ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ফতুল্লায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ, আহত ৮ চাঁদাবাজির অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফির বিরুদ্ধে মামলা সারা বাংলাদেশের ২০২৫ এবং ২০২৬ এর টিসিবি ডিলারদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সরকারবিরোধী আন্দোলন থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক তনু হত্যা মামলায় আরও ২ সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের জাতীয় পর্ব শুরু, খেলাধুলাই পারে জাতিকে এক সুতোয় গাঁথতে: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক  হোসেনপুর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ স্বপ্নভঙ্গের মূল্য: ব্রুনাই থেকে ফিরে আসা শ্রমিকদের মানবিক বেদনা, রাষ্ট্রের দায় ও নিরপেক্ষ তদন্তের প্রশ্ন

যশোরের শার্শায় শর্ট সার্কিটের আগুনে দোকান পুড়ে ছাঁই

শার্শা উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে ১টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আনুমানিক ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েন দোকান মালিক।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) রাত আনুমানিক ১২টায় উপজেলার ১নং ডিহি ইউনিয়নের কাশিপুর বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে আশ পাশের স্থানীয় জনগন ৪ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কাশিপুর বাজার কমিটির সেক্রেটারি সুমন হোসেন জানান, । আমার বাসা বাজারের সাথে, কাজের চাপ থাকায় বাসার দোতালায় সারা রাত বৈদ্যুতিক ওয়েরিং এর কাজ কাজ করছিলো ইলেকট্রিক মিস্ত্রীরা। তাদের মধ্যে একজন রাত ৩টার দিকে সেহেরী খাবার উদ্দেশ্যে বাসায় যাওয়ার জন্য নিআে মানে। বাসায় যাওয়ার সময় সে দোকানে আগুন লেগেছে বলে চিৎকার দিলে আমরা নিচে চলে আসি। সাথে সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসে দেখি সব পুড়ে ছায় হয়ে গেছে।

ফ্রীজের সর্টসার্কিটের জন্য দোকানে আগুন লাগতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ সময় আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে পশের জুতা ও গার্মেন্টসের দেকানেও আনুমানিক ১লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানাগেছে।

স্থানীয় দোকানের মালিকেরা জানায়, ঈদ উপলক্ষে আমরা রাত ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখি। কিন্তু ঘটনার দিন পাশের বিজিবি ক্যাম্প থেকে প্রত্যেক দোকানদারদের ৯টার সময় দোকান বন্ধ করে বাজার খালি করে দিতে বলা হয়। আমরা তাদের কথা মতো বাজার খালি করে বাড়িতে চলে যায়। আমাদের মধ্য যদি কেউ বাজারে থাকতো তাহলে এতো বড় ক্ষতি অসহায় গরিব দোকানদারের হতো না।

প্রত্যাক্ষদর্শী মোমিনুর রহমান জানান, সেহেরী খাওয়ার জন্য আমি বাড়ি যাচ্ছিলাম। হঠাৎ দোকানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আমার গায়ে আগুনের তাপ লাগে। আমি দোকানের পাশের জানলার পাশ দিয়ে দেখি মধ্যি আগুন জ্বলছে। আমি আমার মিস্ত্রীদের ডাক দিলি তারা এসে কারেন্ট বন্ধ করে দেয়। আমরা দেখার আগে সব পুড়ে ছায় হয়ে যায়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

যশোরের শার্শায় শর্ট সার্কিটের আগুনে দোকান পুড়ে ছাঁই

আপডেট সময় ০৭:৫৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫

শার্শা উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে ১টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আনুমানিক ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েন দোকান মালিক।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) রাত আনুমানিক ১২টায় উপজেলার ১নং ডিহি ইউনিয়নের কাশিপুর বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে আশ পাশের স্থানীয় জনগন ৪ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কাশিপুর বাজার কমিটির সেক্রেটারি সুমন হোসেন জানান, । আমার বাসা বাজারের সাথে, কাজের চাপ থাকায় বাসার দোতালায় সারা রাত বৈদ্যুতিক ওয়েরিং এর কাজ কাজ করছিলো ইলেকট্রিক মিস্ত্রীরা। তাদের মধ্যে একজন রাত ৩টার দিকে সেহেরী খাবার উদ্দেশ্যে বাসায় যাওয়ার জন্য নিআে মানে। বাসায় যাওয়ার সময় সে দোকানে আগুন লেগেছে বলে চিৎকার দিলে আমরা নিচে চলে আসি। সাথে সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসে দেখি সব পুড়ে ছায় হয়ে গেছে।

ফ্রীজের সর্টসার্কিটের জন্য দোকানে আগুন লাগতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ সময় আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে পশের জুতা ও গার্মেন্টসের দেকানেও আনুমানিক ১লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানাগেছে।

স্থানীয় দোকানের মালিকেরা জানায়, ঈদ উপলক্ষে আমরা রাত ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখি। কিন্তু ঘটনার দিন পাশের বিজিবি ক্যাম্প থেকে প্রত্যেক দোকানদারদের ৯টার সময় দোকান বন্ধ করে বাজার খালি করে দিতে বলা হয়। আমরা তাদের কথা মতো বাজার খালি করে বাড়িতে চলে যায়। আমাদের মধ্য যদি কেউ বাজারে থাকতো তাহলে এতো বড় ক্ষতি অসহায় গরিব দোকানদারের হতো না।

প্রত্যাক্ষদর্শী মোমিনুর রহমান জানান, সেহেরী খাওয়ার জন্য আমি বাড়ি যাচ্ছিলাম। হঠাৎ দোকানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আমার গায়ে আগুনের তাপ লাগে। আমি দোকানের পাশের জানলার পাশ দিয়ে দেখি মধ্যি আগুন জ্বলছে। আমি আমার মিস্ত্রীদের ডাক দিলি তারা এসে কারেন্ট বন্ধ করে দেয়। আমরা দেখার আগে সব পুড়ে ছায় হয়ে যায়।