সংবাদ শিরোনাম ::
ভোলাহাট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৯৬ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ আটক মনোহরগঞ্জে অসমাপ্ত সেতুর কাজ, ৯ বারের দরপত্রে মেলেনি ঠিকাদার নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় সেই ‘অবুঝ’ সন্তানের করুণ মৃ’ত্যু বিআইডব্লিউটিসিতে আশিকুজ্জামানের নিয়োগ-টেন্ডার বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ সখিপুরে ধর্ষণ মামলা ঘিরে বিতর্ক: স্বামী কারাগারে, তদন্তে নানা প্রশ্ন উত্তর বাড্ডায় মাসুমের মাদক ব্যবসা এলাকাজুড়ে ক্ষোভ হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক সাবেক কাস্টমস কমিশনার নুরুজ্জামান! নওগাঁয় মাদকবিরোধী অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট’সহ এক যুবক গ্রেফতার  রিকশা চালক নকির চরম অসহায়  রাজস্ব বাজেটে পিছিয়ে বেরোবি, বরাদ্দ ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে সেনেগালের সেরা কলিবালি

শেষ ষোল নিশ্চিত করতে নিজেদের শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না সেনেগালের। কিন্তু বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ৬৯তম মিনিট পর্যন্তও জয়ের পথে ছিল না আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নরা। শেষমেষ জাদু দেখালেন কলিবালি। ফ্রি-কিকে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে শেষ ষোলতে টেনে তোলার নায়ক তিনিই। 

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে প্রথম ১০ মিনিটেই দুটো গোলের সুযোগ হারায় সেনেগাল। হার মানেনি আলিউ সিসের শিষ্যরা। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভীতি ছড়াতে থাকে তারা। প্রথমার্ধে গোলের জন্য ১২টি শট নেয় সেনেগাল, এর মধ্যে ৯টিই ছিল ডি-বক্সের ভেতর থেকে। তবে ভাগ্যের ফেরে এসব শট থেকে কোনো গোল আসেনি। ৪৪ তম মিনিটে গোলটা আসে পেনাল্টি থেকে। এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে সেনেগাল।

কেবল গোল করাই নয়, রক্ষণে আজ কলিবালি ছিলেন দেয়ালের মতো। গোলমুখে বল ক্লিয়ার করে প্রতিপক্ষের মোট ১০টি সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি। এছাড়া ৫৮ শতাংশ সঠিক পাস দেওয়ার পাশাপাশি লং বল খেলেছেন ১১টি। মূলত তার এই নৈপুণ্যেই ইকুয়েডরকে হটিয়ে শেষ ষোলতে উঠতে পেরেছে সেনেগাল।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলাহাট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৯৬ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ আটক

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে সেনেগালের সেরা কলিবালি

আপডেট সময় ১১:০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

শেষ ষোল নিশ্চিত করতে নিজেদের শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না সেনেগালের। কিন্তু বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ৬৯তম মিনিট পর্যন্তও জয়ের পথে ছিল না আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নরা। শেষমেষ জাদু দেখালেন কলিবালি। ফ্রি-কিকে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে শেষ ষোলতে টেনে তোলার নায়ক তিনিই। 

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে প্রথম ১০ মিনিটেই দুটো গোলের সুযোগ হারায় সেনেগাল। হার মানেনি আলিউ সিসের শিষ্যরা। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভীতি ছড়াতে থাকে তারা। প্রথমার্ধে গোলের জন্য ১২টি শট নেয় সেনেগাল, এর মধ্যে ৯টিই ছিল ডি-বক্সের ভেতর থেকে। তবে ভাগ্যের ফেরে এসব শট থেকে কোনো গোল আসেনি। ৪৪ তম মিনিটে গোলটা আসে পেনাল্টি থেকে। এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে সেনেগাল।

কেবল গোল করাই নয়, রক্ষণে আজ কলিবালি ছিলেন দেয়ালের মতো। গোলমুখে বল ক্লিয়ার করে প্রতিপক্ষের মোট ১০টি সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি। এছাড়া ৫৮ শতাংশ সঠিক পাস দেওয়ার পাশাপাশি লং বল খেলেছেন ১১টি। মূলত তার এই নৈপুণ্যেই ইকুয়েডরকে হটিয়ে শেষ ষোলতে উঠতে পেরেছে সেনেগাল।