ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর ৭ কেজি সোনা নিয়ে ভারতে ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়লেন যুবক অপরিকল্পিত কেনাকাটায় অচল কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও করে ধরা খেলেন শফিকুল বিএনপি ব্যর্থ হলে দেশে কেউ বাস করতে পারবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্বাহী পরিচালকদের দায়িত্ব বাড়াল বিএসইসি মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়া যাবে না : ট্রাম্প শিবগঞ্জ সীমান্তে ২৬ লাখ টাকার ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জব্দ

ক্ষমতায় থাকাকালীন সবচেয়ে বড় ভুলের কথা জানালেন ইমরান খান

ক্ষমতায় থাকার সময় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) কামার জাভেদ বাজওয়াকে বিশ্বাস করা একমাত্র ভুল ছিল বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের সাংবাদিক মেহদি হাসানকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়েছে স্বাধীন সংবাদমাধ্যম জিটিওতে।

সাক্ষাৎকারে ইমরান খান বলেন, আমাকে এমন একটি সেলে রাখা হয়েছে যাকে বলা হয় ডেথ সেল (মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য নির্জন খুপড়ি)। খুবই ছোট একটা জায়গা যেখানে সন্ত্রাসীদের রাখা হয়। কর্তৃপক্ষ আমাকে সন্ত্রাসীর আদলেই দেখাতে চায়। একজন বন্দির যেসব মৌলিক অধিকার থাকার কথা, তার কিছুই আমাকে দেওয়া হয় না। তারা এসব করে আমার মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে। কিন্তু আল্লাহর ওপর বিশ্বাস থাকায় আমার মন এখনো শক্ত আছে। তবে গত দুই বছরে আমি আমার সবগুলো পদক্ষেপ এবং সেগুলোর পরিণতি বিশ্লেষণ করার সময় পেয়েছি। ১১ মাস জেলে কাটানোর পর আমি প্রায় নিশ্চিত এ সবের পেছনে জেনারেল বাজওয়ার হাত ছিল। আমি অন্য কাউকে দোষ দিই না। তিনি সুক্ষ্মভাবে পুরো ব্যাপারটা পরিকল্পনা করেছেন, বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।

ইমরান খান বলেন, মিথ্যা এবং বানোয়াট বয়ান তৈরি করে জেনারেল বাজওয়ার জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছেন। এর ফলে গণতন্ত্র এবং পাকিস্তানের ওপর কতটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা তিনি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন।

বিশ্ববাসীর উদ্দেশে ইমরান বলেন, ‘আমার বার্তা খুবই সহজ। ঘটনাটি শুধু ইমরান খানের সঙ্গে করা হয়নি। বরং তা গণতন্ত্র এবং ২৫ কোটি পাকিস্তানি জনগণের ওপর আঘাত হিসেবে এসেছে। নারী, পুরুষ, শিশুরা নিহত হয়েছে, তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, অত্যাচার করা হয়েছে। কেউ টু শব্দ করেনি। মাত্র একটি রাজনৈতিক দলকে সব দিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ক্ষমতায় থাকাকালীন সবচেয়ে বড় ভুলের কথা জানালেন ইমরান খান

আপডেট সময় ১১:২৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪

ক্ষমতায় থাকার সময় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) কামার জাভেদ বাজওয়াকে বিশ্বাস করা একমাত্র ভুল ছিল বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের সাংবাদিক মেহদি হাসানকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়েছে স্বাধীন সংবাদমাধ্যম জিটিওতে।

সাক্ষাৎকারে ইমরান খান বলেন, আমাকে এমন একটি সেলে রাখা হয়েছে যাকে বলা হয় ডেথ সেল (মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য নির্জন খুপড়ি)। খুবই ছোট একটা জায়গা যেখানে সন্ত্রাসীদের রাখা হয়। কর্তৃপক্ষ আমাকে সন্ত্রাসীর আদলেই দেখাতে চায়। একজন বন্দির যেসব মৌলিক অধিকার থাকার কথা, তার কিছুই আমাকে দেওয়া হয় না। তারা এসব করে আমার মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে। কিন্তু আল্লাহর ওপর বিশ্বাস থাকায় আমার মন এখনো শক্ত আছে। তবে গত দুই বছরে আমি আমার সবগুলো পদক্ষেপ এবং সেগুলোর পরিণতি বিশ্লেষণ করার সময় পেয়েছি। ১১ মাস জেলে কাটানোর পর আমি প্রায় নিশ্চিত এ সবের পেছনে জেনারেল বাজওয়ার হাত ছিল। আমি অন্য কাউকে দোষ দিই না। তিনি সুক্ষ্মভাবে পুরো ব্যাপারটা পরিকল্পনা করেছেন, বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।

ইমরান খান বলেন, মিথ্যা এবং বানোয়াট বয়ান তৈরি করে জেনারেল বাজওয়ার জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছেন। এর ফলে গণতন্ত্র এবং পাকিস্তানের ওপর কতটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা তিনি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন।

বিশ্ববাসীর উদ্দেশে ইমরান বলেন, ‘আমার বার্তা খুবই সহজ। ঘটনাটি শুধু ইমরান খানের সঙ্গে করা হয়নি। বরং তা গণতন্ত্র এবং ২৫ কোটি পাকিস্তানি জনগণের ওপর আঘাত হিসেবে এসেছে। নারী, পুরুষ, শিশুরা নিহত হয়েছে, তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, অত্যাচার করা হয়েছে। কেউ টু শব্দ করেনি। মাত্র একটি রাজনৈতিক দলকে সব দিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।