ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী ও ড্রাইভার রফিকের অনিয়ম দূর্নীতি চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদীর ৫০ লাখ টাকার অনিয়ম ঢামেকে কোটি টাকা লোপাট চেয়ারম্যান-এমডির দুর্নীতিতে সঙ্কটে আইএফআইসি ব্যাংক নবাবগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ পবিপ্রবিতে জুলাই শহীদ যোদ্ধা ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিআরটিএতে গোপন তথ্য পাচারের সিন্ডিকেট এডি ইমরানের রেলের প্রকৌশলী সামছ তুষারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পপুলার লাইফের গ্রাহকরা দাবির টাকা পাচ্ছে না নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে ‘৩% দুলাল’ খ্যাত আহসানুজ্জামানের দুর্নীতি

গুলিস্তান রেড জোনে দোকান বসানোয় ৫ দোকানিকে জেল

গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে আহাদ পুলিশ বক্স, গুলিস্তান হল মার্কেট থেকে গোলাপ শাহ মাজার হয়ে বঙ্গ ভবন এলাকা পর্যন্ত ঘোষিত ‘রেড জোন’ এ আবারও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) গুলিস্তান রেড জোনে দিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিরুজ্জামান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিফা খানের নেতৃত্বে অভিযানকালে হাঁটার পথ ও রাস্তা দখল করে দোকান প্রতিষ্ঠা করায় মোহাম্মদ  রুবেল, মাসুদ রানা, আরাফাত, সাকিব ও ফারুক নামের ৫ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।


এর মধ্যে মোহাম্মদ রুবেলকে ১৫ দিন এবং বাকি ৪ জনকে ৭ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে রাস্তা ও হাঁটার পথ দখল করে দোকান স্থাপন করায় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় ৫ ব্যক্তিকে এ জেল দেওয়া হয়।

এছাড়াও এ সময় ৯ দোকানিকে ৯টি মামলায় ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা এবং অভিযানকালে জব্দকৃত মালামাল স্পট নিলামের মাধ্যমে ১ লাখ ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ৯২ ধারার ৭ ও ৮ উপধারায় এসব জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান প্রসঙ্গে করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিরুজ্জামান বলেন, গুলিস্তান এলাকায় ঘোষিত রেড জোনে ইতোমধ্যে আমরা আরও ৭ দিন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছি। তারপর কিছু অসাধু লোক আবারও হাঁটার পথ ও রাস্তা দখল করে সেখানে দোকান স্থাপন করেছে। তাই রেড জোনের হাঁটার পথে ও রাস্তা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আজকে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। রেড জোন দখলমুক্ত রাখতে মেয়রের নির্দেশনা মতো নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখা হবে।

অভিযানকালে অন্যান্যের মধ্যে ২০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ রতন উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী ও ড্রাইভার রফিকের অনিয়ম দূর্নীতি

গুলিস্তান রেড জোনে দোকান বসানোয় ৫ দোকানিকে জেল

আপডেট সময় ১১:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২

গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে আহাদ পুলিশ বক্স, গুলিস্তান হল মার্কেট থেকে গোলাপ শাহ মাজার হয়ে বঙ্গ ভবন এলাকা পর্যন্ত ঘোষিত ‘রেড জোন’ এ আবারও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) গুলিস্তান রেড জোনে দিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিরুজ্জামান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিফা খানের নেতৃত্বে অভিযানকালে হাঁটার পথ ও রাস্তা দখল করে দোকান প্রতিষ্ঠা করায় মোহাম্মদ  রুবেল, মাসুদ রানা, আরাফাত, সাকিব ও ফারুক নামের ৫ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।


এর মধ্যে মোহাম্মদ রুবেলকে ১৫ দিন এবং বাকি ৪ জনকে ৭ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে রাস্তা ও হাঁটার পথ দখল করে দোকান স্থাপন করায় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় ৫ ব্যক্তিকে এ জেল দেওয়া হয়।

এছাড়াও এ সময় ৯ দোকানিকে ৯টি মামলায় ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা এবং অভিযানকালে জব্দকৃত মালামাল স্পট নিলামের মাধ্যমে ১ লাখ ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ৯২ ধারার ৭ ও ৮ উপধারায় এসব জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান প্রসঙ্গে করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিরুজ্জামান বলেন, গুলিস্তান এলাকায় ঘোষিত রেড জোনে ইতোমধ্যে আমরা আরও ৭ দিন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছি। তারপর কিছু অসাধু লোক আবারও হাঁটার পথ ও রাস্তা দখল করে সেখানে দোকান স্থাপন করেছে। তাই রেড জোনের হাঁটার পথে ও রাস্তা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আজকে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। রেড জোন দখলমুক্ত রাখতে মেয়রের নির্দেশনা মতো নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখা হবে।

অভিযানকালে অন্যান্যের মধ্যে ২০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ রতন উপস্থিত ছিলেন।