সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে ভারতীয় কয়লা আনতে গিয়ে পাথর চাপায় নুরুল হক (২৫) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত কয়লা শ্রমিক উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের লাকমা গ্রামের মো. আব্দুল খালেক মিয়ার তৃতীয় ছেলে।
রবিবার (১২ নভেম্বর) সকাল সারে ৮টায় লাকমা ছড়া এলাকায় এ দূর্ঘটনাটি ঘটেছে।
জানা যায়, নিহত নুরুল হক প্রতিদিনের ন্যায় রবিবার ভোর রাতে লাকমা ছড়া এলাকা দিয়ে সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে কয়লা সংগ্রহ করতে যান। কয়লা উত্তোলন করার সময় মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশ থেকে হঠাৎ একটি পাথর গড়িয়ে নুরুল হকের বুকে এসে পড়লে সে গুরুত্বর আহত হয়। পরবর্তিতে স্থানীয় লোকজন নুরুল হককে গুরুতর আহত অবস্থায় তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে। বাড়িতে নিয়ে আসার কিছুক্ষণ পর নুরুল হক মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতের পিতা মো. আব্দুল খালেক বলেন, আমার ছেলে একজন কয়লা শ্রমিক ছিল। প্রতিদিনের ন্যায় আজ ভোর রাতে কয়লা আনতে গিয়ে কয়লা উত্তোলনের সময় পাথরের আঘাতে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে দূর্ঘটনা বশতঃ মৃত্যুবরণ করেছে। আমার ছেলের মৃত্যুর বিষয়ে আমার এবং আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কোন শোভা সন্দেহ নাই।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্যাকেরঘাট অস্থায়ী ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সজীব দেব রায় জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আবু জাহান তালুকদার, তাহিরপুর: 



















