ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৩৪ দিন পর খুলল শাহজালাল মাজারের দানবাক্স, চলছে টাকা গণনা সাত পথে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার রূপরেখা দিলেন মোদি সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে ফরিদপুরে সাংবাদিক ইউনিয়নের সভা অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারে হাসপাতালে অভিনেত্রী শাকিলা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা দেওয়া শুরু : শিক্ষামন্ত্রী ফ্যামিলিকার্ডের বাইরে নিত্য পণ্য বিক্রির নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে টিসিবি কুমিল্লার ডালপা বিল যেন বর্ষার এক টুকরো হাওর, প্রকৃতির টানে ছুটছেন দর্শনার্থীরা বিএনপি প্রতিশ্রুতি রাখে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাস্তা বন্ধ করে এনসিপির সমাবেশ, ক্ষেপে গেলেন পথচারী হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

সংলাপের মাধ্যমেই সমস্যা সমাধান করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা: কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, সংলাপের বিকল্প নেই। সংলাপের মাধ্যমেই আমাদের এই সমস্যা সমাধান করতে হবে।

সোমবার (৩০ অক্টোবর) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ২৮ অক্টোবর বিএনপি সমাবেশ থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে। যদি এরপর আবার এমন করে তবে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের যে ভিত্তি, ইচ্ছা করলে আওয়ামী লীগের মতো সরকারকে ও সংগঠনকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।

তিনি বলেন, আমার বাসাও প্রধান বিচারপতির বাসার কাছে। সেখান থেকে সব দেখেছি। আমার বাসার স্টাফরাও বলেছেন, এটি প্রধান বিচারপতির বাসা। ওরা (বিএনপি কর্মীরা) বলছে এটাই আগে ভাঙতে হবে, বিচার করে-করে আমাদের লোকজনদের ফাঁসি দিয়েছেন বিচারপতিরা। তারা সুপরিকল্পিতভাবে প্রধান বিচারপতির বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। পৃথিবীর কোথাও পুলিশের ওপর আক্রমণ বা পুলিশের গাড়ি পোড়ানো হয় না।

দেশের রাজনীতি আবার পুরোনো চেহারায় ফিরছে। মাত্র দুই মাস পরে নির্বাচন। এভাবেই কি চলতে থাকবে, এর সমাধান তো রাজনীতিবিদদের হাতেই রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে কি এর সমাধান করা যায় না? এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে অনেক সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই হয়েছে। সংলাপের বিকল্প নেই। সংলাপের মাধ্যমেই আমাদের এই সমস্যা সমাধান করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, তারা যদি বলে যে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে, এ সরকার থাকলে নির্বাচনে যাবে না, এই নির্বাচন কমিশনের আওতায় তারা নির্বাচন করবে না- এই দুটি কথা তারা এমনভাবে বলেছে, এখানে আলোচনা করে কি হবে? সংবিধানের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ তো এই মুহূর্তে নেই। কাজেই সেটা তো হবে না। নির্বাচন কমিশন তো আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই করা হয়েছে। সেই নির্বাচন কমিশন না থাকলে নির্বাচন হবে কীভাবে?

তিনি বলেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার গঠন করে কার্যকর করতে হবে, সংসদ বসতে হবে। এই বেসিক ইস্যুগুলো তারা যদি মেনে নিত তখন আমরা অবশ্যই তাদের সঙ্গে বসে কীভাবে নির্বাচনকে সুন্দর করা যায়, সেই আলোচনা করতে পারি।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হবে, পালানোর জায়গা পাবে না- প্রতিদিন এই কথা বললে কি সংলাপ হবে-এমন প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, সেই সংলাপ তো ফলপ্রসূ হবে না। আমরা সংলাপের বিরুদ্ধে না কিন্তু দরজা বন্ধ করে দিয়ে তো সংলাপ করা যাবে না। ।

বিএনপির অবরোধ কর্মসূচির বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, তারা তিন দিনের অবরোধ দিয়েছে- এই পরিস্থিতিতে আমরা রাজনৈতিকভাবে এটা মোকাবিলার চেষ্টা করছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের যে ভিত্তি, ইচ্ছা করলে আওয়ামী লীগের মতো সরকার বা আওয়ামী লীগের মতো সংগঠনকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।

তিনি বলেন, আমি মনে করি বিএনপির শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। তারা নির্বাচনে আসবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৩৪ দিন পর খুলল শাহজালাল মাজারের দানবাক্স, চলছে টাকা গণনা

সংলাপের মাধ্যমেই সমস্যা সমাধান করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:২৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

ঢাকা: কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, সংলাপের বিকল্প নেই। সংলাপের মাধ্যমেই আমাদের এই সমস্যা সমাধান করতে হবে।

সোমবার (৩০ অক্টোবর) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ২৮ অক্টোবর বিএনপি সমাবেশ থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে। যদি এরপর আবার এমন করে তবে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের যে ভিত্তি, ইচ্ছা করলে আওয়ামী লীগের মতো সরকারকে ও সংগঠনকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।

তিনি বলেন, আমার বাসাও প্রধান বিচারপতির বাসার কাছে। সেখান থেকে সব দেখেছি। আমার বাসার স্টাফরাও বলেছেন, এটি প্রধান বিচারপতির বাসা। ওরা (বিএনপি কর্মীরা) বলছে এটাই আগে ভাঙতে হবে, বিচার করে-করে আমাদের লোকজনদের ফাঁসি দিয়েছেন বিচারপতিরা। তারা সুপরিকল্পিতভাবে প্রধান বিচারপতির বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। পৃথিবীর কোথাও পুলিশের ওপর আক্রমণ বা পুলিশের গাড়ি পোড়ানো হয় না।

দেশের রাজনীতি আবার পুরোনো চেহারায় ফিরছে। মাত্র দুই মাস পরে নির্বাচন। এভাবেই কি চলতে থাকবে, এর সমাধান তো রাজনীতিবিদদের হাতেই রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে কি এর সমাধান করা যায় না? এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে অনেক সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই হয়েছে। সংলাপের বিকল্প নেই। সংলাপের মাধ্যমেই আমাদের এই সমস্যা সমাধান করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, তারা যদি বলে যে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে, এ সরকার থাকলে নির্বাচনে যাবে না, এই নির্বাচন কমিশনের আওতায় তারা নির্বাচন করবে না- এই দুটি কথা তারা এমনভাবে বলেছে, এখানে আলোচনা করে কি হবে? সংবিধানের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ তো এই মুহূর্তে নেই। কাজেই সেটা তো হবে না। নির্বাচন কমিশন তো আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই করা হয়েছে। সেই নির্বাচন কমিশন না থাকলে নির্বাচন হবে কীভাবে?

তিনি বলেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার গঠন করে কার্যকর করতে হবে, সংসদ বসতে হবে। এই বেসিক ইস্যুগুলো তারা যদি মেনে নিত তখন আমরা অবশ্যই তাদের সঙ্গে বসে কীভাবে নির্বাচনকে সুন্দর করা যায়, সেই আলোচনা করতে পারি।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হবে, পালানোর জায়গা পাবে না- প্রতিদিন এই কথা বললে কি সংলাপ হবে-এমন প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, সেই সংলাপ তো ফলপ্রসূ হবে না। আমরা সংলাপের বিরুদ্ধে না কিন্তু দরজা বন্ধ করে দিয়ে তো সংলাপ করা যাবে না। ।

বিএনপির অবরোধ কর্মসূচির বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, তারা তিন দিনের অবরোধ দিয়েছে- এই পরিস্থিতিতে আমরা রাজনৈতিকভাবে এটা মোকাবিলার চেষ্টা করছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের যে ভিত্তি, ইচ্ছা করলে আওয়ামী লীগের মতো সরকার বা আওয়ামী লীগের মতো সংগঠনকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।

তিনি বলেন, আমি মনে করি বিএনপির শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। তারা নির্বাচনে আসবে।