ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

আমুর মধ্যস্থতায় শাহজাহান ওমরের সঙ্গে উপজেলা আ.লীগের সমঝোতা

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার এম শাহজাহান ওমর বীর উত্তমের সঙ্গে রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের বৈরিতা নিরসন করা হয়েছে। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র ঝালকাঠি-২ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আমির হোসেন আমুর উদ্যোগে এ সমঝোতা করা হয়।

বরিশাল নগরীর বগুড়া রোডে আমির হোসেন আমুর বাসভবনে দুই উপজেলার (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বসে শাহজাহান ওমরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার শাহ আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনীর, রাজাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামান, কাঠালিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মনির, রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুল আলম সরফরাজ, সাধারণ সম্পাদক জিয়া হায়দার খান লিটন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা আক্তার লাইজুসহ দুই উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যানরা, আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বলেন, ‘দল বদল আমার সাংবিধানিক অধিকার। সংবিধানের কোথাও দল বদল করা যাবে না এমনটা বলা নেই। শেরেবাংলাও বহুবার দল বদল করেছেন দেশের স্বার্থে। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ নেতা নুর ইসলাম মঞ্জুসহ কিছু নেতার সঙ্গে আমার মনোমালিন্য হয়। ওই সময় মঞ্জু আমার নামে মামলা দেয় এবং বঙ্গবন্ধুকে ভুল বুঝিয়ে আমাকে চাকরিচ্যুত করায়। সেই বিপদে আমার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু, আবদুর রব সেরনিয়াবাত ও তার পুত্র আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। ওনাদের কারণেই আমি টিকে আছি।’

তিনি বলেন, ‘৯০ সালে আমির হোসেন আমু আমাকে নিয়ে শেখ হাসিনার কাছে গিয়েছিলেন এ আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। কিন্তু তখন অন্য আর একজনকে নেত্রী কথা দিয়ে ফেলেছিলেন। আমি তখন আমু ভাইকে বলেছিলাম কী করব, উত্তরে আমু ভাই আমাকে বিএনপিতে ফিরে যেতে বলেছিলেন।’

এ সময় ওমর আরও বলেন, ‘আমি জয় বাংলার লোক। সবাইকে নিয়ে আওয়ামী লীগে এসেছি। কিছু নাবালক আছে এখনো আসেনি। এদের কীভাবে আনতে হয় তা আমার জানা আছে, তারাও এসে পড়বে।’

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, ‘সাংবাধানিক ধারাবাহিকতা, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শাহজাহান ওমর যোগদান করেছেন।’

এর আগে ব্যারিস্টার এম শাহজাহান ওমরের বিপক্ষে নির্বাচনে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ একাংশের নেতাকর্মীরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা

আমুর মধ্যস্থতায় শাহজাহান ওমরের সঙ্গে উপজেলা আ.লীগের সমঝোতা

আপডেট সময় ১২:২২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার এম শাহজাহান ওমর বীর উত্তমের সঙ্গে রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের বৈরিতা নিরসন করা হয়েছে। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র ঝালকাঠি-২ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আমির হোসেন আমুর উদ্যোগে এ সমঝোতা করা হয়।

বরিশাল নগরীর বগুড়া রোডে আমির হোসেন আমুর বাসভবনে দুই উপজেলার (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বসে শাহজাহান ওমরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার শাহ আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনীর, রাজাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামান, কাঠালিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মনির, রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুল আলম সরফরাজ, সাধারণ সম্পাদক জিয়া হায়দার খান লিটন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা আক্তার লাইজুসহ দুই উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যানরা, আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বলেন, ‘দল বদল আমার সাংবিধানিক অধিকার। সংবিধানের কোথাও দল বদল করা যাবে না এমনটা বলা নেই। শেরেবাংলাও বহুবার দল বদল করেছেন দেশের স্বার্থে। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ নেতা নুর ইসলাম মঞ্জুসহ কিছু নেতার সঙ্গে আমার মনোমালিন্য হয়। ওই সময় মঞ্জু আমার নামে মামলা দেয় এবং বঙ্গবন্ধুকে ভুল বুঝিয়ে আমাকে চাকরিচ্যুত করায়। সেই বিপদে আমার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু, আবদুর রব সেরনিয়াবাত ও তার পুত্র আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। ওনাদের কারণেই আমি টিকে আছি।’

তিনি বলেন, ‘৯০ সালে আমির হোসেন আমু আমাকে নিয়ে শেখ হাসিনার কাছে গিয়েছিলেন এ আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। কিন্তু তখন অন্য আর একজনকে নেত্রী কথা দিয়ে ফেলেছিলেন। আমি তখন আমু ভাইকে বলেছিলাম কী করব, উত্তরে আমু ভাই আমাকে বিএনপিতে ফিরে যেতে বলেছিলেন।’

এ সময় ওমর আরও বলেন, ‘আমি জয় বাংলার লোক। সবাইকে নিয়ে আওয়ামী লীগে এসেছি। কিছু নাবালক আছে এখনো আসেনি। এদের কীভাবে আনতে হয় তা আমার জানা আছে, তারাও এসে পড়বে।’

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, ‘সাংবাধানিক ধারাবাহিকতা, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শাহজাহান ওমর যোগদান করেছেন।’

এর আগে ব্যারিস্টার এম শাহজাহান ওমরের বিপক্ষে নির্বাচনে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ একাংশের নেতাকর্মীরা।