চট্টগ্রাম: চলাচল ভ্রমণে যাত্রাপথে ছিনতাইকারী ঝাপটাবাজ পটেকমার হতে সাবধান! কিন্তু সতর্ক সাবধান থেকেও শেষ রক্ষা হয়-নি। সাংবাদিকের তথ্য ২মোবাইলসহ সুকৌশলে হাতিয়ে নেয় পূর্ব পরিকল্পিত অপরাধী ও শত্রুদের হাতে।সাধারণবেশে ৬/৭জন চক্রের যারা আত্মগোপনে ছিলো। যাত্রীবেশে ছায়াসঙ্গী হয়ে। ছদ্মবেশীদের দেখে কিছু বুঝে উঠার আগেই নিজেদের ছদ্মবেশি ঝাপটাবাজ পকেটমারের ছলে ছিল মিশে। চোখের পলকেই নিয়ে নিল ২টি মোবাইল।যাতে ছিল পেশাগত কাজের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস দুর্নীতি-অনিয়ম,
অপকর্ম,নানা অপরাধের তথ্য চিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস’সহ গোপন সংরক্ষিত নানা গোপনীয় প্রতিবেদনের তথ্যসমূহ।
সাংবাদিকের তথ্য চলারপথে সতর্ক সাবধানেও শেষ রক্ষা হয়-নি। সাংবাদিকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসহ ২মোবাইল ঝাপটাবাজ পটেকমার খেঁকোদের ফাঁদে। প্রতিনিয়ত পূর্ব-পরিকল্পিত মাস্টার প্ল্যানে ঝাঁপটাবাজ চক্রের ফাঁদে পড়ছে পথচারী যাত্রী ও জন সাধারণ। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের ভুমিকা উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের সেবায় সহায়তায় অসন্তোষ। জননিরাপত্তায় সক্রিয়তা দেখা গেলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনের নিরবতায় প্রশ্নবিদ্ধ ভুক্তভোগী জনসাধারণ।
দিনদিন নগরীতে বাড়ছে নানা অঘটন ঝুঁকিঝামেলা সিমাহীন।চলার পথে পদেপদে নিরাপত্তাহীনতায় নগরবাসী। বর্তমান অধুনিকায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তির যুগে প্রতিটি মুহূর্ত মানুষ এখন তথ্য সংরক্ষণ ও যাবতীয় তথ্যাদিসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে মোবাইল নির্ভরশীল।বাড়ছে মোবাইল নির্ভশীলতা দিনিদন। মোবাইল ছাড়া এক মুহূর্তও চলা অসম্ভব। টাকা পয়সার পাশাপাশি মোবাইল নিরাপত্তায় চরম ঝুঁকিতে ভুক্তভোগী ও জনসাধারণ।
.
ঘটনাক্রমে সাংবাদিকের একসাথে ২টি মোবাইল পটেকমারের ফাঁদে পড়ে!পকেটমারেরা ছিল ছদ্মবেশী ভদ্রবেশী যাত্রীবেশে মিশে। কখনো ঝাঁপটাবাজ কখনো ছিনতাইকারী নানা অঘটনের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয় পরিকল্পিত সুকৌশলে। তাদের হাত থেকে চলার পথে সাধারণ বা কেউ-ই আর নিরাপদ নয়! বাস্তবে মাঝে মধ্যে জননিরাপত্তায় প্রশাসনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। যা ক্ষেত্র বিশেষ প্রয়োজনের তুলনায় তুচ্ছ অতি সামান্য।
.
প্রশাসনের দায়িত্বে কর্তব্যে প্রয়োজনীয় শুধুমাত্র ভুমিকা পালনে লোকদেখানোর সক্রিয়তা দেখা যায়। সিংহভাগ ভুমিকায় অনেকটাই দেখা যায় নিরব গাফিলতি অবহেলা। দায়িত্ব পালনে নিক্রয়তা নানা প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে। আইন শৃঙ্খলা প্রশাসন জননিরাপত্তায় ভুমিকায় জনবান্ধন নয়। যার প্রমাণ ভুক্তভোগীরাই টের পায় হারে হারে।
সমাধান বিচারের আশায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর দ্বারে দ্বারে ঘোরপাক খেতে হয় নানা প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে। আইনি দীর্ঘমেয়াদী ধারাবাহিক গল্পের উপন্যাসের তিক্ত অভিজ্ঞতার চিত্ররূপ ইতিহাসে।
.বলছিলাম ঝাঁপটাবাজ,চুরি,ছিনতাই,মলমপার্টি,
অজ্ঞানপার্টি’সহ নানা কুচক্রের আতংকে সর্দায় আতংকিত নগরবাসী।সেইসাথে বেড়েছে চিনতাই ঝাঁপটাবাজ পকেটমারে দৌরাত্মা ।এসব পকেটমারের ছোবলের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না কেউ-ই। সাংবাদিক,প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্বশীল,ভিন্ন পেশাজীবি’সহ সাধারণত মানুষ সকলেই যত্রতত্র পড়ছে চিনতাই ঝাঁপটাবাজ পকেটমারের ছোবলে। কখনো প্রকাশ্য নিরবে নিভৃতে প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী হচ্ছে অনেকেই।
.শুধু সাধারন নয়,সাংবাদিকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকল্পিত মোবাইলসহ ঝাঁপটাবাজ পটেকমারের ফাঁদে! পরিস্থিতিতে সাধারণ কেউ-ই নিরাপদ নয়! প্রশাসন নিরব! বিষয়টি স্পর্শকাতর ও অবিশ্বাস্য! গল্প সিনেমা নাটক নয় বাস্তবেও সত্য।সাংবাদিক নিজেই পরিস্থিতি শিকার। নিজেই ভুক্তভোগী।
.আমার পেশাগত কাজের দুইটি মোবাইল পটেকমার হলেও ছিনতাইকারীর চেয়ে ভয়ানক কায়দায় সুকৌশলে হাতিয়ে নেয়। সাবধান সতর্ক থাকার পরওে ভদ্রছদ্মবেশী পকেটমার এর ফাঁদে।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সকলের সবরকম সহায়তা ও সুদৃষ্টি আশা করছি।
গতকাল ১০ফেব্রুয়ারি,বিকাল সাড়ে ৫টায়। কোতোয়ালি থানা,৩নং বাস হতে। কাজির দেউড়ি এলাকা থেকে পূর্ব পরিকল্পিত কৌশলে চোখের পলকে দুইটি মোবাইল ব্যাগ থেকে নিয়ে নেয়।
কোতয়ালি থানা-১০/১০/২৪ইং,জিডি নং-১০৩৫।জিডি ট্র্যকিং নং-8ATGYX.
.
ঘটনাক্রমে, “দৈনিক দেশের কথা” পত্রিকার মোহাম্মদ মাসুদ,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার এর ২টি মোবাইল হাতিয়ে নেয়। ভুক্তভোগীর জানায়,আমার মোবাইল ২টি আগে থেকেই পকেটমার চক্র ফলো করে। ৬/৭জন পকেটমার সিন্ডিকেট কর্তৃক মোবাইল দুইটি আগে দেখে। আমাকে নজরে রাখে। কিছু বুঝে উঠার আগেই সুকৌশলে চোখের পলকে ২টি মোবাইল হতিয়ে নেই।
আমি পূর্ব পরিকল্পিত ছিনতায় চক্রের ও চোর চক্রের ফাঁদে পড়েছি। অতচ,তাদের বেশবুশায় কিছুই বুঝতে পারলাম না। তারা মুহুর্তে মুহুর্তে অপরাধের ধরন পাল্টায়।ভুক্তভোগীরা নির্মম করুণ উদ্ভুদ পরিস্থিতির শিকার। যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার মতো আরো অনেকেই শিকার। পথেঘাটে চলাচলে যানবাহনে বিন্দুমাত্র নিরাপত্তা নেই। গন-পরিবহন এ বাস কর্মচারী থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রভাবশালীদের অপক্ষমতা ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে যায় এসব অপরাধীরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার নাগালের বাহিরে।
.
আাস্তবে নানা অঘটনে নিরাপত্তাঝুঁকিতে চরম বিষাদ তিক্ত অভিজ্ঞতায় সাধারণ জনসাধারণ। প্রতিনিয়তই ঘটছে এমন অঘটন। শত অঘটনেও করেও অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্ত হয়েও ও এসব অপরাধীরা সুকৌশলে হাতিয়ে নেয় কখনো টাকা কখনো মোবাইল সুযোগ পেলে ভুক্তভোগীদের সবকিছুই।
.সমাধানে কিছুই যেন কারোই করার নেই। ভুক্তভোগী জনসাধারণ আইন প্রশাসন সকলেই জানেন এর নেপথ্যে কাহিনী। আসল ঘটনায় সত্যতা নিশ্চিত বাস্তবতায় কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। আমার মতো ভুক্তভোগীদের কতটা নিষ্ঠুরতা ও অনুকূলতার তিক্ত অভিজ্ঞতায় পূর্ণ।
পেশাগত কারণে গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে সবসময়ই সজাগ সচেতন থাকি সবকিছুতেই। কিন্তু তারপরেও বিশ্বাস হচ্ছে না আমার এমন অঘটন কি করে কেমনে হইল। হলাম অপূনীয় ক্ষয়ক্ষতির শিকার। ২টি মোবাইল ৮/১২৮ সেট মেমোরি ও আরো অতিরিক্ত মেমোরি কার্ডে ফুল ছিল ডকুমেন্টসে পূর্ণ ছিল। যা পেশাগত কাজের অতি প্রয়োজনীয় গুরুত্বপপূর্ণ। বিশেষ দরকারী জরুরি ডকুমেন্টস।এক অবিশ্বাস্য অদ্ভুদ পরিনিতি ভারসাম্যহী
সুমনসেন চট্টগ্রাম ব্যুরো 





















