ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ র‍্যাবের নাম বদলে আসছে এসআরবি অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদায় করতে হবে : শফিকুর রহমান আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের  কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ গ্রেপ্তার, উদ্ধার এক ভিকটিম ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় কালিহাতীতে ২১৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারি গ্রেপ্তার বড়লেখায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

সোনার বারসহ বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আটক

সোনার বারসহ আটক হয়েছেন চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়োজিত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ মিঠু। একই অপরাধে মো. আলাউদ্দিন নামে আরেক বিমানযাত্রীকে আটক করা হয়েছে।এসময় মিঠুর কাছ থেকে চারটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে। বারগুলোর ওজন ৪৬৪ গ্রাম, বর্তমানে এর বাজারমূল্য আনুমানিক ৪০ লাখ টাকা।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বিমানবন্দরের ভেতর থেকে তাদের আটক করে কাস্টমসের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থার সদস্যরা।

আটক ডা. শরীফ মিঠু চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের অধীন বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ২৭তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা। মো. আলাউদ্দিন সকালে শারজাহ থেকে আসা বিমানযাত্রী।

বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তসলিম আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ঘটনার সময় একজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সন্দেহজনক ঘোরাঘুরি করছিলেন। পরে শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৪টি সোনার বার জব্দ করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, আটক অন্য এক যাত্রীর সোনার বার তিনি পকেটে বহন করছিলেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিমানবন্দরে নিয়োজিত বলেও জানান তিনি।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, সকালে শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার জি-৯৫২৬ ফ্লাইট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিমানের যাত্রী আলাউদ্দিন অবৈধভাবে নিয়ে আসা সোনার বারগুলো ডা. শরীফকে দেন। মূলত ওই চিকিৎসক সোনার বারগুলো নিরাপদে পাচার করার চেষ্টা করছিলেন। পরে শুল্ক গোয়েন্দার লোকজন তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তাকে স্ক্যান করে সোনার বারগুলো পাওয়া যায়। প্রতিটি বারের ওজন ১১৬ গ্রাম।

বিমানবন্দরে নিয়োজিত কাস্টমসের একাধিক কর্মকর্তা জানান, এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইটটির যাত্রীরা উড়োজাহাজ থেকে নেমে ইমিগ্রেশনের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিমানবন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শরীফ ইমিগ্রেশনের সামনে থাকা ওয়াটার ফিল্টার থেকে পানি পান করতে যান। একপর্যায়ে আলাউদ্দিন নামের যাত্রীর কাছ থেকে শরীফের কিছু একটা নেওয়ার দৃশ্য কাস্টমস কর্মকর্তাদের চোখে পড়ে। এরপরই তাকে চ্যালেঞ্জ করে তার কাছ থেকে সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় বিমানবন্দর কাস্টমসকে সহযোগিতা করেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক মো. মহিউদ্দিন বলেন, বিষয়টি এখনো আমাদের কেউ জানায়নি। আমরা খোঁজ নিচ্ছি।

এর আগে গত শুক্রবার সকালে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কনভেয়ারে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত একটি বিদেশি সিগারেটের প্যাকেট থেকে ১৪টি সোনার বার জব্দ করে জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা। পরে সেগুলো শুল্ক গোয়েন্দার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

সোনার বারসহ বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আটক

আপডেট সময় ০৮:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪

সোনার বারসহ আটক হয়েছেন চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়োজিত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ মিঠু। একই অপরাধে মো. আলাউদ্দিন নামে আরেক বিমানযাত্রীকে আটক করা হয়েছে।এসময় মিঠুর কাছ থেকে চারটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে। বারগুলোর ওজন ৪৬৪ গ্রাম, বর্তমানে এর বাজারমূল্য আনুমানিক ৪০ লাখ টাকা।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বিমানবন্দরের ভেতর থেকে তাদের আটক করে কাস্টমসের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থার সদস্যরা।

আটক ডা. শরীফ মিঠু চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের অধীন বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ২৭তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা। মো. আলাউদ্দিন সকালে শারজাহ থেকে আসা বিমানযাত্রী।

বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তসলিম আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ঘটনার সময় একজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সন্দেহজনক ঘোরাঘুরি করছিলেন। পরে শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৪টি সোনার বার জব্দ করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, আটক অন্য এক যাত্রীর সোনার বার তিনি পকেটে বহন করছিলেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিমানবন্দরে নিয়োজিত বলেও জানান তিনি।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, সকালে শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার জি-৯৫২৬ ফ্লাইট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিমানের যাত্রী আলাউদ্দিন অবৈধভাবে নিয়ে আসা সোনার বারগুলো ডা. শরীফকে দেন। মূলত ওই চিকিৎসক সোনার বারগুলো নিরাপদে পাচার করার চেষ্টা করছিলেন। পরে শুল্ক গোয়েন্দার লোকজন তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তাকে স্ক্যান করে সোনার বারগুলো পাওয়া যায়। প্রতিটি বারের ওজন ১১৬ গ্রাম।

বিমানবন্দরে নিয়োজিত কাস্টমসের একাধিক কর্মকর্তা জানান, এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইটটির যাত্রীরা উড়োজাহাজ থেকে নেমে ইমিগ্রেশনের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিমানবন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শরীফ ইমিগ্রেশনের সামনে থাকা ওয়াটার ফিল্টার থেকে পানি পান করতে যান। একপর্যায়ে আলাউদ্দিন নামের যাত্রীর কাছ থেকে শরীফের কিছু একটা নেওয়ার দৃশ্য কাস্টমস কর্মকর্তাদের চোখে পড়ে। এরপরই তাকে চ্যালেঞ্জ করে তার কাছ থেকে সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় বিমানবন্দর কাস্টমসকে সহযোগিতা করেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক মো. মহিউদ্দিন বলেন, বিষয়টি এখনো আমাদের কেউ জানায়নি। আমরা খোঁজ নিচ্ছি।

এর আগে গত শুক্রবার সকালে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কনভেয়ারে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত একটি বিদেশি সিগারেটের প্যাকেট থেকে ১৪টি সোনার বার জব্দ করে জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা। পরে সেগুলো শুল্ক গোয়েন্দার কাছে হস্তান্তর করা হয়।