ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরখাস্ত পাসপোর্ট কর্মকর্তা মামুনের ঢাকায় ১৪ ফ্ল্যাটসহ অর্ধশত কোটি টাকার সম্পত্তি গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী উজির আলীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার বলয় ও টেন্ডার সিন্ডিকেটের অভিযোগ পূর্বের তদন্তের অগ্রগতি নেই, নতুন করে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকার সম্পত্তির দলিলে মোর্শেদ আলম ৬০ কোটি টাকার বিপিসি ভবনে উদ্বোধনের পরই পানি-ফাটল নায়েব ফিরোজের ‘রাজত্বে’ কুমিল্লার দেবিদ্বারের ধামতী ইউনিয়ন ভূমি অফিস বায়তুল মোকাররমে পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি নওগাঁয় ছাত্রীকে উত্ত্যক্তকারী যুবক মোটরসাইকেলসহ ডিবি পুলিশ হাতে গ্রেপ্তার  অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় বিশেষ সম্মাননা পেলেন অপু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নতুন সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান বিদায়ী সিভিল সার্জন নোমান মিয়া ওএসডি ক্রেতা নেই, হিমাগার থেকে আলু নিচ্ছে না কৃষক ও ব্যবসায়ী
আদানির পদক্ষেপে হতবাক ও ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ

যে কারণে আদানির বিদ্যুৎ আমদানি অর্ধেকে নামাল বাংলাদেশ

আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পরিমাণ অর্ধেক করেছে বাংলাদেশ। শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক কমে যাওয়ার কারণ উল্লেখ করে বাংলাদেশ আদানি পাওয়ার থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পরিমাণ অর্ধেক কমিয়ে দিয়েছে। কয়েক শ মিলিয়ন ডলারের বকেয়া নিয়ে মতবিরোধের মাঝে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ বকেয়া পরিশোধে দেরি করায় আদানি পাওয়ার ৩১ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দিয়েছে। সেসময় বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতির মুখোমুখি ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার আদানিকে আপাতত অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে বলেছে। তবে পুরোনো বকেয়া পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম বলেন, আদানি আমাদের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় আমরা হতবাক ও ক্ষুব্ধ হয়েছি। শীতের সময় বিদ্যুৎ চাহিদা কম থাকায় আমরা তাদের বলেছি, প্ল্যান্টের দুটি ইউনিট চালানোর প্রয়োজন নেই।

২০১৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ২৫ বছরের একটি চুক্তির অধীনে ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি গ্রুপের দুই বিলিয়ন ডলারের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট রয়েছে, প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট।

জানা যায়, নভেম্বরে প্ল্যান্টটি মাত্র ৪১ দশমিক ৮২ শতাংশ সক্ষমতায় চালু ছিল, যা এ বছরের মধ্যে সর্বনিু। ১ নভেম্বর থেকে প্ল্যান্টের একটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে।

বিপিডিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, গত শীতে বাংলাদেশ আদানি থেকে প্রতিমাসে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনেছিল। তারা আরও জানায়, আদানি পিডিবিকে জিজ্ঞেস করেছিল তারা আবার কবে থেকে স্বাভাবিক ক্রয় শুরু করবে, তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট উত্তর দেওয়া হয়নি।

আদানি পাওয়ারের একজন মুখপাত্র বলেন, আমরা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে বকেয়া পরিশোধ নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আমাদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ। এটি প্ল্যান্টের কার্যক্রমকে টেকসই রাখতে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বিপিডিবি ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, শিগ্গিরই সব বকেয়া পরিশোধ করা হবে। মুখপাত্রের মতে, আদানি আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে, যেমনভাবে আদানি তাদের চুক্তির দায়বদ্ধতা বজায় রেখেছে।

বিপিডিবি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম জানান, বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত আদানির প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে গত মাসে প্রায় ৮৫ মিলিয়ন ডলার এবং অক্টোবরে ৯৭ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। অন্যদিকে আদানি পাওয়ারের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, বকেয়ার পরিমাণ এখন প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আদালত আদানির সঙ্গে হওয়া চুক্তি বাতিল না করলে বাংলাদেশ সরকার চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ কেনার দাম অনেকটা কমাতে চায় বলে রোববার রয়টার্সকে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের আদালত আদানি চুক্তিটি তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে আদানি পাওয়ারের মুখপাত্র বলেছেন, বাংলাদেশ চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করছে বলে তাদের কাছে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। ২০২৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরে আদানির বিদ্যুতের প্রতি ইউনিট খরচ ছিল ১৪ টাকা ৮৭ পয়সা। তুলনায় অন্যান্য ভারতীয় সরবরাহকারীর গড় ইউনিট খরচ ছিল ৯ টাকা ৫৭ পয়সা। বাংলাদেশে খুচরা বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ৮ টাকা ৯৫ পয়সা। ফলে সরকারকে বার্ষিক ৩২০ বিলিয়ন টাকা (২.৭ বিলিয়ন ডলার) বিদ্যুৎ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, দাম বেশি হওয়ায় সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। আমরা চাই শুধু আদানির ক্ষেত্রে নয়, বিদ্যুতের দাম সামগ্রিকভাবেই গড় খুচরা মূল্যের নিচে নেমে আসুক। তবে আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয় অব্যাহত থাকবে বলে জানান ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নিজস্ব চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট স্থানীয় সক্ষমতা রয়েছে। যদিও গ্যাস সংকট বা অন্যান্য সমস্যায় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বসে রয়েছে অথবা সক্ষমতার চেয়ে কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। উপদেষ্টা আরও বলেন, আদানি সরবরাহ কমিয়ে অর্ধেক করে দেওয়ার পরও কোনো সমস্যা হয়নি। কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীকে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করার সুযোগ দেব না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরখাস্ত পাসপোর্ট কর্মকর্তা মামুনের ঢাকায় ১৪ ফ্ল্যাটসহ অর্ধশত কোটি টাকার সম্পত্তি

আদানির পদক্ষেপে হতবাক ও ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ

যে কারণে আদানির বিদ্যুৎ আমদানি অর্ধেকে নামাল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০১:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পরিমাণ অর্ধেক করেছে বাংলাদেশ। শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক কমে যাওয়ার কারণ উল্লেখ করে বাংলাদেশ আদানি পাওয়ার থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পরিমাণ অর্ধেক কমিয়ে দিয়েছে। কয়েক শ মিলিয়ন ডলারের বকেয়া নিয়ে মতবিরোধের মাঝে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ বকেয়া পরিশোধে দেরি করায় আদানি পাওয়ার ৩১ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দিয়েছে। সেসময় বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতির মুখোমুখি ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার আদানিকে আপাতত অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে বলেছে। তবে পুরোনো বকেয়া পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম বলেন, আদানি আমাদের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় আমরা হতবাক ও ক্ষুব্ধ হয়েছি। শীতের সময় বিদ্যুৎ চাহিদা কম থাকায় আমরা তাদের বলেছি, প্ল্যান্টের দুটি ইউনিট চালানোর প্রয়োজন নেই।

২০১৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ২৫ বছরের একটি চুক্তির অধীনে ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি গ্রুপের দুই বিলিয়ন ডলারের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট রয়েছে, প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট।

জানা যায়, নভেম্বরে প্ল্যান্টটি মাত্র ৪১ দশমিক ৮২ শতাংশ সক্ষমতায় চালু ছিল, যা এ বছরের মধ্যে সর্বনিু। ১ নভেম্বর থেকে প্ল্যান্টের একটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে।

বিপিডিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, গত শীতে বাংলাদেশ আদানি থেকে প্রতিমাসে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনেছিল। তারা আরও জানায়, আদানি পিডিবিকে জিজ্ঞেস করেছিল তারা আবার কবে থেকে স্বাভাবিক ক্রয় শুরু করবে, তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট উত্তর দেওয়া হয়নি।

আদানি পাওয়ারের একজন মুখপাত্র বলেন, আমরা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে বকেয়া পরিশোধ নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আমাদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ। এটি প্ল্যান্টের কার্যক্রমকে টেকসই রাখতে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বিপিডিবি ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, শিগ্গিরই সব বকেয়া পরিশোধ করা হবে। মুখপাত্রের মতে, আদানি আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে, যেমনভাবে আদানি তাদের চুক্তির দায়বদ্ধতা বজায় রেখেছে।

বিপিডিবি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম জানান, বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত আদানির প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে গত মাসে প্রায় ৮৫ মিলিয়ন ডলার এবং অক্টোবরে ৯৭ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। অন্যদিকে আদানি পাওয়ারের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, বকেয়ার পরিমাণ এখন প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আদালত আদানির সঙ্গে হওয়া চুক্তি বাতিল না করলে বাংলাদেশ সরকার চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ কেনার দাম অনেকটা কমাতে চায় বলে রোববার রয়টার্সকে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের আদালত আদানি চুক্তিটি তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে আদানি পাওয়ারের মুখপাত্র বলেছেন, বাংলাদেশ চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করছে বলে তাদের কাছে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। ২০২৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরে আদানির বিদ্যুতের প্রতি ইউনিট খরচ ছিল ১৪ টাকা ৮৭ পয়সা। তুলনায় অন্যান্য ভারতীয় সরবরাহকারীর গড় ইউনিট খরচ ছিল ৯ টাকা ৫৭ পয়সা। বাংলাদেশে খুচরা বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ৮ টাকা ৯৫ পয়সা। ফলে সরকারকে বার্ষিক ৩২০ বিলিয়ন টাকা (২.৭ বিলিয়ন ডলার) বিদ্যুৎ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, দাম বেশি হওয়ায় সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। আমরা চাই শুধু আদানির ক্ষেত্রে নয়, বিদ্যুতের দাম সামগ্রিকভাবেই গড় খুচরা মূল্যের নিচে নেমে আসুক। তবে আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয় অব্যাহত থাকবে বলে জানান ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নিজস্ব চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট স্থানীয় সক্ষমতা রয়েছে। যদিও গ্যাস সংকট বা অন্যান্য সমস্যায় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বসে রয়েছে অথবা সক্ষমতার চেয়ে কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। উপদেষ্টা আরও বলেন, আদানি সরবরাহ কমিয়ে অর্ধেক করে দেওয়ার পরও কোনো সমস্যা হয়নি। কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীকে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করার সুযোগ দেব না।