ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত কিছু ছবি, হাজারো স্মৃতি—আমার জুলাই পবিপ্রবি’র পিজিএস কমিটির ৭৩ তম সভা অনুষ্ঠিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে ‘৩% দুলাল’ খ্যাত আহসানুজ্জামানের দুর্নীতি বসুন্দিয়া ভূমি অফিস এখন ঘুষের অভায়রণ্য! টাকা না দিলে ফাইল গায়েব চার বছরেও থেমে আছে বিচার-ভোলায় নূরে আলমকে স্মরণে বিএনপি-ছাত্রদলের শ্রদ্ধা ও বিচার দাবি ভারত থেকে ২ হাজার ৯০০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি ববিসাস’র আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আলোকচিত্র প্রদর্শনী পাবনায় ‘মদ্যপ অবস্থায়’ ২ রাশিয়ান নাগরিকের মারামারি, নিহত ১

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় জয় বাংলাদেশের

ঘরের মাঠে আসন্ন বিশ্বকাপের আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুটিতে জিতে সিরিজ জয়ের দ্বারপ্রান্তে শান্ত বাহিনী। চট্টগ্র্রামে ব্যাটে-বলে পারফরম্যান্স করে দ্বিতীয় ম্যাচে সফরকারীদের ছয় উইকেটে হারিয়েছে বাংরাদেশ।

রবিবার (৫ মে) আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে ১৩৯ রানের লক্ষ্য দেয় সফরকারীরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাট চালাতে থাকেন আগের ম্যাচে রান না পাওয়া ওপেনার লিটন কুমার দাস। তাকে ভালো সঙ্গ দেন অন্য ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। দুজনের ব্যাটে ভর করে পাওয়ার প্লেতে ৪১ রান তুলতে পারে টাইগাররা।

তবে প্রথম দিনের মতো ইনিংস বড় করতে পারেননি তামিম। ১৯ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার। এরপর লিটনকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক শান্ত। তবে নিজেদের ইনিংস লম্বা করতে পারেননি দুজনের কেউই। ১৫ বলে ১৬ রান করে শান্ত ফিরে গেলে, ২৫ বলে ২৮ রান করে তাকে সঙ্গ দেন লিটন।

তৃতীয় দফায় বৃষ্টির হানা দিলে, ১০ মিনিট পর আবারও খেলা শুরু হয়। এরপর টাইগার শিবিরের হাল ধরেন ব্যাটার তাওহীদ হৃদয় এবং জাকের আলী। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকের আলী। ১২ বলে ১৩ রান করে এনগারাভার বলে ক্লিন বোল্ট আউট হন এই ব্যাটার।

এরপর মাহমুদুল্লাহকে সাথে নিয়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তাওহীদ হৃদয়। শেষ পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহ ১৪ বলে ২৩ রান এবং হৃদয়ের ২৬ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় শান্ত বাহিনী।

এদিন জিম্বাবুয়ের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন লুক জঙ্গি। এ ছাড়াও রিচার্ড এনগারাভা এবং এনডলোভু একটি করে উইকেট দখল করেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা। দলীয় ৩৬ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বসে সিকান্দার রাজার দল। ৪ বলে ২ রান করে মুরামানি ফিরে গেলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন জয়লর্ড গাম্বি। তবে নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনিও। ৩০ বলে ১৭ রান করে আউট হন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।

এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও। ৮ বলে ৩ রান করে রিশাদের প্রথম শিকার হন রোডেশিয়ানদের দলনেতা। ২ বলে শূন্য রান করে তাকে সঙ্গে দেন ব্যাটার মানদান্দে।

এরপর ব্রায়ান বেনেটকে সাথে নিয়ে দলের হাল ধরেন অভিষিক্ত জনাথন ক্যামফেল। ২৪ বলে ৪৫ রান করে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান এই ব্যাটার। তবে শেষ পর্যন্ত বেনেটের ২৯ বলের হার না মানা ৪৪ রানে ভর করেই ১৩৯ রানের লড়াকু পুঁজি পায় জিম্বাবুয়ে।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ এবং রিশাদ হোসেন দুটি করে উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়াও শরিফুল ইসলাম, মাহেদী হাসান এবং সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেটের দেখা পান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় জয় বাংলাদেশের

আপডেট সময় ১১:১৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০২৪

ঘরের মাঠে আসন্ন বিশ্বকাপের আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুটিতে জিতে সিরিজ জয়ের দ্বারপ্রান্তে শান্ত বাহিনী। চট্টগ্র্রামে ব্যাটে-বলে পারফরম্যান্স করে দ্বিতীয় ম্যাচে সফরকারীদের ছয় উইকেটে হারিয়েছে বাংরাদেশ।

রবিবার (৫ মে) আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে ১৩৯ রানের লক্ষ্য দেয় সফরকারীরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাট চালাতে থাকেন আগের ম্যাচে রান না পাওয়া ওপেনার লিটন কুমার দাস। তাকে ভালো সঙ্গ দেন অন্য ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। দুজনের ব্যাটে ভর করে পাওয়ার প্লেতে ৪১ রান তুলতে পারে টাইগাররা।

তবে প্রথম দিনের মতো ইনিংস বড় করতে পারেননি তামিম। ১৯ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার। এরপর লিটনকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক শান্ত। তবে নিজেদের ইনিংস লম্বা করতে পারেননি দুজনের কেউই। ১৫ বলে ১৬ রান করে শান্ত ফিরে গেলে, ২৫ বলে ২৮ রান করে তাকে সঙ্গ দেন লিটন।

তৃতীয় দফায় বৃষ্টির হানা দিলে, ১০ মিনিট পর আবারও খেলা শুরু হয়। এরপর টাইগার শিবিরের হাল ধরেন ব্যাটার তাওহীদ হৃদয় এবং জাকের আলী। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকের আলী। ১২ বলে ১৩ রান করে এনগারাভার বলে ক্লিন বোল্ট আউট হন এই ব্যাটার।

এরপর মাহমুদুল্লাহকে সাথে নিয়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তাওহীদ হৃদয়। শেষ পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহ ১৪ বলে ২৩ রান এবং হৃদয়ের ২৬ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় শান্ত বাহিনী।

এদিন জিম্বাবুয়ের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন লুক জঙ্গি। এ ছাড়াও রিচার্ড এনগারাভা এবং এনডলোভু একটি করে উইকেট দখল করেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা। দলীয় ৩৬ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বসে সিকান্দার রাজার দল। ৪ বলে ২ রান করে মুরামানি ফিরে গেলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন জয়লর্ড গাম্বি। তবে নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনিও। ৩০ বলে ১৭ রান করে আউট হন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।

এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও। ৮ বলে ৩ রান করে রিশাদের প্রথম শিকার হন রোডেশিয়ানদের দলনেতা। ২ বলে শূন্য রান করে তাকে সঙ্গে দেন ব্যাটার মানদান্দে।

এরপর ব্রায়ান বেনেটকে সাথে নিয়ে দলের হাল ধরেন অভিষিক্ত জনাথন ক্যামফেল। ২৪ বলে ৪৫ রান করে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান এই ব্যাটার। তবে শেষ পর্যন্ত বেনেটের ২৯ বলের হার না মানা ৪৪ রানে ভর করেই ১৩৯ রানের লড়াকু পুঁজি পায় জিম্বাবুয়ে।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ এবং রিশাদ হোসেন দুটি করে উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়াও শরিফুল ইসলাম, মাহেদী হাসান এবং সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেটের দেখা পান।