ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণপাড়া মোবাইল কোর্টের অভিযানে গ্রেপ্তার ১০ জন, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড গঙ্গাচড়ায় এনএসআই পরিচয়ে বিয়ে, ভুয়া পরিচয়পত্রেই ধরা খেলেন যুবক নওগাঁয় ভুটভুটির সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, গুরুতর আহত-৪ আহছানিয়া মিশন হাসপাতালে অনুদানের অর্থে করপোরেট ব্যবসার অভিযোগ কুমিল্লার রানীর বাজারে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ও মালামাল জব্দ ২৬ দিনের লড়াই শেষে হার মানলেন আজিবুর, কালিয়াকৈরে হামলার ঘটনায় শোক আত্রাইয়ে নিখোঁজের তিন দিন পর পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মায়ের দেওয়া কিডনিও বাঁচাতে পারল না বেরোবির শিক্ষার্থী জাহিদকে  ধামরাইয়ে প্রশ্নপত্রে বিভ্রাট, পরীক্ষা দিতে গিয়ে ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে ট্রেনে কাটা পড়ে মুরাদনগরের দাদি-নাতনির মৃত্যু

কুমিল্লা মেঘনা উপজেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ নিহত ১, আহত ১০

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। ব্যবসায়িক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোমবার সকালে মেঘনা উপজেলা চালিভাঙ্গা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ খন্দকার আশফাকুজ্জামান।

নিহত হয়েছেন চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরের ছোট ভাই ও নলডাঙা গ্রামের মো. আব্বাসের ছেলে নিজাম সরকার (৪০)। তিনি চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।

আহতরা হলেন, স্থানীয় টিটু (৩০), রমজান (৩৫), ইব্রাহীম (২৮), শাকিল (২২), খালেদ হাসান (১৯), দেলোয়ার (৩২), আনিছ সরকার (২৫), সুমন (২৪), হানিফ (৪৫) ও ওয়াসিম (৩৫)।

জানা গেছে, গত দুইদিন ধরেই থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে আসছিল। এতে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। গত দুই দিনের জের ধরে সোমবার সকালে স্থানীয় সানাউল্লাহ গ্রুপ ও কাইয়ুম গ্রুপ আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে৷ এসময় দুই গ্রুপের লোকেরাই টেঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষকে হামলা করে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয় ও একজন নিহত হয়।

স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে, সানাউল্লাহ গ্রুপ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির সমর্থিত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একটি অংশ। অপর দিকে জেলা পরিষদ সদস্য কাইয়ুম হোসেনের নেতৃত্বে আছে আওয়ামী লীগের আরও একটি অংশ। যা কাইয়ুম গ্রুপ নামে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, দুইদিন ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ চলছিল। গতকাল একটা মামলা দায়ের করেছি আমরা। আমাদের গ্রেফতার তৎপরতা চলছিল। আজ সকালে আবার সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণপাড়া মোবাইল কোর্টের অভিযানে গ্রেপ্তার ১০ জন, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

কুমিল্লা মেঘনা উপজেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ নিহত ১, আহত ১০

আপডেট সময় ০৩:১৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। ব্যবসায়িক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোমবার সকালে মেঘনা উপজেলা চালিভাঙ্গা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ খন্দকার আশফাকুজ্জামান।

নিহত হয়েছেন চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরের ছোট ভাই ও নলডাঙা গ্রামের মো. আব্বাসের ছেলে নিজাম সরকার (৪০)। তিনি চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।

আহতরা হলেন, স্থানীয় টিটু (৩০), রমজান (৩৫), ইব্রাহীম (২৮), শাকিল (২২), খালেদ হাসান (১৯), দেলোয়ার (৩২), আনিছ সরকার (২৫), সুমন (২৪), হানিফ (৪৫) ও ওয়াসিম (৩৫)।

জানা গেছে, গত দুইদিন ধরেই থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে আসছিল। এতে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। গত দুই দিনের জের ধরে সোমবার সকালে স্থানীয় সানাউল্লাহ গ্রুপ ও কাইয়ুম গ্রুপ আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে৷ এসময় দুই গ্রুপের লোকেরাই টেঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষকে হামলা করে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয় ও একজন নিহত হয়।

স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে, সানাউল্লাহ গ্রুপ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির সমর্থিত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একটি অংশ। অপর দিকে জেলা পরিষদ সদস্য কাইয়ুম হোসেনের নেতৃত্বে আছে আওয়ামী লীগের আরও একটি অংশ। যা কাইয়ুম গ্রুপ নামে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, দুইদিন ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ চলছিল। গতকাল একটা মামলা দায়ের করেছি আমরা। আমাদের গ্রেফতার তৎপরতা চলছিল। আজ সকালে আবার সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।