রংপুরের বদরগঞ্জ পল্লীতে পুর্ব শক্রতার জের ধরে বাড়ীঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এঘটনায় একই পরিবারের নারী পুরুষ ও শিক্ষার্থীসহ ৭জন ব্যক্তি আহত হয়। গ্রামবাসী আহতদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিতসার জন্য ভর্তি করে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গ্রাসবাসী জানা যায়, উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের কচুয়াপাড়া গ্রামের কৃষক শামছুল হকের সাথে প্রতিবেশী ছয়ের উদ্দিনের দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধের জের ধরে গত বৃহস্পতিবার ২৭মার্চ সকাল সাড়ে ১১টায় বাদশা মিয়া ও ছয়ের উদিদ্দন বিভিন্ন এলাকা থেকে ২০-২৫জন সন্ত্রাসী ভাড়া করে নিয়ে এসে শামছুলের বাড়ীতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাড়ীঘর ভাংচুর, লুটপাট ও তাতে অগ্নিসংযোগ করে। এসময় বাড়ীর লোকজন বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তরা তাদেরকে লাঠি সোডা দিয়ে পিটিয়ে ফোলা জখম করে। আহতরা হলেন, শামছুল হক, শহিদা বেগম, চানমিয়া, সোনা মিয়া, রাজিয়া বেগম, সালমা বেগমসহ স্কুল ছাত্রী নুপুর। খবর পেয়ে বদরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিতসার জন্য ভর্তি করে।
এবিষয়ে বাড়ীর মালিক আহত শামছুল হক বলেন, ঘটনারদিন আমার প্রতিপক্ষ বাদশা মিয়া ও ছয়েরউদ্দিন ভাড়াটে লোকজন নিয়ে আমার নির্মাণাধীন পাকা বাড়ীতে হামলা করে। তখন তারা আমার পুরনো ঘরে থাকা ৩লক্ষ টাকা লুটপাট করার পর বাড়ীঘর ভেঙ্গে দিয়ে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়। খবর পেয়ে বদরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসে লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভানোর আগেই সব কিছু পুড়ে ছাই হয়েছে। আমার বাড়ীঘর ভাংচুর, নগদ টাকা, সোনাদানা লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্রায় ৭লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেইসাথে আমার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আমি ন্যায় বিচার চেয়ে সন্ত্রাসীদের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। ভুক্তভোগী পরিবারের স্কুল ছাত্রী নুপুর সাংবাদিকদের জানায়, প্রতিপক্ষরা আমাদের বাড়ীঘর ভেঙ্গে দেওয়ায় আমরা এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি। আমরা এই অন্যায়ের বিচার চাই।
বদরগঞ্জ থানার ওসি একেএম আতিকুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
নুরুন্নবী , ব্যুরো চিফঃ 



















