ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আমার আল্লাহ ছাড়া কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাই না: ভাবনা বিনা স্বার্থে চিকিৎসা সেবা প্রধান করায়, তোপের মুখে রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত প্রাথমিক চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম  জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের নবগঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৩ অনুষ্ঠানের অর্থ ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ ৪৫ হাজার টাকা বেতনের পাসপোর্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৫৯ কোটির সম্পত্তির অভিযোগ কাশিপুরে অসুস্থ গরু জবাইয়ের তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন কুমিল্লায় টমছমব্রিজ এলাকার যানজট নিরসনে মসজিদ স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সুযোগের অপেক্ষায় নীলফামারীর সুরের জাদুকর সজীব মুন্সীগঞ্জে হাসপাতাল সিলগালা, অভিযানে জরিমানার মুখে একাধিক ক্লিনিক ৫০ বছরের রাস্তা উদ্ধারে নেই উদ্যোগ-ভুক্তভোগীর অভিযোগ

ফরিদগঞ্জের গুলিবিদ্ধ শিশু রবিউলের ১৩ দিন পর সন্ধান পেলেন বাবা।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ঢাকার নাখালপাড়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ ফরিদগঞ্জের শিশু রবিউল হোসেন (১৩) অবশেষে তার পরিবারের খোঁজ পেলেন।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার ১৩ দিন পর ছেলের খোঁজে দিশাহারা বাবা বিল্লাল ছেলের সন্ধান পেয়েছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২০৬ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩ নম্বর বেডে গুলিবিদ্ধ ক্ষত পা নিয়ে চিকিৎসাধীন রবিউল তার বাবা বিল্লাল হোসেনের সঙ্গেই রয়েছেন।

৩ আগস্ট শনিবার মোবাইল ফোনে বিল্লাল হোসেন জানান, তার বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের বালিথুবা গ্রামে। রবিউল তার ২ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। গত তিন বছর ধরে সে ঢাকার তেজগাঁও নাখালপাড়া এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী চাচা হেলালের সঙ্গে থাকে। গত ১৯ জুলাইয়ের পর থেকে তিনি ও তার ভাই হেলালসহ কেউই রবিউলের খোঁজ পাননি। দিশাহারা হয়ে এতদিন খোঁজার পর গত দুদিন আগে সন্ধান পান। এখন তিনি ছেলের সঙ্গে রয়েছেন। রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালানো বিল্লাল হোসেন বর্তমানে অর্থাভাবে রয়েছেন বলে জানান। ছেলেকে খুঁজে পেয়ে তিনি খুশি।

এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত আনসারের সহকারী কমান্ডার শফিকুল ইসলাম জানান, গত ১৯ জুলাই রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও এলাকার নাখালপাড়া রেললাইনে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সময় বাসা থেকে বের হলে রেললাইনে গুলিবিদ্ধ হয় রবিউল হোসেন। পরে স্থানীয়রা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।
সেই থেকে হাসপাতালের ২০৬ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩ নম্বর বেডে গুলিবিদ্ধ ক্ষত পা নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল সে। ইন্টারনেট সচল হওয়ার পর গত ২৮ জুলাই তিনি রবিউলের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে ফরিদগঞ্জ থানার ওসির সঙ্গে কথা বলে রবিউলের তথ্য দেন।

তার দেওয়ার তথ্যানুযায়ী পুলিশ খোঁজ নিয়ে রবিউলের পরিবারের সন্ধান পায় এবং রবিউল বর্তমানে তার বাবার সঙ্গে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর আগে গত ১৩ দিন তার পায়ে গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা জানত না পরিবারের কেউ-ই।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমার আল্লাহ ছাড়া কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাই না: ভাবনা

ফরিদগঞ্জের গুলিবিদ্ধ শিশু রবিউলের ১৩ দিন পর সন্ধান পেলেন বাবা।

আপডেট সময় ১১:২৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ঢাকার নাখালপাড়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ ফরিদগঞ্জের শিশু রবিউল হোসেন (১৩) অবশেষে তার পরিবারের খোঁজ পেলেন।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার ১৩ দিন পর ছেলের খোঁজে দিশাহারা বাবা বিল্লাল ছেলের সন্ধান পেয়েছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২০৬ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩ নম্বর বেডে গুলিবিদ্ধ ক্ষত পা নিয়ে চিকিৎসাধীন রবিউল তার বাবা বিল্লাল হোসেনের সঙ্গেই রয়েছেন।

৩ আগস্ট শনিবার মোবাইল ফোনে বিল্লাল হোসেন জানান, তার বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের বালিথুবা গ্রামে। রবিউল তার ২ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। গত তিন বছর ধরে সে ঢাকার তেজগাঁও নাখালপাড়া এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী চাচা হেলালের সঙ্গে থাকে। গত ১৯ জুলাইয়ের পর থেকে তিনি ও তার ভাই হেলালসহ কেউই রবিউলের খোঁজ পাননি। দিশাহারা হয়ে এতদিন খোঁজার পর গত দুদিন আগে সন্ধান পান। এখন তিনি ছেলের সঙ্গে রয়েছেন। রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালানো বিল্লাল হোসেন বর্তমানে অর্থাভাবে রয়েছেন বলে জানান। ছেলেকে খুঁজে পেয়ে তিনি খুশি।

এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত আনসারের সহকারী কমান্ডার শফিকুল ইসলাম জানান, গত ১৯ জুলাই রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও এলাকার নাখালপাড়া রেললাইনে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সময় বাসা থেকে বের হলে রেললাইনে গুলিবিদ্ধ হয় রবিউল হোসেন। পরে স্থানীয়রা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।
সেই থেকে হাসপাতালের ২০৬ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩ নম্বর বেডে গুলিবিদ্ধ ক্ষত পা নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল সে। ইন্টারনেট সচল হওয়ার পর গত ২৮ জুলাই তিনি রবিউলের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে ফরিদগঞ্জ থানার ওসির সঙ্গে কথা বলে রবিউলের তথ্য দেন।

তার দেওয়ার তথ্যানুযায়ী পুলিশ খোঁজ নিয়ে রবিউলের পরিবারের সন্ধান পায় এবং রবিউল বর্তমানে তার বাবার সঙ্গে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর আগে গত ১৩ দিন তার পায়ে গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা জানত না পরিবারের কেউ-ই।