সংবাদ শিরোনাম ::
বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক বেবিচকের শরিফুলের বিরুদ্ধে ত্রীমুখী তদন্ত ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু বাংলা টিভির এমডি সামাদুল হকের অপকর্ম কুমিল্লা বিমানবন্দর এলাকায় ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানের দাবীতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ  সম্পদের উৎস নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা কুমিল্লায় জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ঝিনাইগাতীতে র‍্যাবের অভিযানে ২৬০ পিস ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ভোলায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক; হত্যার অভিযোগ পরিবারের

চাইলেই শর্টকোড নম্বর পাওয়া যাবে না, কিন্তু কেন?

পাঁচ ডিজিটের টেলিফোন নম্বর শর্টকোড হিসেবে পরিচিত। প্রচলিত টেলিফোন নম্বরের পরিবর্তে কম ডিজিট-সম্পন্ন হওয়ায় শর্টকোডের ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা তাদের প্রয়োজনে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিতে আবেদন করে এই নম্বর পেয়ে থাকে। এখন এই প্রক্রিয়ায় লাগাম টানতে যাচ্ছে বিটিআরসি।

এখন চাইলেই আর শর্টকোড পাওয়া যাবে না। আবেদন প্রাপ্তির মধ্যে অধিকতর যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে শর্টকোড বরাদ্দ দেওয়ার জন্য কিছু শর্তারোপ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিটিআরসি মনে করে, বর্তমানে দেশে বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন খাতে লক্ষাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে শর্টকোড বরাদ্দ করা সম্ভব নয়, যৌক্তিকও নয়। শর্টকোড একটি সীমিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ। ফলে এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে বরাদ্দের ক্ষেত্রে আরও  শর্তারোপ করা জরুরি।

এই বিষয়টি কমিশনের ২৬৭তম বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের (সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস ও স্পেক্ট্রাম বিভাগ) মতামত নিয়ে কমিশনের পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। ওই বৈঠকে আরও যেসব শর্তের কথা বলা হয়েছে তারমধ্যে রয়েছে— শর্টকোডের মাধ্যমে আইভিআর-ভিত্তিক কল সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে চার্জিং সিস্টেম ও সেবা প্রদানের ব্যাপ্তি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সন্তোষজনক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শর্টকোড বরাদ্দের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। শর্টকোড একটি সীমিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ, ফলে এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে একই মালিকানাধীন একাধিক প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে শর্টকোড বরাদ্দ নিরুৎসাহিত করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে উপযুক্ততা যাচাই সাপেক্ষে একাধিক শর্টকোড বরাদ্দের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিআরসির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটা সীমিত রাষ্ট্রীয় একটি সম্পদ। ফলে সেটা মাথায় রেখেই বরাদ্দ দেওয়া হবে। তাই শর্টকোড বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে আগের নিয়ম থেকে সরে আসতে হচ্ছে।’ তিনি জানান, যে হারে আবেদন আসছে, তাতে করে এটাও দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। সে কারণে ভবিষ্যতের ভাবনা ভেবেই এ ধরনের শর্ত দেওয়া হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

চাইলেই শর্টকোড নম্বর পাওয়া যাবে না, কিন্তু কেন?

আপডেট সময় ০৪:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

পাঁচ ডিজিটের টেলিফোন নম্বর শর্টকোড হিসেবে পরিচিত। প্রচলিত টেলিফোন নম্বরের পরিবর্তে কম ডিজিট-সম্পন্ন হওয়ায় শর্টকোডের ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা তাদের প্রয়োজনে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিতে আবেদন করে এই নম্বর পেয়ে থাকে। এখন এই প্রক্রিয়ায় লাগাম টানতে যাচ্ছে বিটিআরসি।

এখন চাইলেই আর শর্টকোড পাওয়া যাবে না। আবেদন প্রাপ্তির মধ্যে অধিকতর যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে শর্টকোড বরাদ্দ দেওয়ার জন্য কিছু শর্তারোপ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিটিআরসি মনে করে, বর্তমানে দেশে বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন খাতে লক্ষাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে শর্টকোড বরাদ্দ করা সম্ভব নয়, যৌক্তিকও নয়। শর্টকোড একটি সীমিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ। ফলে এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে বরাদ্দের ক্ষেত্রে আরও  শর্তারোপ করা জরুরি।

এই বিষয়টি কমিশনের ২৬৭তম বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের (সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস ও স্পেক্ট্রাম বিভাগ) মতামত নিয়ে কমিশনের পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। ওই বৈঠকে আরও যেসব শর্তের কথা বলা হয়েছে তারমধ্যে রয়েছে— শর্টকোডের মাধ্যমে আইভিআর-ভিত্তিক কল সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে চার্জিং সিস্টেম ও সেবা প্রদানের ব্যাপ্তি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সন্তোষজনক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শর্টকোড বরাদ্দের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। শর্টকোড একটি সীমিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ, ফলে এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে একই মালিকানাধীন একাধিক প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে শর্টকোড বরাদ্দ নিরুৎসাহিত করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে উপযুক্ততা যাচাই সাপেক্ষে একাধিক শর্টকোড বরাদ্দের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিআরসির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটা সীমিত রাষ্ট্রীয় একটি সম্পদ। ফলে সেটা মাথায় রেখেই বরাদ্দ দেওয়া হবে। তাই শর্টকোড বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে আগের নিয়ম থেকে সরে আসতে হচ্ছে।’ তিনি জানান, যে হারে আবেদন আসছে, তাতে করে এটাও দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। সে কারণে ভবিষ্যতের ভাবনা ভেবেই এ ধরনের শর্ত দেওয়া হচ্ছে।