখেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের প্রলোভনে ফাঁদ, ‘অতিথি ডটকম’-এর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ

সংখ্যানুপাতিক হারে ভোটের নামে দেশে জগাখিচুড়ি চলছে : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৮:০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

সংখ্যানুপাতিক হারে ভোটের নামে দেশে জগাখিচুড়ি চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে ‘ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার পতন ও জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে বর্ষপূর্তি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচনের দাবির প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন একটা জগাখিচুড়ি ঘটনা চলছে। কিছু কিছু লোক, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল তারা বিভিন্ন রকম কথা বলতে শুরু করেছেন এবং যে বিষয়গুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্কই নেই।’

তিনি বলেন, ‘যেমন জোর গলায় বলছে যে, সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচন। অর্থাৎ আনুপাতিক হারে (পিআর পদ্ধতির) নির্বাচন। আমাদের সাধারণ মানুষ তো বুঝেই না যে, আনুপাতিক হারে নির্বাচনটা কী? তারা (জনগণ) জানে যে, একজন প্রার্থী দেবে পার্টি, সেই প্রার্থীর যেই মার্কাই হোক ধানের শীষ অথবা দাঁড়িপাল্লা অথবা কলাপাতা; যাই হোক সেখানে গিয়ে সে ভোট দেবে, ভোট দিয়ে নির্বাচন করবে। এখন ওনারা বলতে শুরু করেছেন আনুপাতিক হারে নির্বাচন হবে।’

আনুপাতিকটা কী জিনিস উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করেন তারা বলতে পারবে না। আমরা যারা রাজনীতি করি কিছুটা বোঝার চেষ্টা করি তাতে করে ভোট হবে, জনগণ ভোট দেবে… যে দলটি সবচেয়ে বেশি ভোট পাবে তারা তাদের নমিনেশন দেবে পার্লামেন্টে যাওয়ার জন্য। আমরা এই কারণেই বলেছি যে, নিম্নকক্ষের যে পার্লামেন্ট সেই পার্লামেন্টে আমরা আনুপাতিক হারে নির্বাচনের কথা চিন্তা করি না।
‘নির্বাচন বিএনপি কেন চায়?’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি শুধু নির্বাচন চায়। নির্বাচন কেন চায় সে দিকটা কেউ ভালো করে চিন্তা করার অবকাশ পায় না। নির্বাচন না হলে আমি প্রতিনিধি নির্বাচন করবো কী করে? আর প্রতিনিধি নির্বাচিত না হলে সে পার্লামেন্টে যাবে কী করে? আর পার্লামেন্টে না গেলে জনগণের শাসনটা প্রতিষ্ঠিত হবে কোত্থেকে?’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, কয়েকজন ব্যক্তিকে দেশ-বিদেশ থেকে ভাড়া করে নিয়ে এসে কী দেশ চালানো যায়? যায় না। এই যে সহজ সরল কথা আমাদেরকে উপলব্ধি করতে হবে।

‘নেগেটিভ ব্যুরোক্রেসি বদলাতে হবে’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের যে আমলাতন্ত্র এই আমলাতন্ত্র, এটা আমাদের উন্নয়নের পথে একটা বড় বাধা…ইটস এ নেগেটিভ ব্যুরোক্রেসি। এই নেগেটিভ ব্যুরোক্রেসিকে পজেটিভ ব্যুরোক্রেসি করতে হলে তার জন্য যা যা করা দরকার, অর্থাৎ মূল কাজ হচ্ছে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সেই বিষয়গুলো করতে হবে।’

তিনি বলেন, অর্থাৎ রাজনৈতিক দলগুলোর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কাছে চলে যাওয়া…জনগণের কাছ থেকে তাদের কী প্রয়োজন তাদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সেটাকে নিয়ে এসে দেশ পরিচালনা করার ব্যবস্থা করা।

অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় জিয়া পরিষদের অধ্যাপক এমতাজ হোসেন, অধ্যাপক মজিবুর রহমান হাওলাদার, আবদুল্লাহ হিল মাসুদ, খন্দোকার শফিকুল হাসান, আলী নূর রহমান, এম জাহীর আলী, মনোয়ার হোসেন এনাম, রুহুল আলম বক্তব্য রাখেন।