ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ৮৮৪ কোটির রেল প্রকল্প গিলছে ‘মাফিয়া’ চক্র, সুবিধা পাচ্ছেন বিতর্কিত ঠিকাদাররা ফুলবাড়ী ট্র্যাজেডির ২০ বছরেও অপূর্ণ ছয় দফা দাবি বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সভাপতি খোরশেদ, সম্পাদক বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির নির্বাচিত জীবনের শেষ প্রান্তে মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী রেফায়েত নীলফামারীতে সত্যের সন্ধানে ও মানবসেবায় অনন্য এক তরুণ: আল মিজান দুর্নীতি মামলা, বরখাস্ত-অপসারণের পরও সিডিএতে বহাল হাসান, উঠছে নানা প্রশ্ন ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০১, মামলা ৫৩ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামাতে চায় সরকার : সড়কমন্ত্রী অভিবাসন ব্যবস্থাপনা সুসংহত করতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান শামা ওবায়েদের

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা: খালেদা জিয়াসহ সবাই খালাস

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়াসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা আপিল মঞ্জুর করে আজ বুধবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর রায় দেন বিচারিক আদালত। রায়ে খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে একই বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে বিচারিক আদালতের দেওয়া অর্থদণ্ডের আদেশ স্থগিত করেন।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। গত ৬ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দণ্ড মওকুফ করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে করা আপিল শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক তৈরির জন্য অনুমতি চেয়ে খালেদা জিয়া আবেদন করেন।

এ নিয়ে গত ২০ নভেম্বর শুনানি হয় বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে।

আপিল শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে মামলার পেপারবুক তৈরির জন্য অনুমতি চেয়ে খালেদা জিয়ার আবেদন ৩ নভেম্বর মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট।

এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য উদ্যোগ নেন তার আইনজীবীরা।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও কায়সার কামাল। খালেদা জিয়ার পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা, আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া ও মাকসুদ উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী আসিফ হাসান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিম সরকার।

শুনানিতে বিচারিক আদালতের রায়ের ঘটনাগত ও আইনগত অসংগতি তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা।

এ মামলায় চার আসামির অন্যরা হলেন- খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (প্রয়াত), হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা: খালেদা জিয়াসহ সবাই খালাস

আপডেট সময় ১২:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়াসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা আপিল মঞ্জুর করে আজ বুধবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর রায় দেন বিচারিক আদালত। রায়ে খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে একই বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে বিচারিক আদালতের দেওয়া অর্থদণ্ডের আদেশ স্থগিত করেন।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। গত ৬ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দণ্ড মওকুফ করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে করা আপিল শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক তৈরির জন্য অনুমতি চেয়ে খালেদা জিয়া আবেদন করেন।

এ নিয়ে গত ২০ নভেম্বর শুনানি হয় বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে।

আপিল শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে মামলার পেপারবুক তৈরির জন্য অনুমতি চেয়ে খালেদা জিয়ার আবেদন ৩ নভেম্বর মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট।

এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য উদ্যোগ নেন তার আইনজীবীরা।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও কায়সার কামাল। খালেদা জিয়ার পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা, আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া ও মাকসুদ উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী আসিফ হাসান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিম সরকার।

শুনানিতে বিচারিক আদালতের রায়ের ঘটনাগত ও আইনগত অসংগতি তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা।

এ মামলায় চার আসামির অন্যরা হলেন- খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (প্রয়াত), হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।