পিরোজপুরে মঠবাড়িয়ায় বোল্লাল হোসেন (৪৫) নামের এক গৃহ-শিক্ষককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা হয়েছে। শনিবার রাতে গুরুতর আহত শিক্ষক এর স্ত্রী শিরিন আক্তার (২৫) বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। শনিবার (২৭ জানুয়ারী) রাতেই হামলায় জড়িত এজাহার নামীয় প্রধান আসামি হাবিবুর রহমান মিলন মৃধা (৪৫) ও তাওহীদ (২৫) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মিলন মৃধা উপজেলার দক্ষিণ বড় মাছুয়া গ্রামের মৃত. নজরুল ইসলাম মৃধার ছেলে ও তাওহীদ চর ভোলমারা গ্রামের ইসাহাক আলীর ছেলে। আহত শিক্ষক বেল্লাল হোসেন চর ভোলমারা গ্রামের মজিদ তালুকদারের ছেলে। সে বাসা বাড়িতে গিয়ে শিক্ষকতা করতেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত ও এলাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ও প্রতিপক্ষদের বেল্লালের বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার রাতে গৃহ শিক্ষক বেল্লাল হোসেন স্থানীয় বাজার থেকে মোটর সাইকেল যোগে বাড়িতে ফিরছিলেন। এসময় চর ভোলমারা এলাকায় পৌছালে প্রতিপক্ষরা তার পথরোধ করে। পরে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি ভাবে কুপিয়ে মৃত ভেবে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, এ হামলায় জড়িত এজাহার নামীয় দুইজনকে গ্রেফতার করে রবিবার (২৮ জানুয়ারী) সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেস্টা অব্যহৃত রয়েছে।
পিরোজপুর প্রতিনিধি ঃ 





















