সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কাতারে সৌদি যুবরাজ

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে পৌঁছেছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। কাতারে শুরু হতে যাওয়া ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার (১৯ নভেম্বর) রাতে দেশটিতে পৌঁছান তিনি।

রোববার (২০ নভেম্বর) থেকে বিশ্বকাপ ইভেন্ট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মূলত গত বছর তিন বছরের আঞ্চলিক বিরোধ শেষ হওয়ার পর উপসাগরীয় সংহতি প্রদর্শনে কাতার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেছেন তিনি। রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

কাতারের আমিরি দিওয়ান এক বিবৃতিতে বলেছেন, শনিবার রাতে রাজধানী দোহায় পৌঁছানোর পর সৌদি আরবের ডি ফ্যাক্টো শাসক যুবরাজ মোহাম্মদকে সংবর্ধনা দেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির ডেপুটি শেখ আবদুল্লাহ বিন হামাদ আল-থানি।

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), বাহরাইন এবং মিশর ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে রেখেছিল। ইসলামপন্থি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে কাতারের সম্পর্ককে উল্লেখ এসব দেশের অভিযোগ ছিল, দোহা ‘সন্ত্রাসবাদ’ সমর্থন করে। তবে দোহা সবসময়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

অবশ্য ২০২১ সালের শুরু থেকে রিয়াদ ও কায়রো কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক সংশোধনের প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দেয় এবং কাতারে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করে। অন্যদিকে আবুধাবি ও মানামা এখনও তা করতে পারেনি। এছাড়া বাহরাইন বাদে সকলেই ভ্রমণ ও বাণিজ্য সংযোগ পুনঃস্থাপন করেছে।

এর আগে ২০১৭ সালে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মনোনীত হওয়ার পর গত বছরের শেষের দিকে কাতারে নিজের প্রথম সরকারি সফর করেন মোহাম্মদ বিন সালমান।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মতো বড় একটি ইভেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে। কাতারের প্রত্যাশা, এই ইভেন্টটি বিভিন্ন অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে আসবে যা উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের সাথে ভাগ করে নিতে চায় দোহা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কাতারে সৌদি যুবরাজ

আপডেট সময় ১২:০৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০২২

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে পৌঁছেছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। কাতারে শুরু হতে যাওয়া ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার (১৯ নভেম্বর) রাতে দেশটিতে পৌঁছান তিনি।

রোববার (২০ নভেম্বর) থেকে বিশ্বকাপ ইভেন্ট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মূলত গত বছর তিন বছরের আঞ্চলিক বিরোধ শেষ হওয়ার পর উপসাগরীয় সংহতি প্রদর্শনে কাতার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেছেন তিনি। রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

কাতারের আমিরি দিওয়ান এক বিবৃতিতে বলেছেন, শনিবার রাতে রাজধানী দোহায় পৌঁছানোর পর সৌদি আরবের ডি ফ্যাক্টো শাসক যুবরাজ মোহাম্মদকে সংবর্ধনা দেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির ডেপুটি শেখ আবদুল্লাহ বিন হামাদ আল-থানি।

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), বাহরাইন এবং মিশর ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে রেখেছিল। ইসলামপন্থি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে কাতারের সম্পর্ককে উল্লেখ এসব দেশের অভিযোগ ছিল, দোহা ‘সন্ত্রাসবাদ’ সমর্থন করে। তবে দোহা সবসময়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

অবশ্য ২০২১ সালের শুরু থেকে রিয়াদ ও কায়রো কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক সংশোধনের প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দেয় এবং কাতারে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করে। অন্যদিকে আবুধাবি ও মানামা এখনও তা করতে পারেনি। এছাড়া বাহরাইন বাদে সকলেই ভ্রমণ ও বাণিজ্য সংযোগ পুনঃস্থাপন করেছে।

এর আগে ২০১৭ সালে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মনোনীত হওয়ার পর গত বছরের শেষের দিকে কাতারে নিজের প্রথম সরকারি সফর করেন মোহাম্মদ বিন সালমান।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মতো বড় একটি ইভেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে। কাতারের প্রত্যাশা, এই ইভেন্টটি বিভিন্ন অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে আসবে যা উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের সাথে ভাগ করে নিতে চায় দোহা।